
পহেলা বৈশাখের আগেই যেন স্থানীয় সরকার ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সব প্রস্তুতি যেন ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা যায় সে লক্ষ্যে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখের আগেই যেন ধাপে ধাপে সবকিছু সম্পন্ন করা যায়, সেভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এ ক্ষেত্রে, সংরক্ষিত মহিলা আসন নির্বাচন বা তার আগেও কিছু বিষয় রয়েছে যেমন রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার নির্বাচন- যার অনেকটাই নির্ভর করবে সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, এরপর আসে সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন। সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বিষয়ে আমাদের কাছে চিঠি এসেছে, আমরা কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করব। তবে শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচন যেহেতু জাতীয় সংসদ নির্বাচনেরই একটি অংশ, গুরুত্ব বিবেচনায় আপাতত তা কমিশনের কাছে বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে। এ বিষয়ে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দ্রুত এ দুই আসনে নির্বাচনের কাজ করছে কমিশন।
দুই সংসদীয় আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে গিয়ে কোনোভাবে সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে দেরি হবে কি না সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেরি হবে, এমনটা বলবো না। সিটি করপোরেশন নির্বাচন বা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু কাজ থাকে যেমন- ডিলিমিটেশনের বিষয় বা আইনগত কোন সমস্যা বা বিদ্যমান আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো বিষয় আছে কিনা- এগুলো সঠিকভাবে ভেবেচিন্তে, দেখে তারপরে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।এই যথাযথ প্রক্রিয়াগুলোতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় ব্যয় করবে না কমিশন, এমনটা জানিয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন, এই কাজগুলো শেষ করার পরই সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এবং সময়মতো তা আয়োজনে নির্বাচন কমিশন আশাবাদী।
স্থানীয় সরকার ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশনের সামনে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনে শুরু থেকেই বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ছিল। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমরা একে একে সব কয়টা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পেরেছি। সকলের সহযোগিতায় অত্যন্ত সুন্দর একটি নির্বাচন হয়েছে এবং এটা সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে। আমরা সেরকমই সফল একটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ব্যাপারে অত্যন্ত আশাবাদী।’