1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. dbcjournal24@gmail.com : ডিবিসি জার্নাল ২৪ : ডিবিসি জার্নাল ২৪
শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভূয়া পুলিশ নিয়োগের মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে ১০ জনের সাঁজা দুর্গাপুর পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চান কৃষকলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম আজ বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস রাজশাহীর ক্রীড়াঙ্গনকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে- রাসিক মেয়র লিটন পৃথিবীর গতি বাড়ছে, ২৪ ঘণ্টার আগেই শেষ হচ্ছে দিন! তথ্য বিজ্ঞানীদের ৫০ যাত্রী নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার বিমান নিখোঁজ রাজশাহীতে দুর্ঘটনার কবলে প্রশিক্ষণ বিমান ধর্ষক দিহানের বাড়ি রাজশাহীর দুর্গাপুরে ! চারঘাটে আধিপত্য বিস্তার করতে মাইকিং করে সংঘর্ষে নিহত ১, আটক ২ বাগমারায় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

মাস্ক পরে বিয়ের পিঁড়িতে বর-কনে

  • আপডেট করা হয়েছে বুধবার, ২০ মে, ২০২০
  • ৪৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক: মহামারি করোনা ভাইরাসের দাপটে বিপর্যস্ত পুরো দুনিয়ার মানুষ। তবুও লকডাউনের মধ্যেই বিয়ের পিঁড়িতে বর-কনে মাস্ক পরে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সারলেন। বর-কনে থেকে শুরু করে পুরোহিত সকলের মুখেই মাস্ক ছিল। বিয়েতে যে কয় জন আত্মীয়স্বজন আসলেন তাদের মুখেও ছিল মাস্ক। ভারতের বারাসতে ঘটেছে এই বিয়ের ঘটনা।

লকডাউনের বাজারে শেষমেশ চার হাত এক করতে পেরে মুখে যেন বিশ্বজয়ের হাসি বর সঞ্জয় দাসের। খুশি নববধূ শ্যামাশ্রীও। জানা যায়, লকডাউনের কারণে পরপর দুই বার বিয়ের ডেট বাতিল করতে হয়েছিল। এভাবে চললে যে ছাদনাতলায় যাওয়াই হবে না! মনে যেন এমনই ভয় ধরেছিল সঞ্জয়ের। অথচ পাত্র হিসেবে সঞ্জয় দাস মোটেই ফেলনা নন। বারাসতে নিজস্ব বাড়ি আছে। বিএসএনএলে চাকরি করেন। তাই লকডাউনের চতুর্থ পর্বে বজ্র আঁটুনি একটু হালকা হবে ধরে নিয়ে আগেই পাত্রীকে শেওড়াফুলির বাড়ি থেকে নিয়ে এসেছিলেন। স্কুটিতে চাপিয়ে নিয়ে এসেছিলেন হবু শাশুড়িকেও। তারপর সকলকে নিজের ফ্ল্যাটে সাত দিন রেখে ১৮ তারিখ শুভদিন দেখে বিয়েটা সেরে ফেললেন সঞ্জয় দাস।

গত ১৭ এপ্রিল প্রথমে বিয়ের দিন স্থির হয়েছিল। কার্ড ছাপানো থেকে নিমন্ত্রণ সবই হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বাধ সাধল লকডাউন। এপ্রিলের বিয়ে বাতিল হল। খোঁজ নিয়ে দেখা গেল, ৮ মে আরো একটি বিয়ের তারিখ রয়েছে। এবার সেই দিন বিয়ে ঠিক হল। সকলেই নিশ্চিত ছিলেন তার আগে লকডাউন উঠে যাবে। ভাইয়ের বিয়েতে যোগ দিতে হরিয়ানা সরকার থেকে বিশেষ অনুমতি নিয়ে গাড়িতে দেড় হাজার কিলোমিটার পাড়ি দেন সঞ্জয়ের ভাই বিজয় দাস। কিন্তু সে যাত্রায় বিয়েটা করা যায়নি। আবার খোঁজ পড়ে বিয়ের তারিখের। এবার দেখা যায়, ১৮ মে বিয়ের তারিখ রয়েছে। কিন্তু সরকারের ভাবগতিক দেখে সঞ্জয়ের সন্দেহ ছিল ১৮ মে-র মধ্যেও লকডাউন উঠবে না। তবে কড়াকড়ি অনেক শিথিল হতে পারে। কিন্তু বিয়ের দিনেই যদি কোনো ঝামেলা হয় ? কে জানে যদি ১৮ তারিখ শেওড়াফুলি থেকে বারাসতে পাত্রীপক্ষ পৌঁছাতে না পারে? তাই কোনো ঝুঁকি নেননি। হবু বউকে দিন সাতেক আগেই নিয়ে চলে আসেন বারাসতে।

বিয়ের পর সঞ্জয় দাস জানান, আমার বিয়ে নিয়ে কম ঝামেলা পোহাতে হল না। পরিবার থেকে বন্ধুবান্ধব সকলেই চেয়েছিলেন যে বিয়েটা ধুমধাম করে হোক। কিন্তু কী আর করা যাবে। শেষমেশ যে বিয়েটা হয়েছে, এটাই তো অনেক। আমার বউ শ্যামাশ্রীও খুব উৎকণ্ঠার মধ্যে ছিল। বিয়েটা সারতে পেরে আমরা এবার নিশ্চিত হতে পেরেছি। সূত্র: এই সময়।

শেয়ার করুন

কমেন্ট করুন

আরো সংবাদ পড়ুন