1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. dbcjournal24@gmail.com : ডিবিসি জার্নাল ২৪ : ডিবিসি জার্নাল ২৪
রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন

বাগমারায় স্বামী-স্ত্রীর করোনা পজেটিভ, স্ত্রীকে রেখে পালালেন স্বামী

  • আপডেট করা হয়েছে শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২০
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

বাগমারা সংবাদদাতা: বাগমারায় করোনা ভাইরাস আক্রান্তের বাড়ি লকডাউন করতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েছেন উপজেলা প্রশাসন। করোনা পজেটিভ জানতে পেরে স্ত্রীকে ফেলে দুই দিন পূর্বেই কর্মস্থল ঢাকার গাজিপুরে পালিয়ে গেছেন স্বামী। স্ত্রী ও তাদের সংস্পর্শে আসা শিশু সন্তান সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে রেখেছে প্রশাসন। একই সঙ্গে আক্রান্তদের বাড়িসহ চারিপাশের চারটি বাড়ি লকডাউন করেছে উপজেলা প্রশাসন। সেই সঙ্গে ওই সকল বাড়ির লোকজনকে ঘর থেকে বের না হওয়ার জন্য ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের সর্ব সময়ে খোঁজ খবর রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার শুভডাঙ্গা ইউনিয়নের কৌউড় গ্রামের আহাদ আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৫) তার স্ত্রীসহ গাজিপুর জেলার কোনাবাড়িয়ায় পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। ঈদের কয়েক দিন পূর্বে সাইফুল ইসলাম তার স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে নিয়ে নিজ বাড়ি কৌউড় গ্রামে আসেন। সাইফুল ইসলাম ঈদের দাওয়াত খাইতে স্ত্রী, সন্তানসহ গত সোমবার (১ জুন) শ্বশুর বাড়ি একই উপজেলার গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের করখন্ড গ্রামে যান। সেখানে তাদের চলাফিরা লোকজন মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য রাজশাহী ল্যাবে পাঠানো হয়।

নমুনা পরীক্ষা তাদের দুইজনের মধ্যে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। গত বুধবার (৩ জুন) রাতে তাদের প্রতিবেদনটি রাজশাহী থেকে বাগমারা উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরিফ আহম্মেদ করখন্ড এলাকায় যান এবং কোভিড আক্রান্তের বাড়িসহ আশেপাশের বাড়ি গুলো লকডাউন করেন। করোনা সংক্রমক গৃহবধুর সংর্স্পশে আসায় তার শ্বাশুড়ি ও ছেলেকে আইসোলেশনে নেয়া হয়। করোনা ভাইরাসে দুইজন আক্রান্ত হলেও জানেন না উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: গোলাম রাব্বানী। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিজন কুমার সরকার বলেন, ঢাকা থেকে ফিরার কথা শুনার পর পরই তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছিল। গোপনে স্বামী সাইফুল ইসলাম পালিয়ে আবারো চাকরীতে চলে গেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরিফ আহম্মেদ বলেন, বিষয়টি জানার সাথে সাথে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। স্বামী ঢাকায় চাকরী যাওয়ায় তাকে পাওয়া যায়নি। বাড়ি গুলো লকডাউন করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য বর্তমানে বাগমারায় ৭ জনের মধ্যে করোনা ভাইরাস উপসর্গ লক্ষ করা গেছে। এদের মধ্যে ৩ জন সুস্থ হয়েছে বলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানা গেছে।

শেয়ার করুন

কমেন্ট করুন

আরো সংবাদ পড়ুন