1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. dbcjournal24@gmail.com : ডিবিসি জার্নাল ২৪ : ডিবিসি জার্নাল ২৪
বাগমারাকে বদলে দেয়ার রুপকার ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এমপি - ডিবিসি জার্নাল২৪
সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
তথ্য উদঘাটনে সাংবাদিকদের বাধা দেয়া যাবে না- হাইকোর্ট রাজশাহীতে শেখ কামাল আন্তঃস্কুল ও মাদ্রাসা এ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক জোরদার হচ্ছে: সফরে আসছে প্রতিনিধি দল প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সিডিসি নেত্রীবৃন্দকে রাসিক মেয়রের ফুলেল শুভেচ্ছা বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীতে ভাষা আন্দোলন বিএনপির উদ্দেশ্যেই ছিলো তারেক রহমানকে প্রতিষ্ঠা করা দেশ গঠনে সর্বক্ষেত্রে নারীদের চমৎকার উত্থান ঘটেছে: রাসিক মেয়র লিটন রাবিতে চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিনকে নিয়ে পাঁচদিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনী শুরু রাষ্ট্রপতি পত্নীর সাথে রাসিক মেয়রের সৌজন্য সাক্ষাত কৃষকলীগের ভারপ্রাপ্ত প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বাদশা

Categories

বাগমারাকে বদলে দেয়ার রুপকার ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এমপি

  • আপডেট করা হয়েছে বুধবার, ৩ আগস্ট, ২০২২
  • ১২৩ বার পড়া হয়েছে

বাগমারা প্রতিনিধি

ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী জেলার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত বাগমারা উপজেলা। ১৬টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত বিশাল উপজেলা বাগমারায় প্রায় চার লক্ষাধিক লোকের বাস। বাংলার বার ভূঁইয়ার স্মৃতি বিজড়িত জনপদটি ধমর্ীয় কারণেও তাৎপর্য বহন করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গা উৎসবের আদি স্থান হিসাবে। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনেও রয়েছে এ জনপদের রক্তাক্ত অবদান। ১৯৮৩ সালে বৃহত্তর এই জনপদটি উপজেলার মর্যাদা পেলেও দীর্ঘদিন উন্নয়নের ছোঁয়া ব িত রয়ে যায়। বিএনপি ও জামায়াত জোট সরকারের ৫ বছরের দুঃশাসনে বাগমারায় উত্থান ঘটে কথিত মধ্যযুগীয় ‘বাংলা’ ভাইয়ের যা বাগমারা কে একটি রক্তাক্ত ও সন্ত্রাসীর জনপদ হিসাবে পরিচিতি দান করে। বিগত ৯ম জাতীয় সংসদ নিবার্চনে ইঞ্জনিয়ার এনামুল হক সংসদ সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার পর বাগমারার মানুয়ের আশা-আকাংখার লালিত স্বপ্ন-একটি সমৃদ্ধ ও বাসযোগ্য ‘বাগমারা বিনিমার্ণে’ কাজ করে চলেছেন।

বিগত সাড়ে বারো বছরে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায়, ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এমপি নিরলস প্রচেষ্টা ও বাগমারাবাসীর সহযোগিতায় বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচী যেমন রাস্তাঘাট নিমার্ণ, বিদ্যুতায়ণ, শিক্ষা, ধমর্ীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং জনগণের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাকরণ সহ সার্বিক উন্নয়ন কর্মকান্ড সাধিত করেছেন। সম্মিলিত ও সার্বিক প্রচেষ্টায় বাগমারা আজ তার রক্তাক্ত অতীত ছাপিয়ে শিক্ষা ও শান্তির জনপদে পরিণত হয়েছে। এর মাধ্যমে বাগমারা জাতীয় পযার্য়ে উন্নয়নের রোল মডেলের স্বীকৃতি পেয়েছে।

দেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার সংগ্রামে বাগমারার রয়েছে গৌরবময় অবদান। জোট সরকারের স্বাধীনতা বিরোধী কর্মকান্ডের ফলে স্বাধীনতার চেতনা অনেকটাই ম্লান হতে চলেছিল। এ উপলব্ধি থেকে বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি, আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শন সহ স্বাধীনতার ইতিহাসকে ভবিষ্যত প্রজন্মের নিকট সঠিক ভাবে তুলে ধরা সহ জাতির জনকের অবদানকে স্মৃতিতে অম্লান করে ধরে রাখতে সাংসদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে বাগমারা উপজেলা সদর ভবানীগঞ্জে ছয়তলা বিশিষ্ট বঙ্গবন্ধু স্মৃতি কমপ্লেক্স নিমার্ণ করা হয়েছে। এতে রয়েছে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘর ও উপজেলা আওয়ামী লীগের অফিস। কমপ্লেক্সটি ইতিমধ্যে দেশের বুদ্ধিজীবী মহল সহ সর্বস্তরের জনগণ কতর্ৃক ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পদচারনায় মুখরিত হয়েছে।

বর্তমান সরকারের আমলে বাগমারায় শিক্ষার মান উন্নয়ন ও বিস্তারে ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষার প্রসারে নতুন নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্পন্ন হয়েছে। ভবানীগঞ্জ কলেজকে সরকারী করণ ও তাহেরপুর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ এবং সালেহা ইমারত কলেজ, বাগমারা কলেজ ও নাসিরগঞ্জ কলেজ ডিগ্রি পযার্য়ে উন্নীতকরণ, বালানগর ফাজিল মাদ্রাসাকে কামিল পযার্য়ে উন্নীতকরণ সহ ০৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। উপজেলায় ৪৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন, দশটি মাদ্রাসা ভবন, ২৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নিমার্ণ ও ৩১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংস্কার কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। এছাড়া, ১০৮টি রেজিষ্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করা হয়েছে।

তৃণমূল পযার্য়ে তথ্য ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসারে মাধ্যমিক শিক্ষাস্তরে ‘ডিজিটালাইজেশন’ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় উপজেলায় একটি দ্বিতল বিশিষ্ট আইসিটি ভবন (ডিজিটাল ট্রেনিং ও রিসোর্স সেন্টার) নিমার্ণ করা হয়েছে। প্রযুক্তিগত শিক্ষায় গতি আনতে ১৭টি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া, শিক্ষা প্রণোদনা কর্মসূচী যেমন বৃত্তি ও উপবৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে দরিদ্র ও অবহেলিত শিশুদের বিদ্যালয়মূখী করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়িত হচ্ছে। বাগমারার সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় উপজেলায় বর্তমানে প্রাথমিক পর্যায়ে ১০০ ভাগ এবং মাধ্যমিক পযার্য়ে ৯৫% ছাত্র/ছাত্রী বিদ্যালয়গামী হয়েছে এবং উপজেলার শিক্ষার হার জেলার স্েবার্চ্চ ৮০ ভাগ এ দাঁড়িয়েছে। শিক্ষকমন্ডলী ও অভিভাবকদের যৌথ প্রচেষ্টায় শিক্ষা খাতে এ সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে।

বাগমারায় শিক্ষার সম্প্রসারণ ও জনকল্যাণে ২০০৬ সালে একান্ত নিজ উদ্যোগে সালেহা ইমারত ফাউন্ডেশন স্থাপন করেন সাংসদের ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান হিসাবে। দৃষ্টিহীনদের চিকিৎসা ছাড়াও মেধাবীদের শিক্ষা বৃত্তি প্রদান এবং সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে এ ফাউন্ডেশনটি মানব সেবামূলক কর্মকান্ড অব্যাহত রেখেছে। সালেহা ইমারত ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে প্রতিবছর এসএসসি ও এইচএসসি শিক্ষাথর্ীদের বৃত্তি প্রদান ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের ফলাফলের ভিত্তিতে সম্বর্ধনা আয়োজনের মাধ্যমে পুরস্কৃত করা, শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিবার্চন ও পুরস্কৃত করার মাধ্যমে শিক্ষাক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি ও গুনগত মান বৃদ্ধিতে ভূমিকা পালন করছে। এছাড়া, বছরব্যাপী শিক্ষকমন্ডলী ও অভিভাবকদের সাথে আলোচনা ও মূল্যায়ন সভা সহ বিভিন্ন পযার্য়ে সেমিনার/সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করা হয়। সালেহা ইমারত ফাউন্ডেশন এ পর্যন্ত ২০ হাজার রোগীকে বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা প্রদান করেছে।

বাগমারা উপজেলাকে একটি ডিজিটাল মডেল উপজেলায় রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে কাজ চলছে। বাগমারায় ইতিমধ্যে একটি অত্যাধুনিক উপজেলা কমপ্লেক্স ও ১৪টি ইউনিয়ন কমপ্লেক্স নিমার্ণ করা হয়েছে এবং আরও ২টি নতুন ইউনিয়ন কমপ্লেক্স নিমার্ণ প্রক্রিয়াধীন। সকল ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার চালুর ফলে গ্রামের কৃষক, মজুর, চাকুরীজীবী সহ সবার জন্য দেশে-বিদেশের সাথে তথ্য আদান-প্রদান সহ সার্বিক যোগাযোগ অনেক সহজতর হয়েছে। উল্লেখ্য, শিক্ষা ও সামাজিক সেবার ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে সরকারের রূপকল্প-২০৪১ অর্জনের লক্ষ্য দ্রুত এগিয়ে চলেছে ডিজিটাল বাংলাদেশ।

দেশের তৃণমূল পযার্য়ে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেওয়া জননেত্রী

কমেন্ট করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST