1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. info239@noreply0.com : jerome6977 :
  4. modlraju58@gmail.com : raju019 :
রামেবির টেন্ডার ছাড়ায় সহস্রাধিক গাছ কেটে কেটে সাবাড়! - ডিবিসি জার্নাল২৪
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দুর্গাপুরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে মাছচাষ, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দিনমজুরের করুন মৃত্যু! দুপুরের মধ্যে ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা দুর্গাপুরে ‎স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ শীর্ষক সেমিনার বাঘার সার্বিক উন্নয়নে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জমি নিয়ে বিরোধে আদিবাসী পরিবারের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ দুর্গাপুরে সেই শিশু ধর্ষণ ঘটনায় মামলা নিলেও এজাহারে অসঙ্গতি, আলামত নষ্ট করতেই কালক্ষেপণ জাতীয় মঞ্চে লড়বে বাঘার শাহদৌলা সরকারি কলেজের স্বপ্নবাজ তিন শিক্ষার্থী দুর্গাপুর পৌর বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বাগমারায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘায় বিদ্যালয়ে নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি আবু সাঈদ চাঁদ

রামেবির টেন্ডার ছাড়ায় সহস্রাধিক গাছ কেটে কেটে সাবাড়!

  • আপডেট করা হয়েছে বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহস্রাধিক গাছ কেটে সাবাড় করা হয়েছে কোনো টেন্ডার ছাড়ায়। আবার গাছ কাটার জন্য অনুমতিও নেওয়া হয়নি বন বিভাগের। রাজশাহী নগরীর সিলিন্দায় ২০৫ বিঘা আয়তনের বিশাল জায়গা অধিগ্রহণ করে গড়ে তোলা হচ্ছে রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রামেবি) ক্যাম্পাসটি গড়ে তোলা হচ্ছে। লুট হয়ে গেছে আগে থেকেই থাকা অসংখ্য তাজা গাছ। এর গাছ লুটের সঙ্গে জড়িত বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তাসহ একজন সিন্ডিকেট সদস্য। এর আগে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার আমগাছের প্রায় ২০ লাখ টাকার আম গোপনে বিক্রি করে এ চক্রটি। কিন্তু সেই টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ডে জমা না দিয়ে আত্মসাত করা হয়। তবে পেছনের তারিখে লিজ দেখিয়ে ওই আমের কিছু টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ডে জমা দেওয়ার চেষ্টা চলছে এখন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাবমতে, নির্মাণাধীন ক্যাম্পাস চত্তরে প্রায় ৭ হাজার ৩০০ আম গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রয়েছে। এর মধ্যে আমগাছই বেশি। সেগুলো কেটে বিক্রির জন্য নাম্বারিং করা হলেও এখনও কোনো দরপত্র হয়নি কিংবা কার্যাদেশও দেওয়া হয়নি।

সূত্র মতে, নির্মাণাধীন এ ক্যাম্পাসে বালুভরাটের কাজ করছে ঢাকার মিরপুরের প্রতিষ্ঠান হোসাইন কন্সট্রাকশন প্রাইভেট লিমিটেড। তবে প্রতিষ্ঠানটির রাজশাহীর ব্যবস্থাপক দেলোয়ার হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তাদের কাজ কেবল বালু ভরাট পর্যন্ত সীমিত, গাছ কাটার সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা গেছে, গোড়া থেকে কেটে নেওয়া হয়েছে অসংখ্য গাছ। কাটা জায়গাগুলো মাটি দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে, কোথাও আবার খুঁড়ে ফেলা গাছের জায়গায় জমে আছে বৃষ্টির পানি। ক্যাম্পাসের পূর্ব পাশে সীমানাপ্রাচীর ও ড্রেন নির্মাণের কাজ চলতে গিয়ে কয়েক শ গাছ আগেই কাটা হয়েছে। পূর্ব পাশের এক শ্রমিকদের থাকার ঘরের কাছে গোড়া থেকে কাটা দুটি আমগাছ ফেলে রাখা ছিল। শ্রমিকেরা জানালেন, কারা গাছ কেটেছে তা তাদের অজানা।

দক্ষিণ ও পশ্চিম দিকে আরও ভয়াবহ চিত্র দেখা গেছে। সেখানে গাছ কেটে ফাঁকা করে রাখা জায়গায় হয়েছে শাকসবজির চাষ। প্রায় ১০ বিঘার একটি বাগানে সারি সারি কাণ্ড কেটে রাখা গাছ হাঁটুসমান পানিতে ডুবে আছে। অন্তত অর্ধশতাধিক গাছ কেটে রাখা হয়েছে ওই বাগানে। সব গাছেই রঙ দিয়ে নম্বর লেখা আছে।

এলাকার আবদুল মমিন জানায়, ১০ হাজার টাকা বেতনে তাকে ক্যাম্পাস দেখাশোনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে গাছ কারা কাটছে সে বলতে পারব না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র দাবি করেছে, এ গাছ লুটচক্রে জড়িত আছেন হাফিজুল, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান, রামেবির রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. হাসিবুল হোসেন এবং উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী নাজমুল হোসেন। অভিযোগে আরও উঠে এসেছে, নামমাত্র মূল্যে বাগান ইজারা দিয়ে চলতি মৌসুমে প্রায় ২০ লাখ টাকার আম বিক্রি করেছেন। প্রকল্পের উপপ্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী সিরাজুম মুনীরসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শীর্ষ কর্মকর্তা গাছ কাটার বিষয়টি আগে থেকেই জানতেন বলেও সূত্রের দাবি।

অভিযোগের বিষয়ে রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. হাসিবুল হোসেন বলেন, গাছ কাটার বিষয়টা অফিসিয়ালি হয়নি। আমি প্রকল্প এলাকায় যাই না, আমার নাম কেন আসবে বুঝতে পারছি না। উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী নাজমুল হোসেনও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় আরেকটি সূত্র বলছে, মাসের পর মাস ধরে গাছ কাটা হলেও ব্যাপকহারে কাটা শুরু হওয়ার পর ঘটনাটি ফাঁস হয়। তখনই তোলপাড় শুরু হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বালুভরাটের কাজ পাওয়া হোসাইন কন্সট্রাকশনকে শোকজ নোটিশ দেয়।

মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের উপপ্রকল্প পরিচালক ও পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক প্রকৌশলী সিরাজুম মুনীর জানান, আমাদের পক্ষ থেকে কোনো গাছ কাটা হয়নি। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বেআইনিভাবে গাছ কেটেছে। তাই শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাদের জবাব পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর সঙ্গে আমাদের কেউ জড়িত থাকলে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মালিক আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। আর ব্যবস্থাপক দেলোয়ার হোসেন জানান, “আমরা গাছ কাটিনি, ওই দিকটায় আমাদের কোনো কাজই নেই। শোকজের জবাবে এটিই জানাব।”

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST