1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. modlraju58@gmail.com : raju019 :
বিএনপির বিপরীতে নির্বাচনী সমঝোতার নতুন মেরুকরণের চেষ্টা - ডিবিসি জার্নাল২৪
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দুর্গাপুরে সুদের টাকা আদায় করতে এক ব্যক্তিকে কু’পি’য়ে য’খ’ম রাজশাহীর সিল্ক শিল্পে প্রাণ ফেরানোর বড় পরিকল্পনা বাঘায় বিক্রেতার ওয়ারিশের বিরুদ্ধে বাড়ি ঘরে হা’ম’লা-মামলা দিয়ে বিক্রি করা জমি দ’খ’লের চেষ্টা পুঠিয়ায় অবৈধ তেল মজুতের দায়ে জরিমানা ফেনী সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযানে চোরাই পণ্যসহ সিএনজি অটোরিকশা জব্দ ছাত্রদল নেতার মৎস্য খামারে বিষ ঢেলে পাঁচ লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন কার্যকারিতা হারাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি হওয়া ১৬টি অধ্যাদেশ রাজশাহীতে এক মাসেও কাটেনি জ্বালানি সংকট দীর্ঘ লাইনে চরম ভোগান্তি রাজশাহীতে পেট্রোল পাম্পকে ২ লাখ টাকা জরিমানা তেল বিক্রিতে অনিয়ম জ্বালানি তেল নিতে লাগবে ফুয়েল কার্ড

বিএনপির বিপরীতে নির্বাচনী সমঝোতার নতুন মেরুকরণের চেষ্টা

  • আপডেট করা হয়েছে শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০২৫
  • ১২০ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন করে মেরুকরণে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে বিএনপি-বহির্ভূত রাজনৈতিক দলগুলো। ধারণা করা হচ্ছে, এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ না নেওয়ায় নির্বাচনী মাঠে একটি ত্রিমুখী সমঝোতার ভিত্তি তৈরি হচ্ছে।

জানা গেছে, বিএনপি এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেবে, জামায়াত ইসলামিও একই পথে হাঁটবে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতৃত্বে ধর্মভিত্তিক দলগুলোর একটি আলাদা প্ল্যাটফর্ম গঠনের চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সংস্কারপন্থি দলগুলোকে নিয়ে তৃতীয় একটি বলয় গঠনের প্রাথমিক উদ্যোগ নিয়েছে।

এই ত্রিমাত্রিক কাঠামোতে কোনো আনুষ্ঠানিক জোট না থাকলেও আসনভিত্তিক সমঝোতার মাধ্যমে একে অন্যকে ছাড় দেওয়ার কৌশল নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, এবি পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ, জমিয়ত, খেলাফত মজলিসসহ একাধিক দলের নেতারা এমন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

২৩টি দলের অংশগ্রহণে গঠিত সংস্কার সংলাপের অংশগ্রহণকারীরা ভোটের অনুপাতে সংসদের উচ্চকক্ষ গঠনের দাবি তুলেছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা সীমিত করে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ‘জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল’ গঠনের দাবি করা হয়েছে। তারা প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নির্ধারণ, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতি পরিবর্তনসহ মৌলিক রাজনৈতিক সংস্কারের প্রশ্নে একমত।

এই সংস্কার প্রশ্নে বিএনপির ‘অনড় ও একক অবস্থান’ -কে তারা প্রধান বাধা হিসেবে দেখছেন, যা এই দলগুলোর একত্রিত হওয়ার প্রবণতা বাড়িয়ে দিয়েছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আগামীকাল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ ডেকেছে, যেখানে সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন ও মৌলিক সংস্কারের দাবিতে জোটবদ্ধ দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। জামায়াত ও এনসিপিকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও বিএনপিকে এখনও ডাকা হয়নি।

ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব ইউনূস আহমদ বলেন, “ইসলামী দল হলেই হবে এমন নয়। যারা ইসলাম, দেশ ও মানবতার কল্যাণে কাজ করবে, তাদের জন্য দরজা খোলা।”

ধর্মভিত্তিক দলগুলোর মধ্যে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বে চলমান আলোচনায় রয়েছে খেলাফত মজলিস, জমিয়ত, ইসলামী ঐক্যজোট, নেজামে ইসলাম পার্টি। এই দলগুলো হেফাজতের ঘনিষ্ঠ বলয় থেকে সমন্বিত ইসলামপন্থী ভোটের পরিকল্পনা করছে। ইতিমধ্যেই তারা একটি লিয়াজোঁ কমিটি গঠন করেছে।

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, “যেমন ভাবা হচ্ছে, তেমন ফল না-ও হতে পারে। ১৯৯১ সালেও সবাই বলেছিল আওয়ামী লীগ জিতবে, কিন্তু জিতেনি।”

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, “আমরা বৃহত্তর নির্বাচনী সমঝোতার পক্ষে। এখনই বলা যাচ্ছে না জোট হবে না সমঝোতা- তবে ভোটের হাওয়া বইলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে।”

জামায়াত ইতোমধ্যেই ২৯৬ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। দলটির দাবি, সিলেট, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রংপুরসহ শতাধিক আসনে বিএনপির বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতার শক্ত অবস্থানে রয়েছে তারা।

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুর, গণসংহতির সাকি, নাগরিক ঐক্যের মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির আবদুর রহমানসহ যুগপৎ আন্দোলনের নেতাদের সহায়তায় বিএনপি যে চিঠি দিয়েছে, তা এখন কিছু ক্ষেত্রে উল্টো সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় বিএনপি নেতারা মনোনয়ন বাঁচাতে ওই নেতাদের শত্রু ভাবছেন। পটুয়াখালীতে নুরুল হক নুর এমন হামলারও শিকার হয়েছেন।

এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, “সংস্কারের প্রশ্নে সমভাবাপন্ন দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে। নির্বাচনী সমঝোতা নিয়ে ভাবা হবে সংস্কারের প্রক্রিয়ার পর।” এবি পার্টির সঙ্গে এনসিপির ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

তবে জামায়াত থেকে বেরিয়ে তৈরি হওয়া এবি পার্টির সঙ্গে সমঝোতা কঠিন হবে বলে মনে করছে জামায়াতপন্থিরা। এবির এক নেতা বলেন, “আমরা মধ্যপন্থিদের সঙ্গে সমঝোতা চাই। সেই প্রচেষ্টা চলছে।”

১৯৯১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে ভোটের ব্যবধান পরিবর্তিত হলেও ভোটের ধারা ছিল স্পষ্ট। এবার আওয়ামী লীগ না থাকায় বিএনপির একক আধিপত্যের সম্ভাবনা নাকচ করছেন বিশ্লেষকরা।

তাদের মতে, দখল, কোন্দল, চাঁদাবাজিসহ নানা কারণে বিএনপির জনপ্রিয়তায় ভাটা এসেছে। তাই একক ভোটের ওপর নির্ভর না করে সমঝোতা করে নির্বাচনে অংশগ্রহণের কৌশল নিচ্ছে দলগুলো।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST