1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. modlraju58@gmail.com : raju019 :
প্রতিটি জেলার আইনশৃঙ্খলা বৈঠকে একজন ধর্মীয় প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তির ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর - ডিবিসি জার্নাল২৪
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ইউরিয়া সার আমদানিতে দরপত্রে আগ্রহ নেই সরবরাহকারীদের, বিসিআইসি’র দাবি জাহাজ মিলছেনা! মহান মে দিবসে রাজশাহীতে বিক্রয় প্রতিনিধি সমবায়ের র‍্যালি নারী সার্জেন্টের সাথে প্রতারণার অভিযোগ, ওসি মাহবুবের বিরুদ্ধে! নেপথ্যের কি? রাজশাহীতে তেল নিতে লাইনে, হিটস্ট্রোকে বৃদ্ধের মৃত্যু বাঘায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত বাঘায় সড়ক সংস্কারসহ বিভিন্ন দাবিতে মানববন্ধন মালিক সমিতির দ্বন্দ্বে রাজশাহী-ঢাকা বাস চলাচল বন্ধ রাজশাহীতে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ২ বানেশ্বরে ‘ভোক্তা অধিকার’-এর নামে হয়রানি! ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন দুর্গাপুরে ৪০০ লিটার তেল নিয়ে দিনভর এসিল্যান্ড-পুলিশের তেলেসমাতি! হদিস নেই ২০ লিটার পেট্রোলের

প্রতিটি জেলার আইনশৃঙ্খলা বৈঠকে একজন ধর্মীয় প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তির ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

  • আপডেট করা হয়েছে শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৮৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কেউ মসজিদ কিংবা যার যার ধর্মীয় উপাসনালয়ে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজেদের বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে চাইলে তা বাস্তবায়নে সরকার সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। প্রতিটি জেলার আইনশৃঙ্খলা বৈঠকে একজন ইমাম খতিব বা ধর্মীয় প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের মাঝে সম্মনী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, খাদেম ও মন্দিরের পুরোহিতসহ বিভিন্ন স্কলার ও ধর্ম গুরুরা অংশ নেন।

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আজ সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসেছি, এক কাতারে রয়েছি। এটিই আমাদের আবহমানকালের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ। কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ-বিরোধ সৃষ্টি করতে না পারে। মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ কিংবা খ্রিষ্টান, বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী কিংবা সংশয়বাদী, আমরা সবাই মিলে ভালো থাকবো। সবার জন্য গড়ে তুলবো একটি নিরাপদ রাষ্ট্র ও সমাজ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষ তথা প্রতিটি নাগরিকের আর্থিক-সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবে। তবে নাগরিকদেরও কিন্তু রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি কিছু দায়-দায়িত্ব রয়েছে।

নাগরিক হিসেবে যে যার অবস্থান থেকে রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারলে আশা করি, আগামী ১০ বছরের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে আমরা একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ দেখতে পারবো।

ধর্মীয় নেতাদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, দুনিয়ার কল্যাণের পাশাপাশি আখেরাতের কল্যাণের জন্য প্রার্থনার কথা পবিত্র কোরআনে রয়েছে। ইহকালীন ও পরকালীন কল্যাণ বিষয়ক নির্দেশনা নিঃসন্দেহে অন্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় বিধিবিধান অনুযায়ীও নির্দেশিত রয়েছে। তাই ধর্মীয় বিধিবিধানের আলোকেই আপনারা আপনাদের শিক্ষা-দীক্ষা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাকে কীভাবে আরও বেশি করে দেশ এবং জনগণের কল্যাণে কাজে লাগাতে পারেন, সেই চিন্তা এবং চেষ্টা অব্যাহত রাখাও জরুরি।

তিনি বলেন, অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ রাষ্ট্র মানুষের জীবনে হয়তো আর্থিক স্বাচ্ছন্দ নিশ্চিত করে। কিন্তু ধৈর্য্য, সততা, কৃতজ্ঞতাবোধ, শ্রদ্ধা, আনুগত্য, সংহতি, সহনশীলতা, উদারতা, বন্ধুত্ব, বিনয়, দায় কিংবা দয়া এই সমস্ত বৈশিষ্ট অর্জন ছাড়া একজন ব্যক্তি মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন হয়ে উঠতে পারে না। এ ধরনের মানবিক বৈশিষ্টগুলো অর্জনের জন্য ধর্মীয় ও সামাজিক নৈতিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হওয়া জরুরি বলে আমি মনে করি।

তিনি আরও বলেন, আমার বিশ্বাস, রাষ্ট্র-সমাজ এবং পরিবেশ-প্রতিবেশ থেকে অর্জিত আচরণ থেকেই মানুষ তার শুদ্ধ জীবন এবং সুস্থ চিন্তার মানসিক নির্দেশনা পায়।

হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যার আমানতদারি নেই, যার কাছে নিরাপত্তা নেই, সে প্রকৃত ইমানদার নয়। যার ওয়াদা ঠিক নেই, তার কোনও ধর্মই নেই। প্রতিহিংসা এবং সহিংসতামুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণে ক্ষেত্রে ধর্মের এই উদারনৈতিক শিক্ষণীয় বক্তব্যগুলো অতুলনীয়। আমার বিশ্বাস, একটি নৈতিকতা সমৃদ্ধ মানবসমাজ গঠনের জন্য প্রতিটি ধর্মেই এ ধরণের ইতিবাচক বার্তা রয়েছে। একটি ধর্মীয় সামাজিক নৈতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ মানসিকতা তৈরির ক্ষেত্রে আপনাদের মতো ধর্মীয় জ্ঞান সম্পন্ন মানুষদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মসজিদ রয়েছে। আমরা সারা দেশের এই মসজিদগুলোকে ধর্মীয় সামাজিক এবং নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে পারি। স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের সরকারের সময় দেশে প্রথমবারের মতো ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি চালু করেছিলেন।

১৯৯৩ সালে বেগম খালেদা জিয়া সরকারের সময় দেশে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়। বর্তমান সরকারও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের একটি নির্দিষ্ট হারে সম্মানী ভাতা প্রদানের পাশাপাশি আপনাদের যোগ্যতাকে আরও কীভাবে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে কাজে লাগানো যায় সেই পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।

খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা দেওয়ার যে কর্মসূচি সরকার চালু করেছে, এই কর্মসূচির অধীনে প্রথম পর্যায়ে পাইলটিং স্কিমের আওতায় মোট ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারের মোট ১৬ হাজার ৯৯২ জন মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন। সবাইকেই পর্যায়ক্রমে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সরকারের এসব অর্থনৈতিক কর্মসূচি উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো নাগরিকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST