1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. info239@noreply0.com : jerome6977 :
  4. modlraju58@gmail.com : raju019 :
বরেন্দ্রের বাজারে নকল ও ভেজাল কীটনাশক সয়লাব - ডিবিসি জার্নাল২৪
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দুর্গাপুরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে মাছচাষ, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দিনমজুরের করুন মৃত্যু! দুপুরের মধ্যে ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা দুর্গাপুরে ‎স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ শীর্ষক সেমিনার বাঘার সার্বিক উন্নয়নে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জমি নিয়ে বিরোধে আদিবাসী পরিবারের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ দুর্গাপুরে সেই শিশু ধর্ষণ ঘটনায় মামলা নিলেও এজাহারে অসঙ্গতি, আলামত নষ্ট করতেই কালক্ষেপণ জাতীয় মঞ্চে লড়বে বাঘার শাহদৌলা সরকারি কলেজের স্বপ্নবাজ তিন শিক্ষার্থী দুর্গাপুর পৌর বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বাগমারায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘায় বিদ্যালয়ে নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি আবু সাঈদ চাঁদ

বরেন্দ্রের বাজারে নকল ও ভেজাল কীটনাশক সয়লাব

  • আপডেট করা হয়েছে সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১০৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বরেন্দ্র অঞ্চলে এখন আমনের মৌসুম। ফসলে রোগ-বালাই দমনের জন্য কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। কৃষকরা সাধারণত ৯০ ভাগ কীটনাশক বাকিতে কেনেন। কিন্তু এর ফলে দোকানীরা অনুমোদনহীন বা ভেজাল কীটনাশক বিক্রি করেন। কৃষকেরা অভিযোগ করেছেন, ফসলের খরচের অর্ধেকই কীটনাশকে যাচ্ছে, অথচ পোকামাকড় দমন হচ্ছে না।

বাজারে অনেক নামিদামী কোম্পানীর নকল ব্র্যান্ডের কীটনাশক বিক্রি হচ্ছে। কৃষকরা মূলত কম দামের ও পরিচিত মোড়ক দেখে এসব কিনেন, ফলে তারা নকল চিহ্নিত করতে পারছেন না। রাজশাহী অঞ্চলের বাজার এখন ভেজাল কীটনাশকের ব্যবসা রমরমা। বিশেষ করে মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট ও নওগাঁর সাবাইহাটে একাধিক ভেজাল কীটনাশক কারখানা ও সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে।

কৃষকের অভিযোগ, সবচেয়ে বেশি নকল ও ভেজাল বিক্রি হয় সিনজেন্টার এমিস্টর টপ কীটনাশক। ধানের পচন রোগ সারাতে এটির চাহিদা বেশি হওয়ায় অসাধু ডিলাররা ভেজাল বোতল বাজারে ছাড়ছেন।

মাঠ পর্যায়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন, অনেক ডিলার কোম্পানীর অনুমোদন ছাড়া কীটনাশক বিক্রি করছেন। কৃষকরা বাকিতে কিনলে দোকানীরা ইচ্ছামতো অনুমোদনহীন বা ভেজাল কীটনাশক দেন। অনেক সময় নামীদামী ব্র্যান্ডের মোড়ক দেখে কৃষক নকল চিহ্নিত করতে পারেন না।

তানোর উপজেলার শামিম বলেছেন, তার ধানে পচন ধরেছিল। মুণ্ডুমালা বাজারে মেসার্স জামান ট্রেডার্স থেকে এমিস্টর টপ কিনলেও এক সপ্তাহেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি। পরে বুঝতে পেরেছিলেন, বোতলটি নকল ছিল।

প্রকাশনগর গ্রামের মিজান বলেছেন, সাত বিঘা ধানে পচন ধরায় মেসার্স শিবলী ট্রেডার্স থেকে কীটনাশক নিয়েছিলেন। পরে বোঝা যায়, তারা কোম্পানীর অনুমোদনপ্রাপ্ত ডিলার নন।

এ ধরনের ভেজাল কীটনাশক শুধু তানোর নয়, বরেন্দ্র অঞ্চলের গোদাগাড়ী, মোহনপুর, বাগমারা, দুর্গাপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ হাজার হাজার কৃষকের কাছে বিক্রি হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণের উপ-পরিচালক উম্মে সালমা স্বীকার করেছেন, বাজারে ভেজাল ও নকল কীটনাশক পাওয়া যাচ্ছে। অভিযান চলছে, কিছু দোকান থেকে ভেজাল কীটনাশক জব্দ করা হয়েছে। তিনি কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছেন, কীটনাশক কেনার আগে ডিলারের কাছ থেকে মেমু সংগ্রহ করতে হবে, যাতে প্রয়োগে কোনো সমস্যা হলে তারা ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিতে পারেন।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST