1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. modlraju58@gmail.com : raju019 :
নির্বাচন নিয়ে আবারও ধোঁয়াশায় বিএনপি - ডিবিসি জার্নাল২৪
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দুর্গাপুরে সুদের টাকা আদায় করতে এক ব্যক্তিকে কু’পি’য়ে য’খ’ম রাজশাহীর সিল্ক শিল্পে প্রাণ ফেরানোর বড় পরিকল্পনা বাঘায় বিক্রেতার ওয়ারিশের বিরুদ্ধে বাড়ি ঘরে হা’ম’লা-মামলা দিয়ে বিক্রি করা জমি দ’খ’লের চেষ্টা পুঠিয়ায় অবৈধ তেল মজুতের দায়ে জরিমানা ফেনী সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযানে চোরাই পণ্যসহ সিএনজি অটোরিকশা জব্দ ছাত্রদল নেতার মৎস্য খামারে বিষ ঢেলে পাঁচ লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন কার্যকারিতা হারাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি হওয়া ১৬টি অধ্যাদেশ রাজশাহীতে এক মাসেও কাটেনি জ্বালানি সংকট দীর্ঘ লাইনে চরম ভোগান্তি রাজশাহীতে পেট্রোল পাম্পকে ২ লাখ টাকা জরিমানা তেল বিক্রিতে অনিয়ম জ্বালানি তেল নিতে লাগবে ফুয়েল কার্ড

নির্বাচন নিয়ে আবারও ধোঁয়াশায় বিএনপি

  • আপডেট করা হয়েছে রবিবার, ২৯ জুন, ২০২৫
  • ৮৬ বার পড়া হয়েছে

‘‘গণতন্ত্রের পথে কেউ বাধা দিলে, তারা গণতন্ত্রের শত্রুতে পরিণত হবে।’’

নিউজ ডেস্ক : লন্ডন বৈঠকের পর আগামী জাতীয় নির্বাচনের সময় ও প্রস্তুতি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে যে আশাবাদ দেখা দিয়েছিল, তা আবার অনিশ্চয়তায় পড়েছে। নির্বাচন কমিশন বা সরকারের পক্ষ থেকে এখনো স্পষ্ট কোনো ঘোষণা না আসায় বিএনপির মধ্যে নতুন করে সংশয় তৈরি হয়েছে।

বিএনপির শীর্ষ নেতারা বলছেন, লন্ডন বৈঠকের প্রতিফলন কোথাও দেখা যাচ্ছে না। জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে ভোটের মতো ইস্যু সামনে আনা হচ্ছে। দলটি মনে করছে, এগুলো নির্বাচন বিলম্বিত করার কৌশল হতে পারে।

গত বৃহস্পতিবার বিকেলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। বৈঠকটি দীর্ঘ সময় স্থায়ী হলেও সরকার এটিকে শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও কোনো বক্তব্য আসেনি। বিএনপি মনে করছে, প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের বিষয়ে সিইসিকে কোনো নির্দিষ্ট বার্তা দেননি। বিএনপি চায় উভয় পক্ষ এই সাক্ষাৎ নিয়ে জাতির সামনে ব্যাখ্যা দিক।

সূত্র জানায়, প্রধান উপদেষ্টা সেদিন ইসির প্রস্তুতি ও সংস্কার কতদূর এগিয়েছে তা জানতে চেয়েছেন, তবে নির্দিষ্ট সময় নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।

গত ১৩ জুন লন্ডনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেছিলেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে, রমজানের আগে নির্বাচন আয়োজন সম্ভব- যদি সব প্রস্তুতি শেষ করা যায়। কিন্তু বিএনপির অভিযোগ, সরকারের পক্ষ থেকে এখনও সেই ঘোষণার বাস্তব প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।

এর বিপরীতে, রাজনৈতিক অঙ্গনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির নির্বাচন নিয়ে আলোচনা জোরদার হচ্ছে। শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামী আন্দোলনের মহাসমাবেশে এসব দাবির পক্ষে একাধিক দলের নেতারা অংশ নেন। জামায়াত, এনসিপি, এবি পার্টি, খেলাফত মজলিসসহ বেশ কয়েকটি দল সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির পক্ষে থাকলেও বিএনপিকে এতে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

ইসলামী আন্দোলনের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান বলেন, বিএনপি সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনের বিরোধিতা করে, তাই তাদের ডাকা হয়নি। বিএনপি বলছে, এই পদ্ধতি জটিল এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। স্থানীয় সরকার নির্বাচনও এখন সম্ভব নয় বলে তারা মনে করে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, যারা এসব দাবি তুলছে, তাদের উদ্দেশ্য হতে পারে নির্বাচন বিলম্বিত করা বা বাতিল করা। এসব অবিবেচনাপ্রসূত দাবি চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়।

বিএনপি ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ নিয়েও সংশয়ে রয়েছেন। জুলাই মাসে সম্ভাব্য একটি রাজনৈতিক ঐকমত্য ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সরকার এনসিপি বা সমমনা দলগুলোর মতো করে নথি তৈরি করতে পারে- এই আশঙ্কা আছে বিএনপির মধ্যে। তারা মনে করে, এর মাধ্যমে নতুন উত্তেজনা তৈরি হতে পারে, যা নির্বাচন বিলম্বিত করবে।

তবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, তিনি এখনো নির্বাচন নিয়ে কোনো সংশয় দেখছেন না। গণতন্ত্রের পথে কেউ বাধা দিলে, তারা গণতন্ত্রের শত্রুতে পরিণত হবে।

এদিকে, সংবিধানসহ রাষ্ট্র কাঠামোয় সংস্কারের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সরকারের দ্বিতীয় দফার আলোচনা চলছে। জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিসসহ ২৩টি দল সংসদের উচ্চকক্ষে প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে আসন বণ্টনের পক্ষে। তারা প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা কমিয়ে একটি জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল গঠনেরও দাবিতে একমত। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি ও প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নিয়েও এসব দলের মধ্যে মতৈক্য রয়েছে।

অপরদিকে, ডানপন্থী দলগুলোর মধ্যে এখন বৃহত্তর নির্বাচনী সমঝোতার চেষ্টা চলছে। তারা ধরে নিচ্ছে, আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নেবে না। সে লক্ষ্যে আসনভিত্তিক ছাড়ের ভিত্তিতে দলগুলো নিজেদের মধ্যে সমঝোতায় এগোচ্ছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST