
তবে কোচিং সেন্টারের ছাত্রদের প্রতিরোধের মুখে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
নিজস্ব প্রতিবেদক: চাঁদা না দেওয়ায় রাজশাহী মহানগরীর কাদিরগঞ্জ এলাকায় মাসুদ রানা নামের ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতাকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে বোয়ালিয়া মডেল থানাধীন কাদিরগঞ্জের হাবিবা টাওয়ার এলাকার ‘মোকসেদ আলম ফিজিক্স কোচিং সেন্টারে’।
জানা গেছে, ওই কোচিং সেন্টারে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত মাসুদ রানা (২৮)। তার তিনি মান্দা উপজেলঅর পরানপুর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে। মাসুদ রানা মান্দার পরানপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তার ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দড়িখড়বোনা এলাকার বিএনপি সমর্থিত ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী মাইনুল ও সাজেদুর রহমান কোচিং সেন্টারে ঢুকে মাসুদ রানাকে টেনে হিঁচড়ে বের করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
এ সময় কোচিং সেন্টারের শিক্ষার্থীরা তাদের বাধা দিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে শিক্ষক মোকসেদ আলম এগিয়ে এলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এর কিছুক্ষণ পর ১৫ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম বিএনপি সমর্থিত আরও ১৫-২০ জনকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। তবে কোচিং সেন্টারের ছাত্রদের প্রতিরোধের মুখে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি মোস্তাক আহমেদ বলেন, উত্তেজনার খবর পেয়ে পুলিশসহ সেনাবাহিনীর একটি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনার পর ওই এলাকায় পুলিশের টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
মোকসেদ আলম বলেন, কিছু স্থানীয় যুবক চাঁদা দাবি করে আসছিল। সেটি দিতে রাজি না হওয়ায় তারা মাসুদ রানাকে ছাত্রলীগ নেতা বলে আখ্যা দিয়ে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় আমরা বাধা দিই এবং পুলিশকে জানায়। দ্রুত পুলিশ ও সেনা সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।