নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর বাঘায় ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতার বাড়িতে বৃহস্পতিবার( ৩০ জুলাই )রাতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফি নেওয়াজ ওরফে অমল থান্দার এর আলাইপুর গ্ৰামের বাড়িতে ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ককটেল বিস্ফোরণ এর ঘটনা বলে প্রচার করা হলেও
ভুক্তভোগী অমল থান্দার বলেন, রাতে শুয়ে ছিলাম। "বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ির বাইরে লোকজন হঠাৎ গালাগালি করে।এর পরে পরপর চারটি বিকট শব্দ শুনতে পেলাম । শব্দ শুনে পাশের বাড়ির লোকজনও ছুটে আসে।"
তিনি বলেন, " ককটেলের শব্দ নাকি ফাঁকা গুলির শব্দ তা তিনি বুঝতে পারেন নি। ঘটনার পরপরই থানা পুলিশকে জানাই। পুলিশ রাতেই এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।"
এই ঘটনার জন্য তিনি "ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের" দায়ী করেন। তার ভাষ্য, "বাড়ির বাইরে বের হওয়ার আগেই দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। তাই কাউকে চিনতে পারিনি।"
পাশের বাড়ির বাসিন্দারাও রাতে কয়েকটি বিকট শব্দ শোনার কথা নিশ্চিত করেছেন।
এ ঘটনার প্রতিবাদে বাঘা উপজেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি বাবুল ইসলাম তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লেখেন, "আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনী দুইটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে এবং আগ্নেয় অস্ত্র দিয়ে ফাঁকা গুলি ছুঁড়েছে।"
তিনি এই "নারকীয় হামলার" তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
বাঘা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখরুল হাসান বাবলু বলেন, "বিএনপি নেতাকে ঘায়েল করে ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যেই দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।" তিনি জানান, এ বিষয়ে থানায় মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেরাজুল হক শুক্রবার( ৩১ জুলাই)বিকেল সোয়া ৩টায় বলেন, "সংবাদ পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
বিকেল সাড়ে পাঁচটায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছিল । ঘটনার পর এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।