1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. info239@noreply0.com : jerome6977 :
  4. modlraju58@gmail.com : raju019 :
উপাচার্য হয়ে কোটি টাকার অনিয়মে জড়ালেন রাবির অধ্যাপক শান্তনু - ডিবিসি জার্নাল২৪
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দুর্গাপুরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে মাছচাষ, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দিনমজুরের করুন মৃত্যু! দুপুরের মধ্যে ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা দুর্গাপুরে ‎স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ শীর্ষক সেমিনার বাঘার সার্বিক উন্নয়নে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জমি নিয়ে বিরোধে আদিবাসী পরিবারের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ দুর্গাপুরে সেই শিশু ধর্ষণ ঘটনায় মামলা নিলেও এজাহারে অসঙ্গতি, আলামত নষ্ট করতেই কালক্ষেপণ জাতীয় মঞ্চে লড়বে বাঘার শাহদৌলা সরকারি কলেজের স্বপ্নবাজ তিন শিক্ষার্থী দুর্গাপুর পৌর বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বাগমারায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘায় বিদ্যালয়ে নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি আবু সাঈদ চাঁদ

উপাচার্য হয়ে কোটি টাকার অনিয়মে জড়ালেন রাবির অধ্যাপক শান্তনু

  • আপডেট করা হয়েছে শুক্রবার, ১৩ জুন, ২০২৫
  • ১৪৪ বার পড়া হয়েছে

ডিবিসি জার্নাল ডেস্ক : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহ্ আজম শান্তনুর বিরুদ্ধে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য থাকাকালে কোটি টাকার বেশি অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

২০২১ সালের ৭ ডিসেম্বর তিনি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে অবস্থিত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান। ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।

‘আমার দেশ’ পত্রিকার অনুসন্ধানে জানা যায়, উপাচার্য থাকাকালে শাহ্ আজম শান্তনু মাসে ২০০ লিটারের বরাদ্দ থাকলেও ৪০০ থেকে ৬০০ লিটার জ্বালানি তেল ব্যবহার করেছেন। তার স্ত্রী অন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হলেও ব্যবহার করেছেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের সরকারি গাড়ি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজিত প্রায় ২০০টি অনুষ্ঠানে নিজেকে প্রধান অতিথি হিসেবে দেখিয়ে প্রায় ১৯ লাখ টাকা সম্মানি নেন তিনি। আপ্যায়নের নামে তোলা হয়েছে ৬ লাখ টাকা। বিদেশি অতিথি ছাড়াই তিনটি আন্তর্জাতিক সেমিনারের নামে ব্যয় দেখানো হয়েছে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা।

সিনেট সভায় বাইরের মাত্র চারজন অতিথি থাকলেও দেখানো হয় ৪ লাখ টাকার ব্যয়। গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি বাবদ আদায়কৃত প্রায় ৩ কোটি টাকা নিজের নামে রাখা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে, যা শিক্ষক সমিতির কয়েকজনের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মীকে নিয়োগ দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে স্থানীয় সাবেক এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাদের আত্মীয়-স্বজন রয়েছেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অধ্যাপক শান্তনু। তিনি বলেন, “আমার সময়ে ৯ শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে। ভর্তি পরীক্ষার টাকা আমার অ্যাকাউন্টে ছিল—এ তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST