1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. info239@noreply0.com : jerome6977 :
  4. modlraju58@gmail.com : raju019 :
আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ- রাজশাহী-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীকে শোকজ, স্ব-শরীরে ব্যাখ্যার আদেশ আদালতের - ডিবিসি জার্নাল২৪
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দুর্গাপুরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে মাছচাষ, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দিনমজুরের করুন মৃত্যু! দুপুরের মধ্যে ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা দুর্গাপুরে ‎স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ শীর্ষক সেমিনার বাঘার সার্বিক উন্নয়নে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জমি নিয়ে বিরোধে আদিবাসী পরিবারের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ দুর্গাপুরে সেই শিশু ধর্ষণ ঘটনায় মামলা নিলেও এজাহারে অসঙ্গতি, আলামত নষ্ট করতেই কালক্ষেপণ জাতীয় মঞ্চে লড়বে বাঘার শাহদৌলা সরকারি কলেজের স্বপ্নবাজ তিন শিক্ষার্থী দুর্গাপুর পৌর বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বাগমারায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘায় বিদ্যালয়ে নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি আবু সাঈদ চাঁদ

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ- রাজশাহী-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীকে শোকজ, স্ব-শরীরে ব্যাখ্যার আদেশ আদালতের

  • আপডেট করা হয়েছে রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১২১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৫ (দুর্গাপুর-পুঠিয়া) আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডলের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নির্বাচনী এলাকার অনুসন্ধান ও বিচারিক দায়িত্বে থাকা বিজ্ঞ বিচারকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। জাফর ইকবাল নামের এক ব্যাক্তির করা লিখিত অভিযোগ আমলে নিয়ে অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডলকে স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখা দিতে শোকজ নোটিশ দিয়েছেন নির্বাচনী অনুসন্ধান এবং বিচারিক দায়িত্বে থাকা রাজশাহী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সিভিল জজ মোঃ মামুন।

রাজশাহী-৫ আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডলের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে গত ১৩ জানুয়ারি সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন পুঠিয়া উপজেলার বাসিন্দা জাফর ইকবাল। অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির বিজ্ঞ বিচারক অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডলকে সশরীরে উপস্থিত থেকে লিখিত ও মৌখিক ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়।

ওই শোকজ নোটিশের প্রেক্ষিতে ১৮ জানুয়ারি নির্ধারিত দিনে অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল সংশ্লিষ্ট আদালতে উপস্থিত হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে লিখিত ও মৌখিকভাবে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। তবে শুনানি শেষে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক কি আদেশ দিয়েছেন তা এখনো জানা যায়নি।

জানা গেছে, তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনী এলাকায় মিছিল, পোস্টার ও অনলাইন প্রচারণা, ধর্মীয় অনুষ্ঠানের নামে ভোট প্রার্থনা, রঙিন লিফলেট বিতরণ এবং প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ উঠে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডলের বিরুদ্ধে।

১৮ জানুয়ারি দুপুরে শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডলের লিখিত ব্যাখ্যা গ্রহণ করলেও এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের মতামত বা নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তীতে আদেশ দেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্র জানিয়েছেন।

​অভিযোগে উল্লেখ করা হয়ে, গত ১৩ জানুয়ারি স্থানীয় ভোটার জাফর ইকবাল সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের স্বপক্ষে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডলের বিরুদ্ধে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়।

​সুনির্দিষ্ট কারণ গুলোর মধ্যে আরো উল্লেখ করা হয়, গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় শতাধিক কর্মী সমর্থকদের নিয়ে পুঠিয়া ও দুর্গাপুর উপজেলা সদরে বিশাল মিছিল ও শোডাউন বের করা হয়।

আদালতের ​শোকজ নোটিশের প্রেক্ষিতে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ১৮ জানুয়ারি দুপুর ২টায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল আদালতে উপস্থিত হয়ে তার ব্যাখা প্রদান করেন।

​অভিযোগে প্রার্থী ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে একাধিক আচরণবিধি লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট পয়েন্ট তুলে ধরেন জাফর ইকবাল নামের ওই ভোটার।

অভিযোগকারী জাফর ইকবাল বলেন, গত ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিনে শতাধিক কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে পুঠিয়া ও দুর্গাপুর বাজারে মিছিল বের করা হয়। নির্বাচনী এলাকায় এখনো বিভিন্ন জায়গায় নিয়মবহির্ভূতভাবে ধানের শীষের পোস্টার ও প্রতীক টাঙানো রয়েছে।

​এছাড়া বিএনপি’র সদ্য প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মিলাদ মাহফিলের নামে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চাওয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্রমাগত ভোট প্রার্থনা এবং সাবেক ছাত্রদল নেতার মাধ্যমে রঙিন লিফলেট বিতরণ করা হয়।

​সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রার্থীর নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’- এর নামে মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাওয়া হয়। ​অভিযোগের স্বপক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা বেশ কিছু লিংক ও ছবির প্রমাণাদিও আবেদনের সাথে দাখিল করা হয়।

জাফর ইকবাল বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে আমরা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রতিকার চাই। স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আমি প্রত্যাশা করছি।

সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত সালমান, নির্বাচনী তদন্ত কমিটির বিজ্ঞ বিচারক একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন। ১৮ জানুয়ারি ওই অভিযোগের শুনানি ছিলো৷ এর বেশি কিছু আমার জানা নেই। তবে জরিমানার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিছুদিন আগে ধানের শীষ প্রতীক টাঙানোর বিষয় নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিলো। তবে অর্থদণ্ডের টাকার পরিমাণ আমি জানিনা।

তবে অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তিনি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেননি এবং কমিশনের নির্দেশনা মেনেই তার কার্যক্রম নির্বাচনী পরিচালিত হচ্ছে। নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির বিজ্ঞ বিচারক শুনানি শেষে কি আদেশ দিয়েছেন তাও তিনি জানাননি।

এদিকে, একের পর এক নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে এই আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন অভিযোগকারী জাফর ইকবাল। নির্বাচনী বিধিমালা ভঙ্গ করে প্রচার-প্রচারণা চালানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও সাধারণ ভোটারদের মাঝে ভীতিকর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST