1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. modlraju58@gmail.com : raju019 :
রাজশাহীর সিল্ক শিল্পে প্রাণ ফেরানোর বড় পরিকল্পনা - ডিবিসি জার্নাল২৪
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দুর্গাপুরে সুদের টাকা আদায় করতে এক ব্যক্তিকে কু’পি’য়ে য’খ’ম রাজশাহীর সিল্ক শিল্পে প্রাণ ফেরানোর বড় পরিকল্পনা বাঘায় বিক্রেতার ওয়ারিশের বিরুদ্ধে বাড়ি ঘরে হা’ম’লা-মামলা দিয়ে বিক্রি করা জমি দ’খ’লের চেষ্টা পুঠিয়ায় অবৈধ তেল মজুতের দায়ে জরিমানা ফেনী সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযানে চোরাই পণ্যসহ সিএনজি অটোরিকশা জব্দ ছাত্রদল নেতার মৎস্য খামারে বিষ ঢেলে পাঁচ লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন কার্যকারিতা হারাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি হওয়া ১৬টি অধ্যাদেশ রাজশাহীতে এক মাসেও কাটেনি জ্বালানি সংকট দীর্ঘ লাইনে চরম ভোগান্তি রাজশাহীতে পেট্রোল পাম্পকে ২ লাখ টাকা জরিমানা তেল বিক্রিতে অনিয়ম জ্বালানি তেল নিতে লাগবে ফুয়েল কার্ড

রাজশাহীর সিল্ক শিল্পে প্রাণ ফেরানোর বড় পরিকল্পনা

  • আপডেট করা হয়েছে শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: “রাজশাহী সিল্ক শুধু একটি অঞ্চলের নয়, এটি পুরো বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সম্পদ” -এ মন্তব্য করে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেছেন, ঐতিহ্যবাহী রেশম শিল্পকে আধুনিকায়ন এবং হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে সরকার মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজশাহী রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। রেশম শিল্পের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং উন্নয়নের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে এ পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের রেশম শিল্পের রয়েছে সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক পটভূমি। ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাজশাহী রেশম বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও এ খাতের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেন। বর্তমান সরকারের নির্দেশনায় শিল্পটিকে আধুনিকীকরণ এবং গবেষণার মাধ্যমে আরও এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি জানান, দেশে বর্তমানে বছরে প্রায় ৪০০ থেকে ৪৫০ মেট্রিক টন রেশমের চাহিদা রয়েছে। তবে এর প্রায় ৯০ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। স্থানীয় কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়া বা পিছিয়ে পড়ার কারণেই এই নির্ভরশীলতা তৈরি হয়েছে।
এই সংকট মোকাবিলায় পলু চাষ সম্প্রসারণ, তুঁত গাছের উন্নয়ন এবং রেশম সুতার মানোন্নয়নে গবেষণার ওপর সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান তিনি।
রেশম শিল্পের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত কারিগর বা ‘বোসনি’দের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ১১ হাজার ৫০০ জন বোসনি রয়েছেন, যাদের অধিকাংশই বয়স্ক। নতুন প্রজন্মকে প্রশিক্ষণের আওতায় না আনলে এ ঐতিহ্য হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালু এবং সিল্ক শিল্পের প্রসারে সরকারি অর্থায়নের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি চীন ও জাপানের মতো দেশে দেশীয় সিল্ক পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয়ের পরিকল্পনাও রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে শিগগিরই সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে, যা রেশম শিল্পকে নতুন করে প্রাণ ফিরিয়ে দেবে।
এর আগে পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদ প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বোর্ডের সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরেন।
এ সময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী ঈশাসহ রেশম বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST