নিজস্ব প্রতিবেদক : নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হলে খাদ্য প্রস্তুতকারী থেকে শুরু করে ভোক্তা পর্যন্ত সমাজের সকল স্তরে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। বিক্রেতা ও ভোক্তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া এককভাবে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। মঙ্গলবার (২৪ জুন) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত নিরাপদ খাদ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামাজিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ বিষয়ক সেমিনারে বক্তারা এই অভিমত ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মির্জা ইমাম উদ্দিন। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. ইয়ামিন হোসেন। প্রবন্ধে তিনি নিরাপদ খাদ্যের বর্তমান পরিস্থিতি, চ্যালেঞ্জ এবং তা মোকাবিলায় সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
সেমিনারে বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মির্জা ইমাম উদ্দিন বলেন, "আমাদের সবাইকে নিরাপদ খাবার প্রস্তুত ও গ্রহণের বিষয়ে সচেতন হতে হবে। সরকারি সংস্থা, ব্যবসায়ী এবং ভোক্তা—সকলে মিলে যদি আমরা একযোগে কাজ না করি, তাহলে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার এই লড়াইয়ে সফল হওয়া কঠিন হবে।" তিনি খাদ্য উৎপাদন ও বিপণন পর্যায়ে নজরদারি আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) উম্মে কুলসুম সম্পা, বাংলাদেশ কনজুমারস এ্যাসোসিয়েশনের (ক্যাব) রাজশাহী সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম মোস্তাফা মামুন, উইমেন চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি রোজিটি নাজনীন, ‘সোনার দেশ’ পত্রিকার সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাতসহ জেলা নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
আলোচনায় অংশগ্রহণ করে বক্তারা নিরাপদ খাদ্য আইন বাস্তবায়নে আরও কঠোর হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে প্রচার-প্রচারণা চালানোর ওপর জোর দেন। তারা বলেন, শুধু জরিমানা বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়, খাদ্য ব্যবসায়ীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করাও জরুরি।
#ম/শি#।