
হযরত শাহমখদুম (র.) দরগা এস্টেটের তত্ত্বাবধায়ক মুস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আয়োজিত জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি সভায় গত বুধবার এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। রাজশাহীর অন্যান্য ঈদগাগুলোর পরিচালনা কমিটি সুবিধামতো সময়ে জামাতের সময় নির্ধারণ করে মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচার করবে বলেও সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহীর অন্যান্য বড় ঈদ জামাতগুলোর মধ্যে নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে সকাল ৮টায় নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। নগরীর টিকাপাড়া ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৭টা ও সকাল ৮টায় দুটি জামাত হবে। রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় মাঠেও নামাজ হবে সকাল ৭টায়। ভাটাপাড়া ঈদ্গাহ ময়দানে সাড়ে ৭ টায় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের জামাতের জন্য এখন ঈদগাহ প্রস্তুতের কাজ চলছে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কল্যাণ চৌধুরী বলেন, ঈদগাহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবখানেই ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা লাগানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পুরোনো সিসি ক্যামেরাগুলো ঠিক আছে কিনা সেটিও দেখে নিতে বলা হয়েছে। ঈদের দিন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ঈদগাহগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন থাকবে।