1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. info239@noreply0.com : jerome6977 :
  4. modlraju58@gmail.com : raju019 :
কুষ্টিয়া যুগ্ম জেলা ও দায়রাজজ আদালতের বিচার কার্যক্রম স্থবির - ডিবিসি জার্নাল২৪
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দুর্গাপুরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে মাছচাষ, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দিনমজুরের করুন মৃত্যু! দুপুরের মধ্যে ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা দুর্গাপুরে ‎স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ শীর্ষক সেমিনার বাঘার সার্বিক উন্নয়নে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জমি নিয়ে বিরোধে আদিবাসী পরিবারের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ দুর্গাপুরে সেই শিশু ধর্ষণ ঘটনায় মামলা নিলেও এজাহারে অসঙ্গতি, আলামত নষ্ট করতেই কালক্ষেপণ জাতীয় মঞ্চে লড়বে বাঘার শাহদৌলা সরকারি কলেজের স্বপ্নবাজ তিন শিক্ষার্থী দুর্গাপুর পৌর বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বাগমারায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘায় বিদ্যালয়ে নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি আবু সাঈদ চাঁদ

কুষ্টিয়া যুগ্ম জেলা ও দায়রাজজ আদালতের বিচার কার্যক্রম স্থবির

  • আপডেট করা হয়েছে বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট, ২০২২
  • ৬৭২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কুষ্টিয়া যুগ্ম জেলা ও দায়রাজজ ৩য় আদালতের বিচার কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। ফলে বিচার প্রার্থীদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। এদিকে আদালতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মচারী না থাকায় বিচার কার্যক্রম চালানো যাচ্ছেনা বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে ওই আদালতের পেশকার সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়। ফলে আদালতে পেশকার পদ শুন্য হয়। অন্যদিকে স্টেনো কাম টাইপিস্ট কিছুদিন আগে পদোন্নতি পেয়ে অন্য আদালতে সেরেস্তাদার পদে যোগদান করেছেন। ফলে এই পদটিও শুন্য হয়। বর্তমানে ওই দুটি পদে কোন কর্মচারী না থাকায় বিচার কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এর ফলে বিচার প্রার্থীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দূর-দুরান্ত থেকে আদালতে আসা বিচার প্রার্থী সাধারণ মানুষজন বিচার না পেয়ে আদালতের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলছেন।

ওই আদালতে চলমান একটি মামলার সাক্ষী আবুল কাশেম জানান, তিনি সাক্ষীসহ প্রতিটি ধার্য্য তারিখে আদালতে উপস্থিত হন। কিন্তু পেশকার না থাকায় এজলাসে মামলার নথি ছিলোনা। তাই তার সাক্ষীদের সাক্ষ্য নেওয়া হয়নি। এভাবে কয়েকটি ধার্য্য তারিখ তিনি আদালতের বারান্দায় হন্য হয়ে ঘুরছেন। এতে করে তাঁর মামলার বিচারকাজ যেমন বিলম্বিত হচ্ছে অন্যদিকে আর্থিকভাবে চরমভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন তিনি।

প্রায় ৬ মাস ধরে এই অবস্থা চলতে থাকলেও ওই আদালতের বিচারকাজ তরান্বিত করতে নেয়া হয়নি কোনো উদ্যোগ। সাধারণ মানুষের হয়রানি লাঘব ও বিচারকাজ দ্রুত নিষ্পত্তি করতে ওই আদালতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মচারী নিয়োগ বা পদায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিচার প্রার্থীরা।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST