1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. info239@noreply0.com : jerome6977 :
  4. modlraju58@gmail.com : raju019 :
রাজশাহীতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পৃথক সচিবালয় এর ভূমিকা শীর্ষক মতবিনিময় সভা - ডিবিসি জার্নাল২৪
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দুর্গাপুরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে মাছচাষ, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দিনমজুরের করুন মৃত্যু! দুপুরের মধ্যে ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা দুর্গাপুরে ‎স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ শীর্ষক সেমিনার বাঘার সার্বিক উন্নয়নে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জমি নিয়ে বিরোধে আদিবাসী পরিবারের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ দুর্গাপুরে সেই শিশু ধর্ষণ ঘটনায় মামলা নিলেও এজাহারে অসঙ্গতি, আলামত নষ্ট করতেই কালক্ষেপণ জাতীয় মঞ্চে লড়বে বাঘার শাহদৌলা সরকারি কলেজের স্বপ্নবাজ তিন শিক্ষার্থী দুর্গাপুর পৌর বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বাগমারায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘায় বিদ্যালয়ে নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি আবু সাঈদ চাঁদ

রাজশাহীতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পৃথক সচিবালয় এর ভূমিকা শীর্ষক মতবিনিময় সভা

  • আপডেট করা হয়েছে শনিবার, ১২ জুলাই, ২০২৫
  • ১২৩ বার পড়া হয়েছে

 নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহী ব্র্যাক লার্নিং সেন্টার মিলনায়তনে আজ শনিবার (১২ জুলাই) ‘আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পৃথক সচিবালয় এর ভূমিকা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস এসোসিয়েশন এ মতবিনিময় সভা আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আল আসাদ মোঃ আসিফুজ্জামান। বিভাগের আট জেলার সকল পর্যায়ের বিচারকবৃন্দ মতবিনিময় অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বিচারকবৃন্দ ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহিদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তাঁদের আত্মত্যাগ গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় এক নতুন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের প্রতীক হিসেবে স্মরণ করেন। তাঁরা এই আত্মত্যাগকে শোষণ, নিপীড়ন, বৈষম্য এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের এক অবিস্মরণীয় অংশ হিসেবে অবহিত করেন।

সভায় বক্তাগণ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য একটি পৃথক সচিবালয়ের প্রয়োজনীয়তার উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা জোর দিয়ে বলেন, আইনের শাসন মানে রাষ্ট্র মানুষের খেয়াল-খুশি বা ইচ্ছার দ্বারা নয়, বরং আইন দ্বারা পরিচালিত হবে। দুঃখজনকভাবে, বাংলাদেশের বিচার বিভাগের সক্ষমতা ও স্বাধীনতা এখনও নির্বাহী বিভাগের উপর বহুলাংশে নির্ভরশীল। বিচারকদের পদ বৃদ্ধি, পদ-সৃজন এবং আদালতের অবকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষমতা নির্বাহী বিভাগের হাতে থাকায় বিচারিক কর্মঘন্টার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।

তাঁরা বলেন, বিচার বিভাগ তার বাজেটের জন্য সম্পূর্ণরূপে নির্বাহী বিভাগের উপর নির্ভরশীল, যা তাদের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতাকে খর্ব করে। অর্থনৈতিক দুর্বলতা আদালতের অবকাঠামোগত উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং বিচারিক প্রক্রিয়াকে স্থবির করে দিচ্ছে। এসময় বক্তারা বিচার বিভাগের জন্য একটি পৃথক বাজেট কাঠামো এবং স্বাধীন বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠার অপরিহার্যতা তুলে ধরেন।

বিচার বিভাগের উপর রাজনৈতিক হস্তক্ষেপকে একটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে বক্তাগণ বলেন, বিচারকদের বদলি, নিয়োগ, পদায়ন এবং শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়াবলী বহুলাংশে নির্বাহী বিভাগের হাতে ন্যস্ত থাকায় শাসকশ্রেণি ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে বিচারিক প্রক্রিয়ায় অযাচিত প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে। এর ফলে জনগণের মধ্যে বিচার বিভাগের প্রতি আস্থাহীনতা তৈরি হয়। এই সংকট নিরসনে বিচার বিভাগের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা এবং নির্বাহী ও আইনসভা থেকে এর কার্যকর পৃথককরণ অত্যন্ত জরুরি বলে তাঁরা মত দেন।
ইউরোপের বহু দেশসহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং নেপালের মতো দেশগুলোতেও বিচার বিভাগের প্রশাসনিক স্বাধীনতা রয়েছে উল্লেখ করে সভায় অংশগ্রহণকারীরা স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও বাংলাদেশে বিচার বিভাগের নিজস্ব প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত না হওয়াকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন। ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর বিচার বিভাগকে পৃথক ঘোষণা করা হলেও বিচার বিভাগের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, পৃথক সচিবালয় এবং বিচারকদের শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়সমূহ এখনো সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয়নি বলে তাঁরা উল্লেখ করেন।
এসময় বক্তাগণ ‘বিচার বিভাগের সংস্কার না হলে অন্য সকল সংস্কার অর্থহীন হয়ে পড়বে’ মর্মে প্রধান বিচারপতির একটি বক্তব্য স্মরণ করিয়ে দেন ।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST