
নিজস্ব প্রতিবেদক: মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, শিক্ষানগরী রাজশাহীকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা, নাগরিক সুবিধা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশের কারণে এ নগরী দেশের অন্যতম বাসযোগ্য শহরে পরিণত হয়েছে।বিনোদনমূলক সংবাদ পরিবেশন
শুক্রবার দুপুরে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) আয়োজিত রাজশাহী বিভাগে স্থাপিত ‘আইএসপিএবি-নিক্স আঞ্চলিক পপ’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।পজেটিভ বাংলাদেশ ফিচার
মন্ত্রী বলেন, অনেক আগে থেকেই রাজশাহী মহানগরকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে রাতের মধ্যেই ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়। ফলে মানুষ বুঝতেই পারে না কখন শহর পরিষ্কার হয়ে যায়। এছাড়া নগরীর পানির লাইনসহ বিভিন্ন অবকাঠামো পরিকল্পনার আওতায় নির্মাণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, রাজশাহীর মানুষ ভদ্র, নম্র ও শান্তিপ্রিয়। এ নগরে মানুষ নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে। মাঝে মধ্যে বিচ্ছিন্ন কিছু অপরাধ সংঘটিত হলেও অপরাধীরা দ্রুত আইনের আওতায় আসে।
বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের মানুষের কল্যাণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে এবং উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাহফুজুর রহমান রিটন। সভাপতিত্ব করেন আইএসপিএবির রাজশাহী অঞ্চলের সভাপতি শহিদুল ইসলাম।বিনোদনমূলক সংবাদ পরিবেশন
এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন-এর মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শফিউল আজম পারভেজ। স্বাগত বক্তব্য দেন ইন্টারনেট সোসাইটি বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ কাওছার উদ্দীন।পজেটিভ বাংলাদেশ ফিচার
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইএসপিএবির সভাপতি মোহাম্মদ আমিনুল হাকিম, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম ভূঁইয়া, সিনিয়র সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, তথ্যপ্রযুক্তি খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।
আয়োজকরা জানান, রাজশাহী বিভাগে নিক্স স্থাপনের ফলে এ অঞ্চলে ইন্টারনেট সেবার মান, গতি ও স্থিতিশীলতা আরও বাড়বে। স্থানীয়ভাবে ডাটা আদান-প্রদান সহজ হওয়ার পাশাপাশি কমবে লেটেন্সি। এতে ব্যবহারকারীরা আরও দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা পাবেন।
তারা আরও জানান, নিক্স চালুর মাধ্যমে স্থানীয় আইএসপিগুলোর মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং ব্যান্ডউইথ ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে। একই সঙ্গে অনলাইন শিক্ষা, ফ্রিল্যান্সিং, ই-গভর্ন্যান্স, ব্যবসা-বাণিজ্য ও ডিজিটাল সেবাখাতে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে।