
নিজস্ব প্রতিবেদক, ডিবিসি জার্নাল : আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে জোরেশোরে প্রস্তুতি শুরু করেছে বিএনপি। তবে নির্বাচনে কারা প্রার্থী হতে পারবেন না—তা নিয়ে দলের অভ্যন্তরে চলছে ব্যাপক আলোচনা।
সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তিনটি মূল যোগ্যতার ভিত্তিতে মনোনয়ন চূড়ান্ত করবেন। দল ও দেশের জন্য ত্যাগ, সততা ও জনগণের কাছে জনপ্রিয়তা—এই তিন মানদণ্ডের বাইরে যাঁরা, তাঁরা এবার মনোনয়ন থেকে বাদ পড়বেন।
দলটির একাধিক সিনিয়র নেতা জানিয়েছেন, অনেক পুরোনো ও প্রভাবশালী নেতাও এবার বাদ পড়তে পারেন। আবার চমক হিসেবে এমন কিছু ব্যক্তিও মনোনয়ন পেতে পারেন যাঁদের নাম অনেকেই ভাবেননি।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, “দলের প্রতি কার কতটা ত্যাগ আছে, দুর্দিনে কে কে পাশে ছিলেন—তা বিবেচনা করেই মনোনয়ন দেওয়া হবে।”
অন্য আরেক সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, এবার এক আসনে একক প্রার্থীই মনোনীত হবে, ২০১৮ সালের মতো একাধিক চিঠি যাবে না।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন প্রজন্মের তরুণ নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার চিন্তা করছে বিএনপি। তবে নবীন-প্রবীণের সমন্বয়েও চমক থাকবে। এ ছাড়া, জোটসঙ্গীদের জন্যও কিছু আসন ছেড়ে দেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, “নির্বাচনের জন্য আলাদা করে প্রস্তুতি নেওয়ার কিছু নেই, বিএনপি সব সময় প্রস্তুত।” তিনি আরও জানান, জনপ্রিয়তা ও ত্যাগের ভিত্তিতে মনোনয়ন দেওয়া হবে।
দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, প্রার্থী চূড়ান্ত করবে জাতীয় স্থায়ী কমিটির সমন্বয়ে গঠিত পার্লামেন্টারি বোর্ড। নির্বাচন কমিশনের তফশিল ঘোষণার পরপরই প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার ও চূড়ান্ত মনোনয়নের প্রক্রিয়া শুরু হবে।