
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিনের এপিএস (ব্যাক্তিগত সহকারী) পরিচয় দিয়ে ফোনে টাকা দাবি করা হয় রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক প্রদ্যুত কুমার সরকারের কাছে। আধাঘণ্টার মধ্যে ৬০ হাজার টাকা পাঠিয়ে দেন প্রদ্যুত কুমার। পরে জানতে পারেন প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়েছেন প্রদ্যুত কুমার। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি সপ্তাহ খানেক আগে ঘটলেও রহস্যজনক কারনে ধামাচাপা দেয়া হয়।
সূত্রে জানা গেছে, একটি প্রজেক্ট পাস করে দেয়ার জন্য গোপনে তদবির করছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক প্রদ্যুত কুমার। সপ্তাহ খানেক আগে প্রতারক চক্রের সদস্যরা রাজশাহী-৩ আসনের এমপি আয়েন উদ্দিনের ব্যাক্তিগত সহকারী পরিচয় দিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক প্রদ্যুত কুমারের কাছে ফোন দেন। একটি প্রজেক্ট পাস করে দেয়ার নাম করে জরুরি ভাবে ৯০ হাজার টাকা দাবি করেন। ফোন পেয়ে প্রদ্যুত কুমার দুর্গাপুর সদরের একজন বিকাশের এজেন্টের কাছে গিয়ে পৃথক ৩টি নম্বরে ৬০ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেন। পরে বুঝতে পারেন তিনি প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়েছেন। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে কাউকে কিছু জানাননি প্রদ্যুত কুমার।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক প্রদ্যুত কুমার সরকার ব্যস্ততার অজুহাত দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।