
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড. রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, বিএনপি জামায়াতে ইসলামকে সমর্থন করেনি। শেখ মুজিবের সরকার জামায়াতকে নিষিদ্ধ করেছিলো।বিএনপি সরকারের সময়ে তারা এই দেশে রাজনীতি করার সুযোগ পায়। কিন্তু আমরা সব সময় দেখেছি এই দলটির অন্য কোনো বিষয় নাই, একটা চরিত্র আছে, সেটা হচ্ছে মুনাফেকি। একমাত্র মুনাফেকি ছাড়া এই দল আর কিছু করেনি।
বুধবার বিকেলে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার তাহেরপুর হাইস্কুল মাঠে শহীদ অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহেদ মন্ডলের স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহেদ মন্ডলের ২৩তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে তাহেরপুর পৌরসভা বিএনপি এ স্মরণ সভার আয়োজন করে।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ছাত্র জনতার এই যে রক্তঝরা আন্দোলন, যে আন্দোলনে আবু সাঈদ, মুগ্ধের মতো শত সহস্র যুবকের আত্মদানে শেখ হাসিনার মতো ভয়ঙ্কর দানবকে যখন দেশ থেকে বিতাড়িত করলো তার কয়েক দিন পর জামায়াত বলে বসলো আমরা আওয়ামী লীগের সব কিছু মাফ করে দিবো। তাহলে আবু সাঈদের রক্ত কিভাবে মাফ করবেন? মুগ্ধের রক্ত কিভাবে মাফ করবেন? আহনাফের রক্ত কিভাবে মাফ করবেন?
রিজভী আরও বলেন, যে ভারত এক ভয়ঙ্কর উদ্দেশ্য নিয়ে হাসিনাকে সমর্থন দিয়ে গেছে, এখনো সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে, সেই ভারত যদি জামায়াতের কাছে অত্যন্ত প্রিয় হয়ে যায় তাহলে এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক, অত্যন্ত দুঃখজনক।
রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, ইয়াবা চোরাচালানের সাথে জড়িত ছিলেন শেখ হাসিনা। শুধুমাত্র টাকা মারার জন্য পদ্মা সেতু ও মেট্রোরেল করেছেন শেখ হাসিনা। আদানীর কাছ থেকে বেশি দামে বিদ্যুৎ কেনার পিছনে ছিলো শেখ হাসিনার উৎকোচ নীতি।
তিনি বলেন, ভারত যা কিছু চেয়েছেন সবই দিয়েছে শেখ হাসিনা। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিক্রি করার চেষ্টা করছিলেন। কিন্ত ছাত্র জনতার ঐক্যবদ্ধতার কাছে হার মানতে বাধ্য হয়েছেন।
তাহেরপুর পৌরসভা বিএনপির সভাপতি সামসুর রহমান মিন্টুর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সাঈদ চাঁদ, মহানগর বিএনপির আহবায়ক এ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, সদস্য সচিব মামুন অর রশিদ মামুন, জেলার সদস্য সচিব বিশ্বনাথ সরকার, পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আবু বকর সিদ্দিক, ভবনীগঞ্জ পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।
স্মরণ সভা পরিচালনা করেন তাহেরপুর পৌরসভার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম বাবু। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি তোফাজ্জাল হোসেন তপু, বাগমারা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া, সদস্য সচিব কামাল হোসেন।







