1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. modlraju58@gmail.com : raju019 :
বাঘায় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে চাকরি না দেওয়া ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন - ডিবিসি জার্নাল২৪
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রাজশাহীতে তেল নিতে লাইনে, হিটস্ট্রোকে বৃদ্ধের মৃত্যু বাঘায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত বাঘায় সড়ক সংস্কারসহ বিভিন্ন দাবিতে মানববন্ধন মালিক সমিতির দ্বন্দ্বে রাজশাহী-ঢাকা বাস চলাচল বন্ধ রাজশাহীতে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ২ বানেশ্বরে ‘ভোক্তা অধিকার’-এর নামে হয়রানি! ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন দুর্গাপুরে ৪০০ লিটার তেল নিয়ে দিনভর এসিল্যান্ড-পুলিশের তেলেসমাতি! হদিস নেই ২০ লিটার পেট্রোলের বানেশ্বরে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীনবরণ অনুষ্ঠান দুর্গাপুরে সুদের টাকা আদায় করতে এক ব্যক্তিকে কু’পি’য়ে য’খ’ম রাজশাহীর সিল্ক শিল্পে প্রাণ ফেরানোর বড় পরিকল্পনা

বাঘায় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে চাকরি না দেওয়া ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

  • আপডেট করা হয়েছে শনিবার, ৩১ মে, ২০২৫
  • ১১৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : চাকরি না দেওয়া ও টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগে অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কয়েকজন ভুক্তভোগী। শনিবার (৩১ মে) বাঘা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তাঁকে দুর্নীতিবাজ ও অর্থ আত্মসাৎকারী হিসেবে আখ্যা দিয়ে এসব অভিযোগ তোলেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের মৃত রহমান মণ্ডলের ছেলে একলাসুর রহমান। তিনি বলেন, “২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর অফিস সহকারী পদে চাকরির আশ্বাস দিয়ে অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক আমার কাছ থেকে ২ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। পুরো চুক্তি ছিল ১০ লাখ টাকার।”

একই গ্রামের মৃত চহরম প্রামাণিকের ছেলে আবুল বাছেদ বাচ্চু নৈশপ্রহরী পদে চাকরির জন্য অধ্যক্ষের সঙ্গে ৫ লাখ টাকার চুক্তি করেন। তিনি ২০১৯ সালের ২০ নভেম্বর ৩ লাখ টাকা প্রদান করেন। আর মৃত মহরম প্রামাণিকের ছেলে নাইম উদ্দীন ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে ৮ লাখ টাকার চুক্তি অনুযায়ী ৩ লাখ টাকা দেন একই দিনে।

ভুক্তভোগীরা জানান, অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক টাকা নেওয়ার বিপরীতে স্বাক্ষরিত চেক প্রদান করেন। পরে চেক ফেরত দেওয়ার কথা বলে তেঁথুলিয়া গ্রামের নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে ভাতিজা ও ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল হকের সহযোগিতায় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক চেকগুলো কেড়ে নেন। এমনকি প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তারা।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা না পেয়ে ২০২০ সালের ১২ অক্টোবর একলাসুর রহমান রাজশাহীর আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। তবে অধ্যক্ষ দলীয় প্রভাব খাটিয়ে মামলার তদন্ত দায়িত্ব স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর দেন, যিনি পরে মামলাটি খারিজের সুপারিশ করেন।

এরপর অধ্যক্ষ নিজেই চার ভুক্তভোগীর বিরুদ্ধে ১০৭ ধারায় মামলা করেন। তবে তারা আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হন।

২০২৪ সালের ২১ আগস্ট ভুক্তভোগীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। শুনানির দিন অধ্যক্ষ অসুস্থতার অজুহাতে উপস্থিত না হয়ে লিখিত বক্তব্যে সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। ইউএনও তার প্রতিবেদনে বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট তুলে ধরার সুপারিশ করেন।

চাকরি প্রত্যাশীরা জানান, বিভিন্ন সময় অধ্যক্ষ তাদের আশ্বাস দিয়েছেন, কিন্তু বাস্তবে কোনো টাকা ফেরত দেননি বা চাকরিও দেননি।

সম্প্রতি, ২৭ মে অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক আরও একটি মামলা দায়ের করেন, যাতে ৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। এতে ভুক্তভোগীরা আরও হতাশ হয়ে পড়েছেন এবং তাকে ‘দুর্নীতিবাজ’ ও ‘অর্থ আত্মসাৎকারী’ হিসেবে অভিযুক্ত করে বিচার দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন একলাসুর রহমান, নাইম উদ্দীন এবং আবুল বাছেদ বাচ্চুর ভাই নিজাম উদ্দীন।

অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ব্যাংকের চেক দিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলাম এবং পরে সেই টাকা ফেরত দিয়ে চেকগুলো নিয়ে নিই। চেক জোরপূর্বক নেওয়ার অভিযোগ সত্য নয়।” তবে মামলার বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST