1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. modlraju58@gmail.com : raju019 :
দুর্গাপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ - ডিবিসি জার্নাল২৪
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৪:১৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
আগামীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে থাকবে না পোস্টার, সম্ভাব্য প্রার্থীরা ধোঁয়াশায়! বাঘায় ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়ায় পরিবার নিয়ে গোডাউনে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে ভ’ক্তভুগি এক পরিবার রাজশাহীতে ১৬ মে শুরু হচ্ছে বিভাগীয় পর্যায়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’, চলছে প্রস্তুতি চারঘাট প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা রাঙ্গা’র ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল চারঘাটে পুকুর খননের জোয়ারে বদলে যাচ্ছে প্রকৃতি, বাড়ছে উদ্বেগ পুঠিয়ায় সড়কে প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর, আগুনে পুড়ল দুই ডাম্প ট্রাক আরএমপি’র সাবেক ওসি মাহবুব আলমের বিষয়ে তদন্ত শুরু, বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য! বাঘায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবলের ফাইনাল সম্পন্ন বর্তমান সরকার তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর- তথ্যমন্ত্রী স্বপন রাজশাহীতে যৌন নিপীড়নের মামলায় সাংবাদিক রাব্বানী কারাগারে

দুর্গাপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

  • আপডেট করা হয়েছে শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০২২
  • ৬০২ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার, দুর্গাপুর:

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার যোগীশো সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফাতেমা খাতুুন তুলির বিরুদ্ধে সরকারী নিয়ম-নীতি ভঙ্গ করে দুর্নীতি ও বিদ্যালয়ের প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মকবুল হোসেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার যোগীশো সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিজ নামীয় পালশা মৌজার আরএস খঃ ৭৫৭ দাগ নং-২১৪৭, আরএস খঃ ৯৭৬ দাগ নং-২১৪৮, আরএস খঃ ৯৭৬ দাগ নং-২১৪৯, মোট ৩৬ শতাংশ জমি আছে। প্রধান শিক্ষক ফাতেমা খাতুন তুলি নিজের ইচ্ছায় স্বজনপ্রীতি করে একটি ভুয়া কমিটি করে কমিটি গঠণ করে। কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন, রোজিনা, রুস্তম আলী ও আঃ কাদেরের সঙ্গে মিলে গোপনে বিদ্যালয়ের জমি লীজের মাধ্যমে ৫ টি দোকান ঘর বরাদ্দ দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়।

এরই প্রেক্ষিতে এলাকার লোকজনকে সাথে নিয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি মকবুল হোসেন প্রতিবাদ জানালে প্রধান শিক্ষক তার বিরুদ্ধে রাজশাহী জেলা জজ আদলতে ৫৮/৫৭ ধারায় মামলা করেন। পরে বিদ্যালয়ের জমি জমার কাগজপত্র দাখিল করলে মামলা খারিজ হয়ে যায়। পরবর্তীতে অত্র রায়ের বিরুদ্ধে পুনরায় জেলা জজ আদালতে ৩৭/২০নং ধারায় আপিল করেন যা এখন পযর্ন্ত আদালতে চলমান রয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মকবুল হোসেন জানান, আমি ২০১৭ সাল থেকে বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসাবে বিদ্যালয়ের জমি জমা খরিদ করা বা সরকারী অনুদানের কাজ গুলো সুষ্টভাবে পরিচালনা করে আসছি। এরই মধ্যে প্রধান শিক্ষক আমাকে না জানিয়ে গোপনে তার মতো করে স্বজনপ্রীতি করে একটি কমিটি গঠণ করে। কমিটির সদস্যদেরকে নিয়ে বিদ্যালয়ের জমি জমার টাকা এবং প্রকল্পের টাকা আত্মসাত করে আসছে। আমি এলাকার লোকজনকে সাথে নিয়ে প্রতিবাদ জানালে প্রধান শিক্ষক আমার বিরুদ্ধে রাজশাহী জেলা জজ আদলতে ৫৮/৫৭ ধারায় মামলা করেন। পরে বিদ্যালয়ের জমি জমার কাগজপত্র আমি আদালতে দাখিল করলে মামলা খারিজ হয়ে যায়। পরবর্তীতে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে পুনরায় জেলা জজ আদালতে ৩৭/২০নং ধারায় আপিল করেন যা এখন পযর্ন্ত চলমান রয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফাতেমা খাতুন তুলি জানান, সভাপতির অভিযোগ মিথ্যা ভিত্তিহীন। তিনি আমার বিরুদ্ধে মনগড়া তথ্য উপস্থাপন করে অভিযোগ করেছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST