1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. dbcjournal24@gmail.com : ডিবিসি জার্নাল ২৪ : ডিবিসি জার্নাল ২৪
ভারত বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু: প্রধানমন্ত্রী - ডিবিসি জার্নাল২৪
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দলীয় প্রার্থী হিসাবে মনোনিত হওয়ায় পিন্টুকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিয়েছে বাঘা পৌর বাসী কেশরহাটে কৃষকদলের লিফলেট বিতরন এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ লাখ ৬৯ হাজার ৬০২ জন দুর্গাপুরে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপজেলা সমাবেশ-২০২২ উদযাপন দুর্গাপুর পৌর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন নাটোরে বিভিন্ন দাবীতে ইটভাটা মলিকদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান “বাগমারা উপজেলায় অবৈধভাবে চলছে অসংখ্য ইটভাটা” পুঠিয়ার মোল্লাপাড়ায় মদিনা ইটের ভাটায় কয়লার পরিবর্তে কাঠের খড়ি দিয়ে ইট পোড়ানোর অভিযোগ পরিসংখ্যানে কে এগিয়ে, জার্মানি নাকি স্পেন মাদক নির্মূলে বিয়ের আগে ডোপ টেস্ট চান ডেপুটি স্পিকার

Categories

ভারত বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু: প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট করা হয়েছে রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে

ডিবিসি নিউজ ডেস্কঃ ভারত বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনালকে (এএনআই)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ভারত সফর যাচ্ছেন শেখ হাসিনা। ৫-৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চার দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরে বিভিন্ন ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হবে। প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন এই ভারত সফরকে সামনে রেখে সাক্ষাৎকারটি নিয়েছে এএনআই।

সাক্ষাৎকারে প্রধামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় তাদের অবদানের কথা সবসময় স্মরণ করি। এমনকি ১৯৭৫ সালে যখন আমার পরিবারের সব সদস্যকে হারালাম, তখন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী (ইন্দিরা গান্ধী) আমাদেরকে ভারতে আশ্রয় দিয়েছিলেন। তাছাড়া আমরা ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী এবং আমি সবসময় আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বকে গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার দেই।’

তিস্তার পানি বণ্টন সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যে, এটি এখনও ঝুলে আছে। ভারত থেকে আমাদের এখানে পানি আসে, তাই তাদের আরও উদারতা দেখাতে হবে। এতে উভয় দেশই লাভবান হবে। পানির অভাবে কখনও কখনও আমাদের জনগণও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে তিস্তায় পানি না পেয়ে আমরা ফসল রোপণ করতে পারিনি। আরও নানা সংকট তৈরি হয়েছে। ফলে এই বিষয়টির একটি সমাধান হওয়া উচিত। আমরা দেখেছি, এই সংকটের সমাধানে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহ রয়েছে। তবে সমস্যাটি আপনাদের দেশেই। আশা করি এর সমাধান হবে এবং সেটি হওয়া উচিত।

ভারত ও চীনের সঙ্গে সম্পর্কে ভারসাম্য রাখা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্রনীতি অত্যন্ত পরিষ্কার। সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়। আমার বাবা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘে জোরালোভাবে এটা বলেছিলেন। আমরা তার আদর্শ অনুসরণ করি। আমাদের উচিৎ জনগণকে নিয়ে কাজ করা। তাদেরকে কীভাবে আরও ভালো একটি জীবন উপহার দেওয়া যায়, তাদের জীবনমান কীভাবে আরও ভালো করা যায়।’

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পূর্ব ইউরোপে আটকে পড়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগের প্রশংসা করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আমি সত্যিই প্রধানমন্ত্রীকে (নরেন্দ্র মোদি) ধন্যবাদ জানাতে চাই যে, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে এই যুদ্ধের সময় আমাদের অনেক শিক্ষার্থী আটকে পড়েছিল। তারা আশ্রয়ের জন্য পোল্যান্ডে গিয়েছিল। কিন্তু ভারতীয় শিক্ষার্থীদের সরিয়ে নেওয়ার সময় আপনি তাদেরও নিয়ে এসেছিলেন। শিক্ষার্থীরা বাড়ি ফিরেছে। আপনি স্পষ্টতই বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করেছেন। এই উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।’

শেখ হাসিনা বলেছেন, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশের জন্য ‘বড় বোঝা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে তার সরকার। এই সমস্যা সমাধানে প্রতিবেশী ভারত মুখ্য ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া লক্ষাধিক রোহিঙ্গা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তার ভাষায়, ‘রোহিঙ্গারা আমাদের জন্য একটি বড় বোঝা। ভারত বড় একটি দেশ, সেখানে থাকার জায়গা অনেক হলেও কিন্তু দেশটিতে খুব বেশি রোহিঙ্গা নেই। আর আমাদের দেশে তাদের সংখ্যা ১১ লাখ। এই সমস্যাটি আপনারা মিটমাট করতে পারেন। আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে যাচ্ছি। তাদেরও কিছু করণীয় আছে, যেন রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফিরতে পারে। বাংলাদেশ সরকার মানবিক দিক বিবেচনা করে লাখ লাখ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দেখভাল করছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু মানবিক কারণে তাদের আশ্রয় দিয়েছি। সব ধরনের সহায়তা দিয়েছি। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে করোনা মহামারীর সময়ে টিকার আওতায় এনেছি। কিন্তু তারা আর কতদিন এখানে থাকবে? তারা এখন ক্যাম্পে অবস্থান করছে। আমাদের পরিবেশকে বিপজ্জনক করে তুলছে। রোহিঙ্গাদের কিছু অংশ মাদকপাচার, অস্ত্র ব্যবসা, নারী পাচারসহ নানা ধরনের সহিংসতায় জড়িয়ে পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। তারা যত দ্রুত নিজ দেশে ফিরবে, আমাদের ও মিয়ানমারের জন্য তত মঙ্গল হবে। আমাদের দিক থেকে যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। তাদের প্রত্যাবাসনে আসিয়ান, ইউএনওসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। এক্ষেত্রে ভারত বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে।’

শেয়ার করুন

কমেন্ট করুন

আরো সংবাদ পড়ুন