1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. modlraju58@gmail.com : raju019 :
রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের পদ স্থগিত চায় ছাত্র অধিকার পরিষদ - ডিবিসি জার্নাল২৪
শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা বাঘায় ছাগলে ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের মারপিটে নারিসহ ২জন আহত নওগাঁয় অবৈধভাবে মজুদকৃত পেট্রোল-অকটেন জব্দ মান্দায় মরা গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ: ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানা বাঘায় ছাত্রদল নেতা শামীম সরকারে মানবিক উদ্যোগগুলো স্থানীয় পর্যায়ে প্রশংসিত হচ্ছে রামেকে মৃত ২৯ শিশুর কারোরই হাম শনাক্ত হয়নি: শিশু বিভাগের প্রধান রাজশাহীসহ পাঁচ সিটিতে এনসিপির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা মোহনপুর মৌপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস পালন না করায় উত্তেজনা, প্রতিষ্ঠান তালাবদ্ধ পাম্প থেকে পেট্রোল চোরাচালানি হয়ে যাচ্ছে : বিদ্যুৎমন্ত্রী শহীদ জিয়ার নাম না বলায় বিএনপির স্বাধীনতার অনুষ্ঠান বর্জন, ইউএনও বদলি

রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের পদ স্থগিত চায় ছাত্র অধিকার পরিষদ

  • আপডেট করা হয়েছে সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে রাকসু ভবনে জিএসের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

এক পর্যায়ে রাকসু ভবন থেকে বের হয়ে সংবাদ সম্মেলনে রাকসুর জিএসের নৈতিক স্খলনের অভিযোগ তুলে তার পদ স্থগিতের দাবি জানান শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মেহেদী মারুফ।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মেহেদী মারুফ তার ফেসবুক টাইমলাইনে একটি পোস্ট দেন।
সেখানে তিনি লেখেন, ‘রাকসু ফরজ কাজ বাদ দিয়ে নফল কাজেই বেশি মনোযোগী এবং পারদর্শী। নফল দিয়েই যদি বৈতরণী পার হওয়া যায়, তাহলে ফরজের আর দরকারটা কী!’ ওই পোস্টে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার মন্তব্য করেন, ‘চুলকানি শুরু? মলমের নাম নুরু’।
মেহেদী মারুফের অভিযোগ, আম্মারের এই মন্তব্যের মাধ্যমে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরকে ইঙ্গিত করে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়েছে। তবে জিএস আম্মারের দাবি, তিনি কেবল ছন্দ মেলানোর জন্য ‘নুরু’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে মেহেদী মারুফ বলেন, ‘সালাহউদ্দিন আম্মার ক্যাম্পাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর স্বাভাবিক সম্পর্ককে নষ্ট করেছে। ফেসবুকে যে ভাষা ব্যবহার করেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সরাসরি শিক্ষার্থীদের ভোটে নির্বাচিত একজন প্রতিনিধি হিসেবে তা লজ্জাজনক। সে নৈতিক স্খলন ঘটিয়েছে। আমরা রাকসুর সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে দাবি জানাবো, নৈতিক স্খলনের দায়ে তার জিএস পদ স্থগিত করা হোক।

এ বিষয়ে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘এই সিদ্ধান্তটা শিক্ষার্থীরা নেবে। আর আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এটা তাদের একটি রাজনৈতিক কৌশল। কেননা আমি ব্যক্তিগতভাবে তাদের নেতাকে কখনোই এত গুরুত্বপূর্ণ মনে করি না। এটা তাদের অ্যাটেনশন পাওয়ার একটা কৌশল।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST