1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. modlraju58@gmail.com : raju019 :
মান্দায় মাদ্রাসা ভবন নির্মাণের সামগ্রী নিয়ে উধাও শ্রমিকেরা - ডিবিসি জার্নাল২৪
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দুর্গাপুরে সুদের টাকা আদায় করতে এক ব্যক্তিকে কু’পি’য়ে য’খ’ম রাজশাহীর সিল্ক শিল্পে প্রাণ ফেরানোর বড় পরিকল্পনা বাঘায় বিক্রেতার ওয়ারিশের বিরুদ্ধে বাড়ি ঘরে হা’ম’লা-মামলা দিয়ে বিক্রি করা জমি দ’খ’লের চেষ্টা পুঠিয়ায় অবৈধ তেল মজুতের দায়ে জরিমানা ফেনী সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযানে চোরাই পণ্যসহ সিএনজি অটোরিকশা জব্দ ছাত্রদল নেতার মৎস্য খামারে বিষ ঢেলে পাঁচ লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন কার্যকারিতা হারাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি হওয়া ১৬টি অধ্যাদেশ রাজশাহীতে এক মাসেও কাটেনি জ্বালানি সংকট দীর্ঘ লাইনে চরম ভোগান্তি রাজশাহীতে পেট্রোল পাম্পকে ২ লাখ টাকা জরিমানা তেল বিক্রিতে অনিয়ম জ্বালানি তেল নিতে লাগবে ফুয়েল কার্ড

মান্দায় মাদ্রাসা ভবন নির্মাণের সামগ্রী নিয়ে উধাও শ্রমিকেরা

  • আপডেট করা হয়েছে শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫
  • ৯৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : নওগাঁর মান্দা উপজেলার আয়াপুর দাখিল মাদ্রাসায় ভবন নির্মাণকাজের গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী নিয়ে উধাও হয়ে গেছেন নির্মাণ শ্রমিকেরা। চারতলা ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট একতলা ভবনের এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে শিক্ষাপ্রকৌশল অধিদপ্তর। এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভবনের ব্যাচ ঢালাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রড ও সিমেন্ট মাদ্রাসার পুরোনো একটি কক্ষে মজুত রাখা হয়েছিল। শুক্রবার (২৭ জুন) রাতে সেগুলোর একটি বড় অংশ এবং একটি মিক্সচার মেশিন নিয়ে নিরুদ্দেশ হয়ে যান শ্রমিকেরা।

ঠিকাদারের ম্যানেজার আমজাদ হোসেন বলেন, ‘রাতের খাবার শেষে আমরা সবাই ঘুমিয়ে পড়ি। রাত ১২টার দিকে ঘুম ভেঙে দেখি শ্রমিকেরা নেই। বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে ঠিকাদার মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহকে জানাই। পরে দেখি ৫০ বস্তা সিমেন্ট, বেশ কিছু রড আর একটি মিক্সচার মেশিন নেই।’

জানা গেছে, শ্রমিকদের নেতৃত্বে ছিলেন শফিকুল ইসলাম নামের একজন সর্দার। সাতজন শ্রমিক নিয়ে তিনি সেখানে কাজ করছিলেন। তিনি নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নিতপুর এলাকার বাসিন্দা বলে নিশ্চিত করেন ঠিকাদারের লোকজন।আয়াপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘রাতেই ঠিকাদার মোবাইলফোনে আমাকে বিষয়টি অবহিত করে। এরপর মাদ্রাসায় গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি।’

ঠিকাদার মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ বলেন, ‘এই শ্রমিকেরা দীর্ঘদিন ধরে আমার প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে। গত বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) তাদের পাওনা টাকা পরিশোধ করি। তখন শ্রমিক সর্দার শফিকুল প্রয়োজনের কথা বলে অতিরিক্ত কিছু টাকাও নেয়। কেন তারা এমন করল, বুঝতে পারছি না। আমি মান্দা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’
এ বিষয়ে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান বলেন, ‘এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST