
নিউজ ডেস্ক
রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিবুল ইসলাম রানা ও সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন অমিকে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।
বুধবার (১৯ অক্টোবর) তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ বিন কাদের। তবে কী সুপারিশ করা হয়েছে সেই বিষয়ে কিছু বলতে পারেননি তিনি।
তবে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের একটি কপি হাতে এসেছে। সেখানে তদন্ত কমিটি উল্লেখ করেছে, ‘ছাত্রলীগ কর্তৃক গঠিত তদন্ত সব তথ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে
রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক যেসব কর্মকাণ্ডে জড়িত তা ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র ও আদর্শের সঙ্গে চরম মাত্রায় সাংঘর্ষিক। এ অবস্থায় রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট এদের দ্বারা পরিচালিত হলে সংঘটনের ভাবমূর্তি চরমভাবে বিনষ্ট হবে যা আমাদের তদন্তে উঠে এসেছে। সুতরাং তাদের স্থায়ী বহিষ্কারের জোর সুপারিশ করছি।’
এরআগে, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিবুল ইসলাম রানার বিরুদ্ধে এক নারী কর্মীর সঙ্গে অসদাচরণের একটি অডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এছাড়া সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ফেনসিডিল সেবনের অভিযোগ ওঠে।
দুটি ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। পরে ওই ঘটনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। সেখানে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের গণযোগাযোগ ও উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক শেখ শামীম তুর্য, উপ-আইনবিষয়ক সম্পাদক আপন দাস, সহ-সম্পাদক তানভীর আব্দুল্লাহকে রাখা হয়। তারা রাজশাহী এসে সরেজমিন ঘুরে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।
কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ-আইনবিষয়ক সম্পাদক আপন দাস বলেন, আমরা কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। এ বিষয়ে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
এ বিষয়ে জানতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিবুল ইসলাম রানার মোবাইলে একাধিরবার যোগাযোগ করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। তবে সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন অমি দাবি করেন, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না।
সূত্রঃ জাগো নিউজ