1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. info239@noreply0.com : jerome6977 :
  4. modlraju58@gmail.com : raju019 :
কুষ্টিয়ায় ব্রিজ থেকে দুই শিশুকে নদীতে ফেলে দিয়ে হত্যার দায়ে বাবার যাবজ্জীবন - ডিবিসি জার্নাল২৪
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দুর্গাপুরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে মাছচাষ, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দিনমজুরের করুন মৃত্যু! দুপুরের মধ্যে ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা দুর্গাপুরে ‎স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ শীর্ষক সেমিনার বাঘার সার্বিক উন্নয়নে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জমি নিয়ে বিরোধে আদিবাসী পরিবারের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ দুর্গাপুরে সেই শিশু ধর্ষণ ঘটনায় মামলা নিলেও এজাহারে অসঙ্গতি, আলামত নষ্ট করতেই কালক্ষেপণ জাতীয় মঞ্চে লড়বে বাঘার শাহদৌলা সরকারি কলেজের স্বপ্নবাজ তিন শিক্ষার্থী দুর্গাপুর পৌর বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বাগমারায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘায় বিদ্যালয়ে নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি আবু সাঈদ চাঁদ

কুষ্টিয়ায় ব্রিজ থেকে দুই শিশুকে নদীতে ফেলে দিয়ে হত্যার দায়ে বাবার যাবজ্জীবন

  • আপডেট করা হয়েছে বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩৫২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার লালন শাহ ব্রিজের উপর থেকে মুন্নী খাতুন (১০) এবং মুনসুর (৫) নামে দুই শিশু সন্তানকে পদ্মা নদীতে ফেলে দিয়ে হত্যার দায়ে বাবা আব্দুল মালেককে (৪২) যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তার ২৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেন আদালত । আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মোঃ রেজাউল করিম আসামীর উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষনা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত হলেন- ভেড়ামারা উপজেলার বাহির চর ১২ দাগ এলাকার আঃ সামাদের ছেলে আব্দুল মালেক।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের আগষ্টের ১৭ তারিখে সকালের দিকে মুন্নী খাতুন (১০) এবং মুনসুর (৫) নামে দুই শিশু সন্তানকে ভেড়ামারা ফেরীঘাট এলাকায় সেলুনে চুল কাটানোর কথা বলে বাড়ী থেকে নিয়ে যায় তার বাবা আব্দুল মালেক। এরপর ঈশ্বরদী গামী একটি নছিমন গাড়ীতে উঠে লালন শাহ সেতুর মাঝখানে শিশু সন্তানদেরকে নামায় এবং প্রথমে মেয়ে শিশু মুন্নী খাতুন, পরে ছেলে মুনসুর কে পদ্মা নদীতে ফেলে দিয়ে হত্যা করেন। এ বিষয়ে ঘটনার পরেদিন শিশু সন্তানদের মা মমতাজ খাতুন বাদী হয়ে অভিযুক্ত তার স্বামীর বিরুদ্ধে ভেড়ামারা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারী মাসে মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা ভেড়ামারা থানার পুলিশ পরিদর্শক রিয়াজুল ইসলাম আসামীর বিরুদ্ধে অভিযুক্ত করে চার্জশীট দাখিল করেন আদালতে। স্বাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আজ আদালত এ রায় ঘোষনা করেন।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST