এসময় তারা, ‘বিচার বিচার বিচার চাই, নোমানী হত্যার বিচার চাই’, ‘নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবার’, ‘শিবিরের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘আজকের এই দিনে, নোমানী তোমায় মনে পড়ে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
সমাবেশে রাবি শাখা শিবিরের সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, তারা আমাদের কর্মী, সাথী, সদস্যসহ অনেক দায়িত্বশীলকে হত্যা করার পরও ক্লান্ত হইনি, তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল তৎকালীন শিবিরের সেক্রেটারি নোমানি ভাইকেও হত্যা করেছিল। নোমানী ভাইকে হত্যার পর আমরা কি ক্লান্ত হয়ে গিয়েছি? আমরা ক্লান্ত হয়ে যাইনি। বরং আমরা তার থেকেও দ্বিগুণ মানুষের কাছে ইসলামের বাণী পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছি। যেই ছাত্রলীগ আমাদের নিষ্ক্রিয় করতে চেয়েছিল, তারাই আজকে নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছে।
এসময় রাবি শাখা শিবিরের সাবেক সভাপতি হাফেজ নুরুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ছাত্রলীগ, দেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্যই ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর ভারতের সাথে আঁতাত করে ক্ষমতায় আসে। বাংলাদেশকে অকার্যকর করার জন্য সর্বপ্রথম তারা ছাত্র শিবিরকে টার্গেট করে। যার বড় উদাহরণ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী নোমানী ভাইকে হত্যা। শুধু নোমানী নয়, এমন অসংখ্য ভাইকে তারা হত্যা করেছে। সেনাবাহিনীর ভাইদের, শাপলা চত্বরে ভাইদের, বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী শীর্ষ নেতাদের হত্যা করেছে। এর একটিরও এখন পর্যন্ত বিচার হয়নি। প্রশাসনকে বলে দিতে চাই, আপনারা বিচার না করে, আমাদের নিজেদের হাতে আইন তুলে নিতে বাধ্য করবেন না।
সমাবেশ সঞ্চালনা করেন রাবি শাখা শিবিরের সেক্রেটারি মুজাহিদ ফয়সাল। এ সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী মহানগরে প্রায় পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
