1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. info239@noreply0.com : jerome6977 :
  4. modlraju58@gmail.com : raju019 :
দুর্গাপুরের সেই সোহাগ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৪.২৮ পেয়েছে - ডিবিসি জার্নাল২৪
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দুর্গাপুরে মোটরে পানির লাইন দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দিনমজুরের মৃত্যু দুপুরের মধ্যে ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা দুর্গাপুরে ‎স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ শীর্ষক সেমিনার বাঘার সার্বিক উন্নয়নে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জমি নিয়ে বিরোধে আদিবাসী পরিবারের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ দুর্গাপুরে সেই শিশু ধর্ষণ ঘটনায় মামলা নিলেও এজাহারে অসঙ্গতি, আলামত নষ্ট করতেই কালক্ষেপণ জাতীয় মঞ্চে লড়বে বাঘার শাহদৌলা সরকারি কলেজের স্বপ্নবাজ তিন শিক্ষার্থী দুর্গাপুর পৌর বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বাগমারায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘায় বিদ্যালয়ে নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি আবু সাঈদ চাঁদ

দুর্গাপুরের সেই সোহাগ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৪.২৮ পেয়েছে

  • আপডেট করা হয়েছে সোমবার, ১ জুন, ২০২০
  • ৮০৯ বার পড়া হয়েছে

দুর্গাপুর প্রতিনিধি: রাজশাহীর দূর্গাপুর উপজেলার কয়ামাজমপুর গ্রামের  সেই সোহাগ এবারের এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞাণ বিভাগ থেকে ৪.২৮ পয়েন্ট পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। কিন্তু তার এই ফলাফল সে দেখে যেতে পারেনি। গত ২৮ মে সন্ধ্যায় রাতে মারা যায় সে। একই সাথে একই দিনে তার মা ফিরোজা বেগমও মারা যায়।

সোহেলের বাবা আব্দুল কুদ্দুস পেশায় একজন চা বিক্রেতা। তিনি জানান, তার ছেলে সোহাগ অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলো। কয়ামাজমপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল সোহাগ। অনেক শখ করে ছেলেকে মোবাইল ফোন কিনে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এই মোবাইল ফোনই যে কাল হয়ে দাঁড়াবে তা তিনি কখনোই কল্পনা করেননি।

গত রোববার প্রকাশিত হয় এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফলাফলের কপি হাতে পেয়েই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। ছেলের পাশের খবরটি বাবা আব্দুল কুদ্দুসের কাছে পৌছালে তিনিও কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। একদিকে ছেলের পাশের খবর অন্যদিকে স্ত্রী ও ছেলেকে হারানোর শোক যেন জগদ্দল পাথরের মতো বুকে বিধেছে আব্দুল কুদ্দুসের বুকে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ মে সন্ধ্যায় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে সোহাগের পকেটে থাকা মোবাইল ফোন পড়ে যায় টয়লেটের সেফটিক ট্যাংকে। পরে ওই ফোনটি তুলতে সেফটিক ট্যাংকে নামে সোহাগ। এ সময় বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সেফটিক ট্যাংকের ভিতরেই জ্ঞান হারায় সোহাগ। বিষয়টি বুঝতে পেরে সোহাগের মা ফিরোজা বেগমও ছেলেকে উদ্ধার করতে নেমে পড়েন সেফটিক ট্যাংকের ভিতরে। ছেলের মতো তিনিও বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে জ্ঞাণ হারান। পরে স্থানীয় লোকজন মা ছেলেকে মৃত অবস্থায় সেফটিক ট্যাংকের ভিতর থেকে উদ্ধার করেন।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST