1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. dbcjournal24@gmail.com : ডিবিসি জার্নাল ২৪ : ডিবিসি জার্নাল ২৪
শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভূয়া পুলিশ নিয়োগের মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে ১০ জনের সাঁজা দুর্গাপুর পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চান কৃষকলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম আজ বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস রাজশাহীর ক্রীড়াঙ্গনকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে- রাসিক মেয়র লিটন পৃথিবীর গতি বাড়ছে, ২৪ ঘণ্টার আগেই শেষ হচ্ছে দিন! তথ্য বিজ্ঞানীদের ৫০ যাত্রী নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার বিমান নিখোঁজ রাজশাহীতে দুর্ঘটনার কবলে প্রশিক্ষণ বিমান ধর্ষক দিহানের বাড়ি রাজশাহীর দুর্গাপুরে ! চারঘাটে আধিপত্য বিস্তার করতে মাইকিং করে সংঘর্ষে নিহত ১, আটক ২ বাগমারায় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

দুর্গাপুরের সেই সোহাগ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৪.২৮ পেয়েছে

  • আপডেট করা হয়েছে সোমবার, ১ জুন, ২০২০
  • ১৭৭ বার পড়া হয়েছে

দুর্গাপুর প্রতিনিধি: রাজশাহীর দূর্গাপুর উপজেলার কয়ামাজমপুর গ্রামের  সেই সোহাগ এবারের এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞাণ বিভাগ থেকে ৪.২৮ পয়েন্ট পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। কিন্তু তার এই ফলাফল সে দেখে যেতে পারেনি। গত ২৮ মে সন্ধ্যায় রাতে মারা যায় সে। একই সাথে একই দিনে তার মা ফিরোজা বেগমও মারা যায়।

সোহেলের বাবা আব্দুল কুদ্দুস পেশায় একজন চা বিক্রেতা। তিনি জানান, তার ছেলে সোহাগ অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলো। কয়ামাজমপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল সোহাগ। অনেক শখ করে ছেলেকে মোবাইল ফোন কিনে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এই মোবাইল ফোনই যে কাল হয়ে দাঁড়াবে তা তিনি কখনোই কল্পনা করেননি।

গত রোববার প্রকাশিত হয় এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফলাফলের কপি হাতে পেয়েই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। ছেলের পাশের খবরটি বাবা আব্দুল কুদ্দুসের কাছে পৌছালে তিনিও কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। একদিকে ছেলের পাশের খবর অন্যদিকে স্ত্রী ও ছেলেকে হারানোর শোক যেন জগদ্দল পাথরের মতো বুকে বিধেছে আব্দুল কুদ্দুসের বুকে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ মে সন্ধ্যায় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে সোহাগের পকেটে থাকা মোবাইল ফোন পড়ে যায় টয়লেটের সেফটিক ট্যাংকে। পরে ওই ফোনটি তুলতে সেফটিক ট্যাংকে নামে সোহাগ। এ সময় বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সেফটিক ট্যাংকের ভিতরেই জ্ঞান হারায় সোহাগ। বিষয়টি বুঝতে পেরে সোহাগের মা ফিরোজা বেগমও ছেলেকে উদ্ধার করতে নেমে পড়েন সেফটিক ট্যাংকের ভিতরে। ছেলের মতো তিনিও বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে জ্ঞাণ হারান। পরে স্থানীয় লোকজন মা ছেলেকে মৃত অবস্থায় সেফটিক ট্যাংকের ভিতর থেকে উদ্ধার করেন।

শেয়ার করুন

কমেন্ট করুন

আরো সংবাদ পড়ুন