1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. info239@noreply0.com : jerome6977 :
  4. modlraju58@gmail.com : raju019 :
দূর্গাপুজার আদি উৎপত্তিস্থল তাহেরপুর গোবিন্দ মাতার মন্দির পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক - ডিবিসি জার্নাল২৪
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দুর্গাপুরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে মাছচাষ, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দিনমজুরের করুন মৃত্যু! দুপুরের মধ্যে ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা দুর্গাপুরে ‎স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ শীর্ষক সেমিনার বাঘার সার্বিক উন্নয়নে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জমি নিয়ে বিরোধে আদিবাসী পরিবারের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ দুর্গাপুরে সেই শিশু ধর্ষণ ঘটনায় মামলা নিলেও এজাহারে অসঙ্গতি, আলামত নষ্ট করতেই কালক্ষেপণ জাতীয় মঞ্চে লড়বে বাঘার শাহদৌলা সরকারি কলেজের স্বপ্নবাজ তিন শিক্ষার্থী দুর্গাপুর পৌর বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বাগমারায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘায় বিদ্যালয়ে নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি আবু সাঈদ চাঁদ

দূর্গাপুজার আদি উৎপত্তিস্থল তাহেরপুর গোবিন্দ মাতার মন্দির পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

  • আপডেট করা হয়েছে মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর, ২০২২
  • ৩৩৯ বার পড়া হয়েছে

মোস্তাফিজুর রহমান জীবন, রাজশাহী

চলছে শারদীয় দুর্গোৎসব, কিন্ত এই দুর্গাপূজা পালিত হবার আদি ইতিহাস অনেকেই জানেনা। এমনকি হিন্দু ধর্মের লোকজনও জানেনা কবে, কোথায়,কখন থেকে শুরু হয় দুর্গাপূজ?
মহাষষ্ঠীর সকালে ঢাকি সুকেশ স্যানাল ঢাকে কাঠির বাড়ি দিয়েই যাচ্ছেন। পূজার জোগালি কানাই হালদার, আর পুরোহিত গোপাল চক্রবর্তী এটা-ওটা গোছাতে ভীষণ ব্যন্ত। কথা বলতে চাইলে করজোড় করে পুরোহিত বললেন, ‘এখন পারব না যে দাদা। ষষ্ঠী কল্পরাম্ভের বেলা বয়ে যাচ্ছে। এখনই পুজো করতে হবে।’

যে মণ্ডপ নিয়ে কথা, সেটির নাম শ্রীশ্রী গোবিন্দ ও দুর্গামাতা মন্দির। রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার তাহেরপুরে এই মন্দির। এটি এখন বাগমারার একটি পৌর এলাকা। রাজশাহী জেলা সদর থেকে ৪৮ কিলোমিটার দূরের এই তাহেরপুরের আদিনাম ছিল ‘তাহিরপুর’। আজ থেকে ৫৪০ বছর আগে এখান থেকেই সর্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসবের শুরু বলে ধারণা করা হয়। সে আমলে রাজা কংস নারায়ণ রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা খরচ করে রাজবাড়িতে ওই আয়োজন করেছিলেন। এখনকার আমলে ওই টাকার পরিমাণ ৩০০ কোটিরও বেশি। একবার দুর্গোৎসবের আয়োজনে কোনো মম্যাপে টাকা খরচ আর হয়েছে বলে জানা যায়নি। সম্রাট আকবরের আমলে বাংলার ‘বারো ভূঁইয়া’-এর এক ভূঁইয়া রাজা কংসনারায়ণ রায় ব্যয় করেছিলেন এ অর্থ।

মহাসমারোহে হলো দুর্গোৎসব। ষোলো শতকের সে উৎসবে ব্যয় হয় প্রায় সাড়ে ৮ লাখ, মতান্তরে ৯ লাখ টাকা। বিরাট ওই উৎসব হয়েছিল রামরামা গ্রামের দুর্গামন্দিরে। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে দেখে গেল এই উৎসব। রাজা কংসনারায়ণের প্রপৌত্র (চতুর্থ পুরুষ) লক্ষ্মী নারায়ণের সময় সুবেদার শাহ সুজার সৈন্যদল বারণই নদের পূর্ব তীরে রামরামা গ্রামের রাজা কংসনারায়ণের প্রসাদটি ধ্বংস করে দেয়।

বুধবার সন্ধ্যা ৭ টার সময় শ্রী শ্রী গোবিন্দ মাতার মন্দির পরিদর্শন আসেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার। এসময়ে অতিথি দের ফুলের ডালা দিয়ে বরন করে নেওয়া হয়।
মন্দির পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন,
রাজশাহী জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল, পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন, বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদা খানম, দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল রানা, বাগমারা উপজেলার ভূমি কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, তাহেরপুর পৌরসভা’র মেয়র অধ্যক্ষ মোঃ আবুল কালাম আজাদ, বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম , দুর্গাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ নাজমুল ইসলাম, তাহেরপুর পুলিশ ফাঁড়ি আইসি জিলালুর রহমান সহ হিন্দু, বৌদ্ধ্য, খৃস্টান ঐক্য পরিষদের ব্যাক্তিগন সহ পুলিশ আনসার সদস্য প্রমুখ।।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST