1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. info239@noreply0.com : jerome6977 :
  4. modlraju58@gmail.com : raju019 :
“জাতীয় নির্বাচনের আগে সেনাবাহিনী ও বিচারিক ক্ষমতার বিতর্ক” - ডিবিসি জার্নাল২৪
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দুর্গাপুরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে মাছচাষ, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দিনমজুরের করুন মৃত্যু! দুপুরের মধ্যে ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা দুর্গাপুরে ‎স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ শীর্ষক সেমিনার বাঘার সার্বিক উন্নয়নে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জমি নিয়ে বিরোধে আদিবাসী পরিবারের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ দুর্গাপুরে সেই শিশু ধর্ষণ ঘটনায় মামলা নিলেও এজাহারে অসঙ্গতি, আলামত নষ্ট করতেই কালক্ষেপণ জাতীয় মঞ্চে লড়বে বাঘার শাহদৌলা সরকারি কলেজের স্বপ্নবাজ তিন শিক্ষার্থী দুর্গাপুর পৌর বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বাগমারায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘায় বিদ্যালয়ে নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি আবু সাঈদ চাঁদ

“জাতীয় নির্বাচনের আগে সেনাবাহিনী ও বিচারিক ক্ষমতার বিতর্ক”

  • আপডেট করা হয়েছে সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১০৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় এক লাখের বেশি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচনি আইনে সম্প্রতি সংস্কার আনা হয়েছে, যার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে, তাদেরকে আলাদা করে দায়িত্ব দেয়ার প্রয়োজন হবে না। তবে নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার বা বিচারিক ক্ষমতা দেওয়ার দাবিও উঠেছে।

ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার হলো এমন ক্ষমতা যার মাধ্যমে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি কাউকে গ্রেফতার বা আটক করতে, স্বল্পমেয়াদী সাজা দিতে এবং প্রয়োজনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুলি চালানোর আদেশ দিতে পারেন। সাধারণত পুলিশ বা অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযানে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করে। সেনাবাহিনী অতীতেও নির্বাচনের সময় সহায়ক বাহিনী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে, তবে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা থাকত না। ২০০২ সালে ‘অপারেশন ক্লিনহার্ট’-এর সময় এবং ২০০৭ সালের ওয়ান ইলেভেনে সেনাবাহিনীকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল।
গত বছরের আগস্টে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয় এবং কয়েক দফায় মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এই ক্ষমতা থাকা অবস্থায় তারা স্বাধীনভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। সেনাবাহিনী দাবি করছে, নির্বাচনকালীন দায়িত্বে তাদেরও একই ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন, বিশেষ করে পুলিশ দুর্বল অবস্থায় থাকায়।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সেনাবাহিনী যুক্ত হওয়ার কারণে আলাদা বিচারিক ক্ষমতা দেওয়া ইসির অধীনে নেই; এটি সরকারের হাতে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হলে আগাম বিচারিক ক্ষমতা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে পুলিশের সামর্থ্য সীমিত থাকায় সেনাবাহিনীর ক্ষমতা থাকলে নির্বাচনকালীন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সুবিধা হবে।
সারসংক্ষেপে, সেনাবাহিনীকে নির্বাচনে দায়িত্ব দেওয়ার মূল কারণ হলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তা। বিচারিক ক্ষমতার দাবি মূলত সুষ্ঠু ও নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য। নির্বাচনের সময় পরিস্থিতি অনুযায়ী কমিশন প্রয়োজনবোধে সিদ্ধান্ত নিতে পারে, কিন্তু আগাম ক্ষমতা দেওয়া ইচ্ছা বা দাবির বিষয়টি বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST