1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. info239@noreply0.com : jerome6977 :
  4. modlraju58@gmail.com : raju019 :
খুলনায় ধর্ষণ মামলায় ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড - ডিবিসি জার্নাল২৪
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দুর্গাপুরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে মাছচাষ, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দিনমজুরের করুন মৃত্যু! দুপুরের মধ্যে ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা দুর্গাপুরে ‎স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ শীর্ষক সেমিনার বাঘার সার্বিক উন্নয়নে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জমি নিয়ে বিরোধে আদিবাসী পরিবারের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ দুর্গাপুরে সেই শিশু ধর্ষণ ঘটনায় মামলা নিলেও এজাহারে অসঙ্গতি, আলামত নষ্ট করতেই কালক্ষেপণ জাতীয় মঞ্চে লড়বে বাঘার শাহদৌলা সরকারি কলেজের স্বপ্নবাজ তিন শিক্ষার্থী দুর্গাপুর পৌর বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বাগমারায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘায় বিদ্যালয়ে নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি আবু সাঈদ চাঁদ

খুলনায় ধর্ষণ মামলায় ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড

  • আপডেট করা হয়েছে বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৪৭৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

খুলনায় কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলায় দুইজন আসামি উপস্থিত থাকলেও তিনজন পলাতক।

বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খুলনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব‌্যুনাল-৩ এর বিচারক আব্দুস ছালাম খান এ রায় দেন। একই সঙ্গে তা‌দের ২০ হাজার টাকা করে জ‌রিমানা করা হয়েছে।

রা‌য়ের বিষয়টি নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন আদাল‌তের রাষ্ট্রপ‌ক্ষের আইনজীবী স্পেশাল পি‌পি ফ‌রিদ আহ‌মেদ।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসা‌মিরা হলেন- আলী আকবর ওরফে হৃদয়, মেহেদী হাসান ওরফে ইবু, সোহেল, আব্দুল্লাহ ও মোহন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৩ মার্চ সন্ধ্যায় খালিশপুর ১ নম্বর বিহারি ক্যাম্পে ১৫ বছর বয়সী একটি মেয়ে বাড়ির পাশে টিউবওয়েলে পানি আনতে যায়। এ সময় আসামি মোহন তাকে ডেকে নিয়ে যান। তিনি মেয়েটিকে শিয়া মসজিদের কাছে নিয়ে গেলে সেখান থেকে আকবর আলীসহ তাকে চরেরহাট কলাবাগানে নিয়ে যান এবং আসামিরা তাকে ধর্ষণ করেন।

পাশবিক নির্যাতনে মেয়েটি অসুস্থ হলে পড়লে তারা তাকে বাড়ির পাশে ফেলে চলে যান। পরে মেয়েটি বাসায় গিয়ে পরিবারকে সব খুলে বলে। তখন তার পরিবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে কিশোরীর মা বাদী হয়ে খালিশপুর থানায় মামলা করেন।

একই বছরের ২০ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কাজী রেজাউল করিম পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলায় ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১২ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য-প্রমাণে পাঁচজনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাদের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST