1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. modlraju58@gmail.com : raju019 :
পুঠিয়া পৌরসভার মেয়র মামুনের বিরুদ্ধে ধর্ষনের মামলা - ডিবিসি জার্নাল২৪
মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ০৮:২৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চারঘাট প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা রাঙ্গা’র ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল চারঘাটে পুকুর খননের জোয়ারে বদলে যাচ্ছে প্রকৃতি, বাড়ছে উদ্বেগ পুঠিয়ায় সড়কে প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর, আগুনে পুড়ল দুই ডাম্প ট্রাক আরএমপি’র সাবেক ওসি মাহবুব আলমের বিষয়ে তদন্ত শুরু, বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য! বাঘায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবলের ফাইনাল সম্পন্ন বর্তমান সরকার তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর- তথ্যমন্ত্রী স্বপন রাজশাহীতে যৌন নিপীড়নের মামলায় সাংবাদিক রাব্বানী কারাগারে ইউরিয়া সার আমদানিতে দরপত্রে আগ্রহ নেই সরবরাহকারীদের, বিসিআইসি’র দাবি জাহাজ মিলছেনা! মহান মে দিবসে রাজশাহীতে বিক্রয় প্রতিনিধি সমবায়ের র‍্যালি নারী সার্জেন্টের সাথে প্রতারণার অভিযোগ, ওসি মাহবুবের বিরুদ্ধে! নেপথ্যের কি?

পুঠিয়া পৌরসভার মেয়র মামুনের বিরুদ্ধে ধর্ষনের মামলা

  • আপডেট করা হয়েছে সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩৩৩ বার পড়া হয়েছে

পুঠিয়া প্রতিনিধি : রাজশাহীর পুঠিয়ার পৌর মেয়র ও সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আল মামুন খানের বিরুদ্ধে আরও এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রবিবার রাতে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।

এদিকে থানা-পুলিশ ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে সোমবার দুপুরে রামেক হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠিয়েছেন। ঘটনার পর থেকে মেয়র আল মামুন পলাতক রয়েছেন। ভুক্তভোগী ওই নারী (২৪) পুঠিয়া সদর এলাকার একজন কাঠ ব্যবসায়ীর মেয়ে। অপরদিকে মেয়র আল মামুন গন্ডগোহালী গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে।

থানা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান মেয়র ওই নারীর সঙ্গে জোরপূর্বক একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী বাদী হয়ে রবিবার দিবাগত রাতে থানায় ধর্ষণের একটি অভিযোগ দেন। আর সোমবার সকালে অভিযোগটি মামলা ভুক্ত করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, এক বছর আগে পৌরসভায় একটি চাকরির জন্য মেয়রের কাছে গিয়েছিলাম। এরপর তিনি বিভিন্ন প্রলোভনে নিয়মিত ধর্ষণ করতেন। একপর্যায়ে তার এই অনৈতিক কাজে রাজি না হওয়ায় তিনি আমাকে বিয়ের প্রলোভনে আরও কয়েকবার ধর্ষণ করেন। সম্প্রতি মেয়র আর আমাকে চাকরি দেবে না ও বিয়ে করবে না বলে জানিয়ে দেয়। বিষয়টি প্রতিবাদ করায় তার সন্ত্রাসী বাহিনীর লোকজন আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। যার কারণে মেয়রের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

ওই নারী আরও বলেন, মেয়র একজন চরিত্রহীন ব্যক্তি। তিনি ক্ষমতার প্রভাব খাঁটিয়ে ও বিভিন্ন প্রলোভনে নিয়মিত বিভিন্ন নারীদের সঙ্গে অসামাজিক কাজ করে আসছে। তার বিরুদ্ধে আগেও থানায় ধর্ষণ মামলা হয়েছে।

এ ব্যাপারে পুঠিয়া থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল বারী মেয়রের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাতে একজন নারী বাদী হয়ে থানায় এই অভিযোগটি দায়ের করেন। সোমবার সকালে মামলাভুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার পর মেয়রকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তবে মেয়র পলাতক রয়েছে।

ভুক্তভোগী ওই নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে সোমবার দুপুরে রামেক হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা ।

এর আগে গত বছরের শুরুতে দুর্গাপুর উপজেলার একজন হাসপাতালের সেবিকাকে (নার্স) বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ করেন ওই মেয়র। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে ওই সেবিকা সন্তানের পিতৃপরিচয়ের দাবি করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত বছর ১১ এপ্রিল মেয়রের লোকজন তাকে ব্যক্তিগত অফিসে তুলে এনে নির্যাতন করে। খবর পেয়ে পুলিশ ওই সেবিকাকে মেয়রের চেম্বার থেকে উদ্ধার করেন। পরে ওই রাতে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে মেয়রকে আসামি করে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার কিছুদিন পর আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষ নেতার বাসায় বিষয়টি দফারফা করা হয়।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST