বাগমারা প্রতিনিধি : রাজশাহীর বাগমারায় নিখোঁজ হওয়ার এক দিন পর বারনই নদী থেকে নাজমুল হক (৩৫) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার হাসনিপুর এলাকার টাটা ইটভাটার নিচে নদী থেকে তাঁর মরদেহ ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
নাজমুল হক বাগমারার গণিপুর ইউনিয়নের হাসনিপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন। পরিবার জানায়, তিনি বুধবার বিকেলে বাজারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর আর ফিরে আসেননি। দিনভর খোঁজাখুঁজির পরও সন্ধান না মেলায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বেগে ছিলেন।
পরদিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় ইটভাটার কয়েকজন শ্রমিক নদীতে পা ধুতে গিয়ে ভাসমান অবস্থায় একটি লাশ দেখতে পান। চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরে নাজমুলের বাবা আফজাল হোসেন এসে লাশ শনাক্ত করেন।
নাজমুলের পরনে ছিল একটি জার্সি, হাতে ঘড়ি এবং প্যান্টের পকেটে একটি হেডফোন ছিল। তবে তাঁর মোবাইল ফোনটি পাওয়া যায়নি। শরীরে কোনো দৃশ্যমান আঘাতের চিহ্নও ছিল না।
নাজমুলের বাবা বলেন,“আমার ছেলে প্রতিদিনের মতো বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। কীভাবে তার এমন পরিণতি হলো কিছুই বুঝতে পারছি না।”
বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম জানান,“নদী থেকে লাশ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে একটি অপমৃত্যুর মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা এ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেছেন।