
নিজস্ব প্রতিবেদক, দুর্গাপুর:
রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান (স্বতন্ত্র) প্রার্থী আক্তারুজ্জামান আক্তার ও তার কর্মী সমর্থকদের বাধা দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৩ টার দিকে দুর্গাপুর পৌরসভার ভিতরে এই ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচনী প্রচারণার জন্য দুর্গাপুর পৌরসভার কাউন্সিলরদের সাথে মতবিনিময় করতে গিয়েছিলেন আক্তারুজ্জামান। এ সময় উপজেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নির্বাচনী প্রচারনা কাজে বাধা দেয় এবং পৌরসভায় কেন ঢুকেছে তার কারন জানতে চান। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটেছে।
চেয়ারম্যান প্রার্থী আক্তারুজ্জামান অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনী প্রচারনার কাজে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুর্গাপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করে ভোট চাইতে বের হই। বিকেল পৌনে ৩ টার দিকে পৌরসভার মেয়র এবং কাউন্সিলরদের সাথে সাক্ষাৎ করতে পৌর ভবনে প্রবেশ করি। কিছু সময় পরেই উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাকিল খান ও সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান রিপনের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পৌর ভবনে ঢুকেই পৌরসভায় কেন এসেছেন বলেই আমার কাছে তার কারন জানতে চায়। এ সময় জোর করে পৌর ভবন থেকে আমাকে ও আমার নেতাকর্মীদের বের করে দেয়ার চেষ্টা করা হয়। আমার নেতাকর্মীদের লাঞ্ছিত করা হয়।
আক্তারুজ্জামান বলেন, ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের এমন আচরনে আমি ক্ষুব্ধ। আমার ভোট চাওয়ার অধিকার আছে। ভোটাররা ভোটের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করবেন। আমাকে বাঁধা দিয়ে তারা কি বোঝাতে চাইছে। এ ব্যাপারে আমি নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জানাবো।
উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাকিল খান বলেন, চেয়ারম্যান প্রার্থী আক্তারুজ্জামান ছিলেন না। তাঁর কর্মী সমর্থকরা ছিলেন। বিধায় তাদের চিনতে পারিনি। অপরিচিত লোকজন পৌরসভায় ঢুকার কারনে আমরা গিয়ে জিজ্ঞেস করেছি কেন তারা এসেছে।
ভুল বুঝাবুঝির কারনে সামান্য ধাক্কাধাক্কি হয়েছে বলেও জানান শাকিল খান।
জানা গেছে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক এক নেতার সাথে যোগাযোগ করেই নির্বাচনী প্রচারনায় দুর্গাপুরে যান চেয়ারম্যান প্রার্থী আক্তারুজ্জামান। বিষয়টি বুঝতে না পেরে ওই নেতার অনুসারী ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাই আক্তারুজ্জামানের নির্বাচনী প্রচারনায় বাঁধা দেন এবং সফর সংগীদের লাঞ্ছিত করেন। ঘটনার সময়ে প্যানেল মেয়র একরামুল হক রাজশাহীতে অবস্থান করছিলেন। তবে কাউন্সিলরদের মধ্যে কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। তাদের হস্তক্ষেপেই পরিস্থিতি শান্ত হয়।