1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. info239@noreply0.com : jerome6977 :
  4. modlraju58@gmail.com : raju019 :
সংস্কারের অভাবে চারঘাটের আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরগুলো বেহাল, বাসিন্দাদের দুর্ভোগ - ডিবিসি জার্নাল২৪
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৯:০২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দুর্গাপুরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে মাছচাষ, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দিনমজুরের করুন মৃত্যু! দুপুরের মধ্যে ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা দুর্গাপুরে ‎স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ শীর্ষক সেমিনার বাঘার সার্বিক উন্নয়নে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জমি নিয়ে বিরোধে আদিবাসী পরিবারের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ দুর্গাপুরে সেই শিশু ধর্ষণ ঘটনায় মামলা নিলেও এজাহারে অসঙ্গতি, আলামত নষ্ট করতেই কালক্ষেপণ জাতীয় মঞ্চে লড়বে বাঘার শাহদৌলা সরকারি কলেজের স্বপ্নবাজ তিন শিক্ষার্থী দুর্গাপুর পৌর বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বাগমারায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘায় বিদ্যালয়ে নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি আবু সাঈদ চাঁদ

সংস্কারের অভাবে চারঘাটের আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরগুলো বেহাল, বাসিন্দাদের দুর্ভোগ

  • আপডেট করা হয়েছে বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ১১৪ বার পড়া হয়েছে

 নজরুল ইসলাম বাচ্চু, চারঘাট : চারঘাট উপজেলার আশ্রয়ন প্রকল্পের অধিকাংশ ঘর সংস্কারের অভাবে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বেহাল ও জরাজীর্ন এই ঘরগুলোতে বসবাস করতে গিয়ে দরিদ্র পরিবারের মানুষরা দৈনন্দিন জীবনে বড় ধরনের দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। অভিযোগ উঠেছে, ঘরগুলো নির্মাণের পর থেকে কোনো সংস্কার করা হয়নি। ফলে টিনশেড ঘরগুলোর দেয়াল, ছাদ, দরজা-জানালা ভেঙে গেছে বা মরিচা ধরে গেছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই ঘরে পানি ঢুকে ক্ষতি করছে প্রায় দেড় শতাধিক ভুমিহীন পরিবারকে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফরহাদ লতিফ জানান, চারঘাটে একটি পৌরসভা ও ছয়টি ইউনিয়নে আশ্রয়ন প্রকল্পের প্রায় ৮৫০টি ঘর রয়েছে। অধিকাংশ ঘরের বয়স ২৫-৩০ বছর। পুরাতন টিনশেড ঘরগুলোতে বেড়া ও ছাউনি টিন ব্যবহার করা হয়েছিল, তাই কিছু ঘরের টিন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তিনি জানান, এই ঘরগুলোর সংস্কার মূলত ঘরমালিকের দায়িত্ব।

সরে-জমিনে গিয়ে দেখা গেছে, শলুয়া ইউনিয়নের আবাসন-১, আবাসন-২ ও হলিদাগাছি প্রকল্পে প্রায় ৫০৪টি ঘর রয়েছে। এর মধ্যে আবাসন-১ ও ২ এর প্রায় ১৪০টি ঘর বসবাসের অনুপযোগী। বিভিন্ন সময়ে আগুনে প্রায় ৪৫টি ঘর সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে। বৃষ্টির সময় ঘরে থাকা নিত্যপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ভিজে যাচ্ছে। কেউ কেউ ইট বা কাগজ দিয়ে বৃষ্টি আটকানোর চেষ্টা করছেন, আবার অনেকে প্রতিবেশিদের ঘরে আশ্রয় নিচ্ছেন।

আবাসন-১ এর মারজিনা বলেন, ঘর পেয়েছি ঠিকই, কিন্তু সংস্কার না হওয়ায় এখানে থাকা সম্ভব নয়। চালের টিন নষ্ট, বৃষ্টি হলেই পানি ঢুকে কাপড়সহ সব কিছু ভিজে যায়। আবাসন-২ এর সাধারণ সম্পাদক স্বপন জানান, পুড়ে যাওয়া ঘরগুলো মেরামতের জন্য উপজেলা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও এখনো কোনো ব্যবস্থা হয়নি।

হলিদাগাছি আশ্রয়ন প্রকল্পের সভাপতি জলি বলেন, প্রায় ৫০টি ঘর আগুনে পুড়ে গেছে এবং ১১০টি ঘর ব্যবহারের অনুপযোগী। সরকারী বরাদ্দ না থাকায় উপকারভোগীরা সব সুবিধা থেকে বঞ্চিত। কর্মসংস্থানের অভাবে প্রায় ১০০টি পরিবার ঋণগ্রস্ত হয়ে অন্যত্র চলে গেছে। এছাড়া নিরাপদ পানি, ছেলে-মেয়েদের শিক্ষা ও কমিউনিটি ক্লিনিকে ডাক্তার সংকট রয়েছে। তিনি বলেন, এসব ব্যবস্থা করলে উপকারভোগীরা স্বাচ্ছন্দে বসবাস করতে পারবেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নতুল ফেরদৌস জানান, আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরগুলোর সমস্যার বিষয়ে তারা অবগত আছেন এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘরগুলো সংস্কার করা হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST