1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. modlraju58@gmail.com : raju019 :
দুর্গাপুরে বাড়িতে ঠাঁই না পেয়ে স্ত্রীসহ করোনায় আক্রান্ত যুবকের আমবাগানে রাত্রিযাপন, পাশে দাঁড়ালো পুলিশ - ডিবিসি জার্নাল২৪
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দুর্গাপুরে ৪০০ লিটার তেল নিয়ে দিনভর এসিল্যান্ড-পুলিশের তেলেসমাতি! হদিস নেই ২০ লিটার পেট্রোলের বানেশ্বরে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীনবরণ অনুষ্ঠান দুর্গাপুরে সুদের টাকা আদায় করতে এক ব্যক্তিকে কু’পি’য়ে য’খ’ম রাজশাহীর সিল্ক শিল্পে প্রাণ ফেরানোর বড় পরিকল্পনা বাঘায় বিক্রেতার ওয়ারিশের বিরুদ্ধে বাড়ি ঘরে হা’ম’লা-মামলা দিয়ে বিক্রি করা জমি দ’খ’লের চেষ্টা পুঠিয়ায় অবৈধ তেল মজুতের দায়ে জরিমানা ফেনী সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযানে চোরাই পণ্যসহ সিএনজি অটোরিকশা জব্দ ছাত্রদল নেতার মৎস্য খামারে বিষ ঢেলে পাঁচ লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন কার্যকারিতা হারাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি হওয়া ১৬টি অধ্যাদেশ রাজশাহীতে এক মাসেও কাটেনি জ্বালানি সংকট দীর্ঘ লাইনে চরম ভোগান্তি

দুর্গাপুরে বাড়িতে ঠাঁই না পেয়ে স্ত্রীসহ করোনায় আক্রান্ত যুবকের আমবাগানে রাত্রিযাপন, পাশে দাঁড়ালো পুলিশ

  • আপডেট করা হয়েছে বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন, ২০২১
  • ৮০১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় স্ত্রী সহ ভাড়া বাড়ি ছেড়ে বাবার বাসায় যান সোহরাব আলী (৩৫)। বাবার বাড়ি গিয়েও ঘটে বিপত্তি। বাবা বাড়িতে ঠাঁই না দিয়ে সোহরাব আলী ও তার স্ত্রীকে তাড়িয়ে দেন। পরে স্ত্রী সহ বাড়ির পাশের একটি আমবাগানে খোলা জায়গায় টিনের ছাপরা ঘরে কোনো রকমে থাকার জায়গা হয় তাদের। দুইদিন অতিবাহিত হওয়ার পর ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে দুর্গাপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে করোনা আক্রান্ত সোহরাব আলী ও তার স্ত্রীকে আমবাগান থেকে উদ্ধার করে বাবার বাড়িতেই একটি কক্ষে হোম কোয়ারান্টাইনে রাখার ব্যবস্থা করেন। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার আলীপুর গ্রামে। ওই গ্রামের সোনারপাড়ার খয়বর আলীর পুত্র সোহরাব আলী। সোহরাব আলীর শরীরে করোনা ভাইরাস ধরা পড়লেও তার স্ত্রীর শরীরে করোনা ভাইরাস সংক্রামিত হয়নি। তারপরও একসাথে থাকার সিদ্ধান্ত নেন তারা।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মানিক আলী জানান, সোহরাব আলী পেশায় অটো মেকানিক্স। দুই স্ত্রীর মধ্যে ছোট স্ত্রীকে নিয়ে আলীপুর বাজারের পাশেই একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন সোহরাব আলী। বড় স্ত্রীর সন্তান সন্ততি থাকলেও ছোট স্ত্রী ছিলেন নিঃসন্তান। হঠাৎ সর্দি জ্বর হওয়া গত মঙ্গলবার উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে নমূনা পরীক্ষার পর সোহরাবের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে।

ইউপি সদস্য মানিক আলী আরও বলেন, শরীরে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ হওয়ার পর সোহরাব আলী ভাড়া বাড়ি ছেড়ে গ্রামের মধ্যে বাবা খয়বর আলীর বাড়িতে থাকার জন্য যান। কিন্তু বাবা খয়বর আলী, সোহরাবের মা ও তার বড় স্ত্রী তাদের বাড়িতে জায়গা দেননি। বাধ্য হয়ে ছোট স্ত্রীকে নিয়ে বাবার বাড়ির পাশের একটি আমবাগানে টিনের ছাপরা ঘরের নিচে মাথা গোঁজার ঠাঁই হয় তাদের। দুইদিন অতিবাহিত হওয়ার পর বিষয়টি হটলাইন ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সোহরাব আলীকে স্ত্রী সহ উদ্ধার করে বাবা খয়বর আলীর বাড়ির একটি কক্ষে হোম কোয়ারান্টাইনে রাখার ব্যবস্থা করেন। এছাড়া বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হলে সেখান থেকে কিছু খাদ্য সামগ্রী সহায়তা দেয়া হয় সোহরাব আলীকে।

দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাশমত আলী জানান, ৯৯৯ হটলাইনে ফোন পেয়ে সেখানে পুলিশ ফোর্স পাঠিয়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সোহরাব আলীকে স্ত্রী সহ উদ্ধার করে সোহরাবের বাবার বাড়িতে হোম কোয়ারান্টাইন নিশ্চিত করা হয়েছে। তার শরীর কিছুটা সুস্থ রয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করছেন। এমনকি সার্বক্ষণিক তাদের খোঁজ খবর রাখা হচ্ছে। এছাড়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুই সপ্তাহের শুকনো খাবার দেয়া হয় তাদের।

ওসি আরও বলেন, করোনাকালীন এই মহামারীর সময় এমন অমানবিক ঘটনা যেন কোথাও না ঘটে সে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হচ্ছে। এছাড়া সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে এবং সবাইকে সচেতন করতে মাঠে কাজ করছে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনী।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST