1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. info239@noreply0.com : jerome6977 :
  4. modlraju58@gmail.com : raju019 :
পোষ্য কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদ তুমুল বৃষ্টিতেও অনশনে শিক্ষার্থীরা - ডিবিসি জার্নাল২৪
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দুর্গাপুরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে মাছচাষ, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দিনমজুরের করুন মৃত্যু! দুপুরের মধ্যে ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা দুর্গাপুরে ‎স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ শীর্ষক সেমিনার বাঘার সার্বিক উন্নয়নে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জমি নিয়ে বিরোধে আদিবাসী পরিবারের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ দুর্গাপুরে সেই শিশু ধর্ষণ ঘটনায় মামলা নিলেও এজাহারে অসঙ্গতি, আলামত নষ্ট করতেই কালক্ষেপণ জাতীয় মঞ্চে লড়বে বাঘার শাহদৌলা সরকারি কলেজের স্বপ্নবাজ তিন শিক্ষার্থী দুর্গাপুর পৌর বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বাগমারায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘায় বিদ্যালয়ে নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি আবু সাঈদ চাঁদ

পোষ্য কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদ তুমুল বৃষ্টিতেও অনশনে শিক্ষার্থীরা

  • আপডেট করা হয়েছে শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১২৮ বার পড়া হয়েছে

রাবি প্রতিবেদক: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শর্তসাপেক্ষে পোষ্য কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে আমরণ অনশন করছেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জোহা চত্বরে অনশন করছেন তারা।

২৩ ঘণ্টা পার হলেও তারা বসে আছেন সেখানে। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে তুমুল বৃষ্টির মধ্যেও তাদের অনশন করতে দেখা যায়।

অনশনরত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়েন দুজন শিক্ষার্থী। তারা হলেন সমাজকর্ম বিভাগের ২৪-২৫ সেশনের ইস্পাহানি ও আরবি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী রমজানুল মোবারক। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় প্রথম এককভাবে অনশনে বসেন সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আসাদুল ইসলাম। এরপর তার সঙ্গে একত্মতা পোষণ করেন কয়েকজন শিক্ষার্থী।

অনশনরত সজিবুর রহমান বলেন, ‌আমরা গতকাল রাত থেকে বসে আছি, রোদে পুড়ছি, বৃষ্টিতে ভিজছি, মশার কামড় খাচ্ছি। আমাদের শরীরের অবস্থা কী? তাও কেউ আমাদের দেখতে আসেনি। অনেকে স্লোগান দিয়েছিল—‘রক্ত লাগলে রক্ত নে, পোষ্য কোটার কবর দে’। তাদের রক্ত দেওয়া শেষ। আমাদের এখনো রক্ত দেওয়া শেষ হয়নি, আমরা আছি। যতক্ষণ না সমাধান হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা আছি।

তিনি বলেন, আমাদের কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না, এখনো নেই। একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে আমি এখানে আছি এবং থাকবো।

সমাজকর্ম বিভাগের ২৪-২৫ সেশনের শিক্ষার্থী সানজিদা বলেন, আমার ভাইয়েরা গতকাল থেকে বৃষ্টিতে ভিজছে, রোদে পুড়ছে, মশার কামড় খাচ্ছে। অথচ তাদের দেখার মতো কেউ নেই। আমি বলতে চাই, প্রশাসনের নামেই প্রহসন আর কতদিন? আমরা যেখানে ৬০-৬৫ পেয়ে ভর্তি হতে পারি না, সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকতা-কর্মচারীদের সন্তানরা নামমাত্র পাস নম্বর পেয়ে কীভাবে ভর্তি হয়?

দুপুর ১টার দিকে অনশনরত শিক্ষার্থীদের কাছে দেখা যায়, সেখানে আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা আমিরুল ইসলাম কনক। তিনি বলেন, ‘আমি মূলত ছাত্রদের খোঁজখবর নিতে এখানে এসেছি। তাদের সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পেরেছি, তারা খুব কষ্টের মধ্যে আছে। তাই আমি নিজেও তাদের সঙ্গে অনশনে যোগ দিয়েছি। এরই মধ্যে কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আমরা তাদের চিকিৎসার জন্য মেডিকেলে পাঠিয়েছি।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST