1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. modlraju58@gmail.com : raju019 :
দূর্গাপুজার আদি উৎপত্তিস্থল তাহেরপুর গোবিন্দ মাতার মন্দির পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক - ডিবিসি জার্নাল২৪
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
আগামীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে থাকবে না পোস্টার, সম্ভাব্য প্রার্থীরা ধোঁয়াশায়! বাঘায় ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়ায় পরিবার নিয়ে গোডাউনে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে ভ’ক্তভুগি এক পরিবার রাজশাহীতে ১৬ মে শুরু হচ্ছে বিভাগীয় পর্যায়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’, চলছে প্রস্তুতি চারঘাট প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা রাঙ্গা’র ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল চারঘাটে পুকুর খননের জোয়ারে বদলে যাচ্ছে প্রকৃতি, বাড়ছে উদ্বেগ পুঠিয়ায় সড়কে প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর, আগুনে পুড়ল দুই ডাম্প ট্রাক আরএমপি’র সাবেক ওসি মাহবুব আলমের বিষয়ে তদন্ত শুরু, বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য! বাঘায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবলের ফাইনাল সম্পন্ন বর্তমান সরকার তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর- তথ্যমন্ত্রী স্বপন রাজশাহীতে যৌন নিপীড়নের মামলায় সাংবাদিক রাব্বানী কারাগারে

দূর্গাপুজার আদি উৎপত্তিস্থল তাহেরপুর গোবিন্দ মাতার মন্দির পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

  • আপডেট করা হয়েছে মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর, ২০২২
  • ৩২১ বার পড়া হয়েছে

মোস্তাফিজুর রহমান জীবন, রাজশাহী

চলছে শারদীয় দুর্গোৎসব, কিন্ত এই দুর্গাপূজা পালিত হবার আদি ইতিহাস অনেকেই জানেনা। এমনকি হিন্দু ধর্মের লোকজনও জানেনা কবে, কোথায়,কখন থেকে শুরু হয় দুর্গাপূজ?
মহাষষ্ঠীর সকালে ঢাকি সুকেশ স্যানাল ঢাকে কাঠির বাড়ি দিয়েই যাচ্ছেন। পূজার জোগালি কানাই হালদার, আর পুরোহিত গোপাল চক্রবর্তী এটা-ওটা গোছাতে ভীষণ ব্যন্ত। কথা বলতে চাইলে করজোড় করে পুরোহিত বললেন, ‘এখন পারব না যে দাদা। ষষ্ঠী কল্পরাম্ভের বেলা বয়ে যাচ্ছে। এখনই পুজো করতে হবে।’

যে মণ্ডপ নিয়ে কথা, সেটির নাম শ্রীশ্রী গোবিন্দ ও দুর্গামাতা মন্দির। রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার তাহেরপুরে এই মন্দির। এটি এখন বাগমারার একটি পৌর এলাকা। রাজশাহী জেলা সদর থেকে ৪৮ কিলোমিটার দূরের এই তাহেরপুরের আদিনাম ছিল ‘তাহিরপুর’। আজ থেকে ৫৪০ বছর আগে এখান থেকেই সর্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসবের শুরু বলে ধারণা করা হয়। সে আমলে রাজা কংস নারায়ণ রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা খরচ করে রাজবাড়িতে ওই আয়োজন করেছিলেন। এখনকার আমলে ওই টাকার পরিমাণ ৩০০ কোটিরও বেশি। একবার দুর্গোৎসবের আয়োজনে কোনো মম্যাপে টাকা খরচ আর হয়েছে বলে জানা যায়নি। সম্রাট আকবরের আমলে বাংলার ‘বারো ভূঁইয়া’-এর এক ভূঁইয়া রাজা কংসনারায়ণ রায় ব্যয় করেছিলেন এ অর্থ।

মহাসমারোহে হলো দুর্গোৎসব। ষোলো শতকের সে উৎসবে ব্যয় হয় প্রায় সাড়ে ৮ লাখ, মতান্তরে ৯ লাখ টাকা। বিরাট ওই উৎসব হয়েছিল রামরামা গ্রামের দুর্গামন্দিরে। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে দেখে গেল এই উৎসব। রাজা কংসনারায়ণের প্রপৌত্র (চতুর্থ পুরুষ) লক্ষ্মী নারায়ণের সময় সুবেদার শাহ সুজার সৈন্যদল বারণই নদের পূর্ব তীরে রামরামা গ্রামের রাজা কংসনারায়ণের প্রসাদটি ধ্বংস করে দেয়।

বুধবার সন্ধ্যা ৭ টার সময় শ্রী শ্রী গোবিন্দ মাতার মন্দির পরিদর্শন আসেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার। এসময়ে অতিথি দের ফুলের ডালা দিয়ে বরন করে নেওয়া হয়।
মন্দির পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন,
রাজশাহী জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল, পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন, বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদা খানম, দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল রানা, বাগমারা উপজেলার ভূমি কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, তাহেরপুর পৌরসভা’র মেয়র অধ্যক্ষ মোঃ আবুল কালাম আজাদ, বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম , দুর্গাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ নাজমুল ইসলাম, তাহেরপুর পুলিশ ফাঁড়ি আইসি জিলালুর রহমান সহ হিন্দু, বৌদ্ধ্য, খৃস্টান ঐক্য পরিষদের ব্যাক্তিগন সহ পুলিশ আনসার সদস্য প্রমুখ।।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST