
নিজস্ব প্রতিবেদক দুর্গাপুর
আসন্ন রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ সদস্য পদের প্রার্থী সাহাদত হোসেন ভোট চাইতে গিয়ে লাঞ্ছিত হয়েছেন। পূর্বের দেয়া ওয়াদা অনুযায়ী মসজিদের ১০ ব্যাগ সিমেন্ট না দেওয়ায় মসজিদের মুসল্লি ও স্থানীয় জনসাধারণের হাতে লাঞ্ছিত হন তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার আমগাছী বাজারে। ঘটনার পর গণসংযোগ বাদ দিয়ে ফিরে যান সাহাদত হোসেন।
জানা গেছে, রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৭ অক্টোবর। এই নির্বাচনে সাধারণ ওয়ার্ডের (দুর্গাপুর) সদস্য পদের প্রার্থী সাহাদত হোসেন ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের কাছে ভোট চাইতে শুক্রবার সন্ধ্যায় আমগাছী বাজারে যান। আমগাছী বাজারের রফিকুল ইসলামের ফার্মেসীর সামনে আগে থেকেই বসে ছিলেন ঝালুকা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোজাহার আলী মন্ডল। তাঁকে দেখে সালাম বিণিময় করেন সাহাদত হোসেন ও তাঁর সফর সঙ্গী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান পুট্টু। এ সময় মোজাহার আলী মন্ডল তাদের সালামের প্রতিউত্তর না দিয়ে তাদেরকে অপমান অপদস্থ করতে থাকেন। এ সময় মসজিদে ১০ ব্যাগ সিমেন্ট দেয়ার কথা থাকলেও তা দেয়া হয়নি কেন এজন্য সাহাদত হোসেন জামিলুর রহমান পুট্টুকে প্রশ্নবাণে জর্জরিত করেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে মসজিদের মুসল্লিরা ও স্থানীয় লোকজন সাহাদত ও পুট্টুকে লাঞ্ছিত করেন। পরে সাহাদত ও পুট্টু গণসংযোগ বাদ দিয়ে দুর্গাপুর সদরে ফিরে যান। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে আমগাছী বাজারে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও কিছু সময় পর পরিস্থিতি শান্ত হয়।
এ ব্যাপারে সাহাদত হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
ঝালুকা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোজাহার আলী মন্ডল বলেন, আমগাছী বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের উন্নয়নকল্পে ১০ ব্যাগ সিমেন্ট দিতে চেয়েছিলেন জামিলুর রহমান পুট্টু। দীর্ঘদিন ধরে পুট্টুর কাছে সিমেন্ট চাইলেও সিমেন্ট দেননি পুট্টু। শুক্রবার সন্ধ্যায় তারা ভোট চাইতে আসলে মসজিদের মুসল্লি ও স্থানীয় লোকজন তাদের ঘিরে ধরেন। বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে স্থানীয় লোকজনের সাথে তাদের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। আমি উপস্থিত হয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি শান্ত করেছি মাত্র।