1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. dbcjournal24@gmail.com : ডিবিসি জার্নাল ২৪ : ডিবিসি জার্নাল ২৪
রবিবার, ১৬ মে ২০২১, ০৩:৪৭ অপরাহ্ন

Categories

ভাস্কর্য ও মূর্তি বিতর্ক

  • আপডেট করা হয়েছে বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১৮৩ বার পড়া হয়েছে

এ কে এম শহীদুল হক:

সম্প্রতি ঢাকার ধোলাইপাড়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি ভাস্কর্য স্থাপনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, হেফাজতে ইসলাম এবং অন্যান্য কিছু আলেমন্ডওলামা ভাস্কর্য ও মূর্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছেন। ফতোয়া দিচ্ছেন। বিবৃতি দিচ্ছেন। সমাবেশ ও মিছিল করছেন। তাঁদের বক্তব্য ভাস্কর্য ও মূর্তি ইসলামবিরোধী। কোরআন ও হাদিসে ভাস্কর্য ও মূর্তি নিষিদ্ধ। তারা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ করলে তা ভেঙে ফেলার হুমকিও দিচ্ছেন। কুষ্টিয়ায় নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভেঙেও ফেলেছেন। কেউ কেউ মানুষ ও প্রাণীর সব ভাস্কর্য ভেঙে ফেলার হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। অন্য পক্ষে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং দেশের প্রগতিশীল ও সুস্থ মননশীল ব্যক্তিবর্গ ওই আলেমদের বক্তব্য খ-ন করে বলছেন, ভাস্কর্য ও মূর্তি এক নয়। তারা ভাস্কর্যবিরোধী মহলবিশেষের তৎপরতাকে উদ্দেশ্যমূলক এবং কোনো কোনো ডানপন্থি রাজনৈতিক দলের ইন্ধন ও ষড়যন্ত্র বলে মনে করছেন।

ভাস্কর্য বাংলাদেশে নতুন কিছু নয়। সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই এ দেশে নানা ভাস্কর্য তৈরি ও স্থাপন করা হয়েছে। কোনোটি ইনডোরে, কোনোটি জাদুঘরে, কোনোটি কোনো প্রতিষ্ঠানের সামনে এবং কোনোটি সড়ক ও মহাসড়কের পাশে।

এত দিন ভাস্কর্য নিয়ে ওই শ্রেণির আলেম ও অতি ইসলামী ব্যক্তিবর্গ কোনো আপত্তি উত্থাপন করেননি। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের কথা শুনেই তাদের নিদ্রাভঙ্গ হয়েছে। তাদের চোখ কপালে উঠেছে। কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন। এটাই তাদের প্রকৃত রূপ। এ দেশের আলেমসমাজ মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতার পক্ষে তেমন কোনো ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে আমার জানা নেই। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞ, হত্যাকান্ড, মা-বোনের ইজ্জত লুটে নেওয়ার বিরুদ্ধে তাদের একটি বিবৃতি দেওয়ার কথাও শুনিনি। বরং তাদের অনেকেই পাকিস্তানি বাহিনীর দোসর হিসেবে কাজ করেছিলেন। তাই তাদের অনেকেরই মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষশক্তিকে মনে-প্রাণে গ্রহণ করতে পারেননি। সুযোগ পেলেই তারা তাদের আসল রূপটি প্রকাশ করেন।

ভাস্কর্য আর মূর্তি বা প্রতিমা এক নয়। মূর্তি বা প্রতিমা মৃৎশিল্পীদের তৈরি একটি শিল্পকর্ম। প্রাচীন হিন্দুধর্মের বিশ্বাসী সম্প্রদায়ের লোকেরা ঐশ্বরিক শক্তির প্রতিভূ হিসেবে প্রতিমা তৈরি করে তা উপাস্য মনে করে পূজা করে থাকেন।

অন্য পক্ষে ভাস্কর্য চারুকলার একটি শাখা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও চারুকলা অনুষদে ভাস্কর্য নামে একটি বিভাগ আছে। বিশ্বের সব দেশেই উচ্চবিদ্যাপীঠে চারুকলা ও ভাস্কর্য ডিপার্টমেন্ট আছে। ভাস্কর্য একটি শিল্প যা মনের মধ্যে অঙ্কিত একটি প্রতিচ্ছবির বাস্তব রূপায়ণ। অর্থাৎ একজন শিল্পীর সৃজনশীল মেধার বিকাশ ও কল্পনার বাস্তব শিল্পকর্মটিই ভাস্কর্য। এ সৃষ্টির মধ্যে আছে মানসিক প্রশান্তি। সৃষ্টির আনন্দ। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতি বছর ভাস্কর্যের ওপর ডিগ্রি ও মাস্টার্স ডিগ্রি নিচ্ছেন। কর্মক্ষেত্রে ও সমাজে তাদের শিক্ষার ব্যবহারিক প্রয়োগ করে ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সামাজিক পটভূমিকে বিচিত্র ভাস্কর্যের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলছেন।

ভাস্কর্য একটি শিল্পকলা বিধায় এটি পৃথিবীর সব দেশেই সমাদৃত। মুসলিম দেশগুলোয়ও ভাস্কর্য আছে। এমন কোনো মুসলিম দেশ নেই যেখানে ভাস্কর্য নেই। সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, ইরান, ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়া, মিসর, তুরস্ক, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া অর্থাৎ সব মুসলিম দেশেই ভাস্কর্য দেখা যায়। ওইসব দেশের জনগণ তো ভাস্কর্য নিয়ে কোনো বিতর্ক তুলছে না। কিন্তু আমাদের দেশে কেন?

মূর্তি বা প্রতিমা ইসলামে নিষিদ্ধ। ভাস্কর্যকে যদি মূর্তি হিসেবে ধরা হয় তবে তাও ইসলামে নিষিদ্ধ। কিন্তু ভাস্কর্য মুসলিম দেশগুলোর সংস্কৃতির অংশ হিসেবে যেভাবে মিশে গেছে তা থেকে বের হওয়া সম্ভব নয়। মানুষ এটা গ্রহণও করে নিয়েছে। মুসলিম দেশগুলোয় ভাস্কর্য সংস্কৃতি নিয়ে কেউ প্রতিবাদও করে না। যদি ভাস্কর্য তৈরি ইসলামে নিষিদ্ধই হতো তবে মুসলিম দেশগুলোর আলেমন্ডওলামারা কেন প্রতিবাদ বা ভাস্কর্যের বিরোধিতা করছেন না? এর জবাবে আমাদের দেশের একশ্রেণির আলেম বলছেন, কোনো দেশ শরিয়তের পরিপন্থী কাজ করলে তা অনুসরণ করা যাবে না। তাহলে পৃথিবীর সব মুসলিম দেশই শরিয়ত পরিপন্থী কাজ করছে?

এই শ্রেণির আলেম অনেক বিষয়েই নিজের মনগড়া ফতোয়া দেন। কোরআন-হাদিসের ব্যাখ্যাও নিজের মতো করে থাকেন। আমাদের অনেকেরই মনে থাকার কথা, এ দেশের আলেমরা ছবির বিরুদ্ধে কঠোর বক্তব্য দিয়েছিলেন। টেলিভিশনকে শয়তানের বাক্স বলতেন। মাইকে আজান দেওয়া ও কোরআন পড়াকে বিদাত বলতেন। এখন মোল্লারা নিজেরা ছবি তোলেন। ছবি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করেন।

টেলিভিশনে পবিত্র মক্কা ও মদিনার হারাম শরিফের হজ, ওমরাহ ও নামাজের লাইভ প্রোগ্রাম ২৪ ঘণ্টাই দেখা যায়। আলেমরা টেলিভিশনকে এখন আর শয়তানের বাক্স বলেন না। মাইকে আজান দেন, নামাজ ও পবিত্র কোরআনও পড়েন। নিজেদের ওয়াজ-মাহফিল টেলিভিশন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখানোর ব্যবস্থা করেন। ইংরেজি শিক্ষা ইসলামে নিষেধ বলে কাটমোল্লারা ফতোয়া দিয়ে মুসলমানদের পিছিয়ে রেখেছিলেন। শুধু তাই নয়, জমিতে সার দেওয়া এবং সেচের মাধ্যমে জমিতে পানি দেওয়া নিয়েও তারা একসময় বিতর্ক সৃষ্টি করেছিলেন।

মূর্তি বা প্রতিমা ইসলামে নিষিদ্ধ কেন করা হয়েছে? ইসলাম ধর্মমতে মূর্তিকে যদি ঐশ্বরিক শক্তি মনে করে উপাস্য বিবেচনায় পূজা করে তবে তা শিরক হবে। অর্থাৎ মূর্তিকে আরাধ্য মনে করলে আল্লাহর সঙ্গে শিরক করা হয়। এটা কবিরা গুনাহ। আইয়ামে জাহেলিয়ায় মানুষ মূর্তিপূজা করে শিরক করত বলে মূর্তি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য ছিল মানুষ যেন শিরক না করে। কিন্তু ভাস্কর্য হলো একজন শিল্পীর নিজস্ব কল্পনা ও চিন্তা-চেতনার বা সৃজনশীলতার পরিচায়ক শিল্পকর্ম। প্রতিটি ভাস্কর্য ইতিহাস, সংস্কৃতি, সামাজিক আচার ইত্যাদি সংক্রান্ত বার্তা দেয়। এটা মানুষের মনের সৌন্দর্যের বাহ্যিক প্রকাশিত সৃষ্টি। এটাকে উপাস্য হিসেবে গণ্য করা হয় না। ভাস্কর্য উপাস্য হিসেবে বিবেচিত না হলে তার সঙ্গে ইসলামের কোনো সাংঘর্ষিক সম্পর্ক থাকার কথা নয়। তাই সব মুসলিম দেশেই ভাস্কর্য দেখা যায়।

মূর্তি বা প্রতিমাই বা কেন ভাঙতে হবে? এটা তো হিন্দু সম্প্রদায়ের উপাস্য। ইসলাম ধর্মে তো অন্য ধর্মের লোকের উপাসনালয় ও উপাস্য বস্তুর ওপর হামলা বা তা ধ্বংস নিষেধ করা হয়েছে। হজরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনা সনদের মাধ্যমে সব ধর্মের লোকের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও নিজ নিজ ধর্ম পালন নিশ্চিত করেছিলেন। কোনো কোনো আলেম মূর্তি বা ভাস্কর্য ইসলামে নিষিদ্ধ এ বক্তব্যের সমর্থনে সুরা হজের ৩০, সুরা নুহের ২৩ ও সুরা ইবরাহিমের ৩৬ নম্বর আয়াতের সূত্র উল্লেখ করেন। ওইসব আয়াত বিশ্লেষণ করলে আমরা নিম্নরূপ মন্তব্য করতে পারি। আমি ইসলামী শিক্ষায় পারদর্শী নই। তবে কোরআনের বাংলা তরজমায় যা আছে তাই উদ্ধৃত করতে চাই। সুরা হজের ৩০ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা পরিহার কর অপবিত্র বস্তু অর্থাৎ মূর্তিসমূহ এবং পরিহার কর মিথ্যাকথন।’

৩০ নম্বর আয়াতের শেষ অংশে আল্লাহর এ বাণীগুলো আছে। এরপর ৩১ নম্বর আয়াতে আছে, ‘একমাত্র আল্লাহর প্রতি একনিষ্ঠ থাকো এবং তাঁর সঙ্গে কাউকে শরিক কোরো না।’

কাজেই সুরা হজের ৩০ নম্বর আয়াতে যে মূর্তি বা অপরিষ্কার বস্তুর কথা বলা হয়েছে, তা যেন উপাস্য হিসেবে গণ্য করে আল্লাহর সঙ্গে শরিক করা না হয় সে কথাই বোঝানো হয়েছে।

সুরা নুহের ২৩ নম্বর আয়াতে আছে, ‘এবং তারা বলেছিল, তোমরা কখনো পরিত্যাগ কোরো না তোমাদের উপাস্যদের এবং কখনো পরিত্যাগ কোরো না ওয়াদ্দা, সুওয়া, ইয়াগুস, ইয়াউক ও নাসরকে।’ (এখানে ‘তারা’ মানে তৎকালীন ইসলামবিরোধী বিধর্মী গোত্রের নেতৃবৃন্দ। তারা তাদের অনুসারীদের মূর্তি উপাসনা ত্যাগ করতে নিষেধ করেছিল)।

বিভিন্ন ইসলামী চিন্তাবিদের বর্ণনায় জানা যায়, ওয়াদ্দা, সুওয়া, ইয়াগুস, ইয়াউক ও নাসর- এ পাঁচজন ছিলেন হজরত আদম (আ.) ও নুহ (আ.)-এর মাঝামাঝি সময়ের বিশিষ্ট নেককার বান্দা। লোকজন তাঁদের শ্রদ্ধা করত। সমীহ করত। তাঁদের মৃত্যুর পর তাঁদের অনুসারীরা শয়তানের প্ররোচনায় কাঠ ও পাথর দিয়ে তাঁদের প্রতিকৃতি তৈরি করে নিজেদের ঘরে রাখে। উদ্দেশ্য ছিল তাঁদের স্মরণ করা এবং সম্মান জানানো। অনুসারীদের মৃত্যুর পর তাদের বংশধরের লোকেরা শয়তানের প্ররোচনায় ওই প্রতিকৃতির পূজা করতে শুরু করল। যখন পূজা শুরু করল তখনই তা আল্লাহর সঙ্গে শরিক করা হলো এবং বিদাত হয়ে গেল। তাই সেগুলো পরিত্যাজ্য হলো।

সুরা ইবরাহিমের ৩৬ নম্বর আয়াতে যা আছে তা নিম্নরূপ, ‘হে আমার প্রতিপালক! এসব প্রতিমা বহু মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে, সুতরাং যে আমার অনুসরণ করবে সেই আমার দলভুক্ত হবে, কিন্তু কেউ আমার অবাধ্য হলে আপনি তো নিশ্চয় ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।’

৩৬ নম্বর আয়াতের এ কথাগুলো হজরত ইবরাহিম (আ.) মহান আল্লাহর সমীপে পেশ করেছিলেন। ওই আয়াতেই আছে, ‘যারা প্রতিমা পূজা ছাড়বে না তাদের আল্লাহই বিচার করবেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।’

সুতরাং সম্মানিত আলেমদের উত্থাপিত কোরআনের আয়াতের পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রতিমা পূজার মাধ্যমে আল্লাহর শরিক করা ইসলামে নিষিদ্ধ। ভাস্কর্যকে উপাস্য হিসেবে আল্লাহর শরিক করা হয় না। তাহলে ভাস্কর্য কেন ইসলামবিরোধী হবে? কোরআন-হাদিসের মনগড়া ও আংশিক আয়াতের ব্যাখ্যা দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করাও কি ধর্ম ও নৈতিকতা বিরোধী নয়?

২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগরীতে ভয়াবহ তান্ডব করেছিল, অসংখ্য গাড়ি পুড়িয়েছিল, দোকানপাট লুট করেছিল ও পুড়িয়েছিল, অনেক কোরআন শরিফও পুড়িয়েছিল, আইল্যান্ডের গাছগুলো কেটে ধ্বংস করেছিল, ট্রাফিক পুলিশ অফিসে আগুন দিয়ে পুলিশকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করেছিল, রাতে একজন পুলিশ অফিসারকে হত্যাও করেছিল। সে তান্ডবের কথা মনে হলে অনেকেরই গা শিউরে ওঠে। হেফাজতের নেতারা তখন বলেছিলেন, বিএনপি ও জামায়াতপন্থি আলেমরা বিএনপি ও জামায়াতের সঙ্গে যোগাযোগ করে ধ্বংসাত্মক ও অপকর্মগুলো করেছিলেন। তারা বিএনপি, জামায়াত ও মেয়র সাদেক হোসেন খোকাকে দায়ী করেছিলেন। হেফাজতের মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতেই এ কথাগুলো বলেছিলেন। এবারও কি নেপথ্যে কোনো রাজনৈতিক দল ইন্ধন দিচ্ছে? বিষয়টি খতিয়ে দেখার প্রযোজন।

দায়িত্বশীল আলেমসমাজ কোরআন ও হাদিসের সঠিক ব্যাখ্যা দিয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবেন- এটাই শান্তিপ্রিয় জনগণের প্রত্যাশা।

লেখক : সাবেক ইন্সপেক্টর জেনারেল, বাংলাদেশ পুলিশ।

শেয়ার করুন

কমেন্ট করুন

আরো সংবাদ পড়ুন