1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. modlraju58@gmail.com : raju019 :
১২০দিন পর ছাড়পত্র পেয়ে ভারতে ঢুকলো ১৭৬টি সুপারির ট্রাক - ডিবিসি জার্নাল২৪
রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বর্তমান সরকার তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর- তথ্যমন্ত্রী স্বপন রাজশাহীতে যৌন নিপীড়নের মামলায় সাংবাদিক রাব্বানী কারাগারে ইউরিয়া সার আমদানিতে দরপত্রে আগ্রহ নেই সরবরাহকারীদের, বিসিআইসি’র দাবি জাহাজ মিলছেনা! মহান মে দিবসে রাজশাহীতে বিক্রয় প্রতিনিধি সমবায়ের র‍্যালি নারী সার্জেন্টের সাথে প্রতারণার অভিযোগ, ওসি মাহবুবের বিরুদ্ধে! নেপথ্যের কি? রাজশাহীতে তেল নিতে লাইনে, হিটস্ট্রোকে বৃদ্ধের মৃত্যু বাঘায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত বাঘায় সড়ক সংস্কারসহ বিভিন্ন দাবিতে মানববন্ধন মালিক সমিতির দ্বন্দ্বে রাজশাহী-ঢাকা বাস চলাচল বন্ধ রাজশাহীতে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ২

১২০দিন পর ছাড়পত্র পেয়ে ভারতে ঢুকলো ১৭৬টি সুপারির ট্রাক

  • আপডেট করা হয়েছে মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

বেনাপোল প্রতিনিধি: অবশেষে ১২০দিন পর ভারত থেকে মান পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ায় বেনাপোল বন্দরে আটকে থাকা রফতানিমুখী সুপারির ১৭৬টি ট্রাক ভারতে গেছে। ভারত থেকে মান পরীক্ষার রিপোর্ট না দেওয়ায় এসব সুপারিবাহী ট্রাক ভারতে ঢুকতে পারেনি। দীর্ঘ চার মাস এসব ট্রাক ভর্তি সুপারি বেনাপোল বন্দরে পড়ে ছিল। বর্তমানে সে সব সুপারির ট্রাক আসছে সেগুলো মান পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়েই ভারতে রফতানি হয়েছে।

এদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে বাণিজ্যে প্রতিবন্ধকতা কাটতে শুরু করায় আমদানি ও রফতানিতে গতি ফিরতে শুরু করেছে। গত বছরের ৫ আগস্ট দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেওয়ার ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয় এবং বাণিজ্যে প্রতিবন্ধকতা দেখা দেয়।

বাণিজ্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিবছর ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে প্রায় ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি এবং দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি হয়। রফতানি পণ্যের মধ্যে বড় একটি অংশ সুপারি। বাংলাদেশি সুপারির গুণগত মান ভালো হওয়ায় ভারতে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর প্রায় ৭০০ কোটি টাকার সুপারি ভারতে রফতানি হয়।

সুপারি রফতানির ক্ষেত্রে ভারত থেকে মান পরীক্ষার রিপোর্ট সংগ্রহ বাধ্যতামূলক। তবে গত ৪ মাস ধরে ভারতীয় কাস্টমস রিপোর্ট সরবরাহ না করায় বেনাপোল বন্দরে ভারতে প্রবেশের অপেক্ষায় ১৭৬টি রফতানিমুখী সুপারির ট্রাক আটকা পড়ে। দুই দেশের ব্যবসায়ীরা বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও সমাধান আনতে পারেননি। বরং স্হলপথে পাট, পাটজাত পণ্য, গার্মেন্টসসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পণ্যের রফতানি বন্ধ হয়ে যায়।

তবে ব্যবসায়ীদের ধারণা ছিল, দেশে গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় এলে এসব প্রতিবন্ধকতা কাটবে। অবশেষে নির্বাচনের পর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা ও শর্ত শিথিল হওয়ায় আমদানি-রফতানি বাণিজ্য স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। গত ১৫ফেব্রুয়ারি গম ও চিনি রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় ভারত এবং গত রোববার সুপারির মান পরীক্ষার ছাড়পত্র দেওয়ায় আটকে থাকা সুপারি রফতানি শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য পণ্যের ওপরও নিষেধাজ্ঞা ও শর্ত উঠে যাবে বলে মনে করছেন দুই দেশের বাণিজ্য সংশ্লিষ্টরা।

সুপারিবাহী ট্রাকচালক ফিরোজ আলম জানান, ভারত থেকে মান পরীক্ষার ছাড়পত্র না দেওয়ায় ৪ মাস ধরে সুপারি নিয়ে ভারতে ঢুকতে পারেননি। এখন সুপারির ট্রাক নিয়ে ভারতে যেতে পারছেন।

বেনাপোল আমদানি-রফতানিকারক সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক জানান, সুপারি রফতানি বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন। ১৭৬টি ট্রাকে প্রতিদিন প্রায় ৫ লাখ টাকা অর্থদন্ড গুনতে হয়েছে। ভোটের পর পরিস্হি’তি স্বাভাবিক হয়েছে। আশা করছি, অন্যান্য পণ্যের ওপরও নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।

সুপারি রফতানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেনাপোল বন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক আবু তালহা জানান, ভারত ছাড়পত্র দেওয়ায় বেনাপোল বন্দরে আটকে থাকা ১৭৬টি সুপারির ট্রাক রোববার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত সক ট্রাক ভারতে প্রবেশ করেছে। নতুন করে যে সব সুপারির ট্রাক বেনাপোল বন্দরে আসছে সেগুলো মান পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়েই ভারতে প্রবেশ করছে। রফতানির বিষয়ে কোন সমস্যার কোন অভিযোগ সংশ্লিস্ট মহল থেকে পাওয়া যায়নি।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST