1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. info239@noreply0.com : jerome6977 :
  4. modlraju58@gmail.com : raju019 :
গুণীজনের দিকনির্দেশনায় আলোকিত সমাজ গড়তে চায়: প্রধানমন্ত্রী - ডিবিসি জার্নাল২৪
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দুর্গাপুরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে মাছচাষ, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দিনমজুরের করুন মৃত্যু! দুপুরের মধ্যে ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা দুর্গাপুরে ‎স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ শীর্ষক সেমিনার বাঘার সার্বিক উন্নয়নে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জমি নিয়ে বিরোধে আদিবাসী পরিবারের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ দুর্গাপুরে সেই শিশু ধর্ষণ ঘটনায় মামলা নিলেও এজাহারে অসঙ্গতি, আলামত নষ্ট করতেই কালক্ষেপণ জাতীয় মঞ্চে লড়বে বাঘার শাহদৌলা সরকারি কলেজের স্বপ্নবাজ তিন শিক্ষার্থী দুর্গাপুর পৌর বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বাগমারায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘায় বিদ্যালয়ে নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি আবু সাঈদ চাঁদ

গুণীজনের দিকনির্দেশনায় আলোকিত সমাজ গড়তে চায়: প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট করা হয়েছে বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫৬ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুণীজনদের দিকনির্দেশনায় একটি সমৃদ্ধ, নৈতিক ও আলোকিত সমাজ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন, রাষ্ট্রে কৃতি মানুষের সংখ্যা যত বাড়বে, সমাজ তত বেশি আলোকিত ও সমৃদ্ধ হবে। রাষ্ট্র তার নিজের প্রয়োজনে এবং উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জ্ঞানী ও গুণী ব্যক্তিদের সম্মানিত করে।

তিনি উল্লেখ করেন, রাজনীতিবিদরা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকলেও প্রকৃত দিকনির্দেশকরা হলেন গুণীজনরা, যারা সমাজকে সমৃদ্ধ ও সৃজনশীল করে। ভাষা আন্দোলন ১৯৫২ থেকে বর্তমান বাংলাদেশ পর্যন্ত দেশের প্রতিটি ঐতিহাসিক অর্জনে বিজ্ঞজনদের অবদান অনস্বীকার্য। একুশে আমাদের অবিনাশী চেতনা এবং স্বাধিকার অর্জনের প্রতীক। সরকার আশা করে, দেশের গুণীজনদের দিকনির্দেশনা দ্বারা একটি উদার ও মানবিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানটিতে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রসত্তা ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান এই তিনটি ঐতিহাসিক আলোকধারায় নির্মিত, ২১ শিখিয়েছে অস্তিত্ব, ৭১ শিখিয়েছে মর্যাদা, জুলাই শিখিয়েছে রাষ্ট্রকে ন্যায় ও জবাবদিহিতার আলোয় পুনর্গঠন করা। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম বলেন, একুশে পদক কেবল পুরস্কার নয়, এটি আদর্শ ও দায়বদ্ধতার স্মারক এবং প্রধানমন্ত্রী তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের মানবিক রাষ্ট্র গঠনের প্রেরণা প্রদান করছেন।

সংস্কৃতি সচিব মো. মফিদুর রহমান জানান, ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নয়জন গুণীজনকে পদক দিয়ে এই যাত্রা শুরু করেছিলেন, ১৯৭৬ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত মোট ৬০৫ ব্যক্তি ও ৯ প্রতিষ্ঠান একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন। ২০২৬ সালের একুশে পদকপ্রাপ্তরা হলেন অভিনয় ক্যাটাগরিতে ফরিদা আক্তার ববিতা, চারুকলায় অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সাত্তার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম, সংগীতে মরণোত্তর আইয়ুব বাচ্চু, নৃত্যে অর্থী আহমেদ, নাট্যগানে ইসলাম উদ্দিন পালাকার, সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষাক্ষেত্রে অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার, ভাস্কর্যে তেজস হালদার জস এবং সংগীতাঙ্গনে অবদানের জন্য ব্যান্ড ওয়ারফেজ। পদকের সঙ্গে প্রদান করা হয় স্বর্ণপদক, সম্মাননা সনদ এবং নির্দিষ্ট অর্থ।

শিক্ষা, শিল্পকলা, সমাজসেবা ও গবেষণার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখা ব্যক্তিদের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানটি মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গণির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয় এবং মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, কূটনীতিক, সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST