1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. modlraju58@gmail.com : raju019 :
দুর্গাপুরের সেই সোহাগ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৪.২৮ পেয়েছে - ডিবিসি জার্নাল২৪
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
নারী সার্জেন্টের সাথে প্রতারণার অভিযোগ, ওসি মাহবুবের বিরুদ্ধে! নেপথ্যের কি? রাজশাহীতে তেল নিতে লাইনে, হিটস্ট্রোকে বৃদ্ধের মৃত্যু বাঘায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত বাঘায় সড়ক সংস্কারসহ বিভিন্ন দাবিতে মানববন্ধন মালিক সমিতির দ্বন্দ্বে রাজশাহী-ঢাকা বাস চলাচল বন্ধ রাজশাহীতে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ২ বানেশ্বরে ‘ভোক্তা অধিকার’-এর নামে হয়রানি! ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন দুর্গাপুরে ৪০০ লিটার তেল নিয়ে দিনভর এসিল্যান্ড-পুলিশের তেলেসমাতি! হদিস নেই ২০ লিটার পেট্রোলের বানেশ্বরে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীনবরণ অনুষ্ঠান দুর্গাপুরে সুদের টাকা আদায় করতে এক ব্যক্তিকে কু’পি’য়ে য’খ’ম

দুর্গাপুরের সেই সোহাগ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৪.২৮ পেয়েছে

  • আপডেট করা হয়েছে সোমবার, ১ জুন, ২০২০
  • ৭৯৪ বার পড়া হয়েছে

দুর্গাপুর প্রতিনিধি: রাজশাহীর দূর্গাপুর উপজেলার কয়ামাজমপুর গ্রামের  সেই সোহাগ এবারের এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞাণ বিভাগ থেকে ৪.২৮ পয়েন্ট পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। কিন্তু তার এই ফলাফল সে দেখে যেতে পারেনি। গত ২৮ মে সন্ধ্যায় রাতে মারা যায় সে। একই সাথে একই দিনে তার মা ফিরোজা বেগমও মারা যায়।

সোহেলের বাবা আব্দুল কুদ্দুস পেশায় একজন চা বিক্রেতা। তিনি জানান, তার ছেলে সোহাগ অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলো। কয়ামাজমপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল সোহাগ। অনেক শখ করে ছেলেকে মোবাইল ফোন কিনে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এই মোবাইল ফোনই যে কাল হয়ে দাঁড়াবে তা তিনি কখনোই কল্পনা করেননি।

গত রোববার প্রকাশিত হয় এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফলাফলের কপি হাতে পেয়েই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। ছেলের পাশের খবরটি বাবা আব্দুল কুদ্দুসের কাছে পৌছালে তিনিও কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। একদিকে ছেলের পাশের খবর অন্যদিকে স্ত্রী ও ছেলেকে হারানোর শোক যেন জগদ্দল পাথরের মতো বুকে বিধেছে আব্দুল কুদ্দুসের বুকে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ মে সন্ধ্যায় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে সোহাগের পকেটে থাকা মোবাইল ফোন পড়ে যায় টয়লেটের সেফটিক ট্যাংকে। পরে ওই ফোনটি তুলতে সেফটিক ট্যাংকে নামে সোহাগ। এ সময় বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সেফটিক ট্যাংকের ভিতরেই জ্ঞান হারায় সোহাগ। বিষয়টি বুঝতে পেরে সোহাগের মা ফিরোজা বেগমও ছেলেকে উদ্ধার করতে নেমে পড়েন সেফটিক ট্যাংকের ভিতরে। ছেলের মতো তিনিও বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে জ্ঞাণ হারান। পরে স্থানীয় লোকজন মা ছেলেকে মৃত অবস্থায় সেফটিক ট্যাংকের ভিতর থেকে উদ্ধার করেন।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST