1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. modlraju58@gmail.com : raju019 :
দর্শকদের ওপর খেপে ফুটবল খেলার ট্রফি ভাঙলেন ইউএনও! - ডিবিসি জার্নাল২৪
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বর্তমান সরকার তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর- তথ্যমন্ত্রী স্বপন রাজশাহীতে যৌন নিপীড়নের মামলায় সাংবাদিক রাব্বানী কারাগারে ইউরিয়া সার আমদানিতে দরপত্রে আগ্রহ নেই সরবরাহকারীদের, বিসিআইসি’র দাবি জাহাজ মিলছেনা! মহান মে দিবসে রাজশাহীতে বিক্রয় প্রতিনিধি সমবায়ের র‍্যালি নারী সার্জেন্টের সাথে প্রতারণার অভিযোগ, ওসি মাহবুবের বিরুদ্ধে! নেপথ্যের কি? রাজশাহীতে তেল নিতে লাইনে, হিটস্ট্রোকে বৃদ্ধের মৃত্যু বাঘায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত বাঘায় সড়ক সংস্কারসহ বিভিন্ন দাবিতে মানববন্ধন মালিক সমিতির দ্বন্দ্বে রাজশাহী-ঢাকা বাস চলাচল বন্ধ রাজশাহীতে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ২

দর্শকদের ওপর খেপে ফুটবল খেলার ট্রফি ভাঙলেন ইউএনও!

  • আপডেট করা হয়েছে শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৪৬৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেরুবা ইসলামের বিরুদ্ধে ফুটবল খেলার ট্রফি ভাঙার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠে। এ ঘটনায় আলীকদম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে ইউএনওকে প্রত্যাহারের দাবি জানান।

মো. আবুল কালাম জানান, ফুটবল খেলার টাইব্রেকারে একটা দলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। খেলায় অংশগ্রহণকারীরা বলেছিলেন, টাইব্রেকারে মধ্যে ত্রুটি আছে, আমরা পুনরায় খেলাটা চাই। তখন ইউএনও বক্তব্য করছিলেন। বক্তব্যের সময় ইউএনও নিজেই ট্রফিগুলো ভেঙে ফেলেন।

স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আলীকদম উপজেলার ২ নম্বর চৈক্ষং ইউনিয়নের রেপারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আবাসিক স্বাধীন যুব সমাজের উদ্যোগে জুনিয়র একাদশ বনাম রেপারপাড়া বাজার একাদশ ফুটবল টিমের ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন আলীকদমের ইউএনও মেহরুবা ইসলাম। খেলার সমাপনী বক্তব্যের সময় হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে উপস্থিত জনগণের সামনে ট্রফি ভেঙে ফেলেন তিনি। এ ঘটনার একটি ভিডিও রাতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেরুবা ইসলাম মোবাইল ফোনে বলেন, খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণের সময় হঠাৎ একজন এসে বললেন, তিন গোল চার গোল তারা মানে না। তখন আমি বললাম, খেলা আবার হবে কিনা। তখন এটা নিয়ে পেছন থেকে খুব আওয়াজ শুরু হলো তারা ট্রফি নেবে না। তারাই বলল, ট্রফি যতদিন থাকবে একটা আক্রোশ থাকবে। তাই ট্রফি ভেঙে ফেলা হোক। পরে আমি বললাম, তাহলে ঠিক আছে আপনারা মেডেলগুলো নিয়ে যান।

মেহেরুবা ইসলাম আরও বলেন, ওরাই বলছে ট্রফিটা ভেঙে ফেলা হোক। তাই ভেঙে ফেলা হয়েছে। ওখানে বহিরাগত কিছু ছেলে এসেছিল। স্থানীয় চেয়ারম্যানও তাদেরকে চেনেন না বলে জানিয়েছেন।

আলীকদম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম বলেন, খেলার আয়োজকরা চাঁদা তুলে ট্রফিগুলো কিনেছে। এখনও নাকি ২৭ হাজার টাকার মতো বকেয়া আছে। এসব অনুষ্ঠানে গেলে আয়োজকদের কমপক্ষে ২০-৩০ হাজার টাকা দিই, যাতে ট্রফি ও মেডেল কিনতে পারে। এজন্য আমরা সহযোগিতা করি। কিন্তু এখানে তাদেরকে কোনো সহযোগিতা না করে উল্টো ট্রফি ভেঙে ফেলা হয়েছে। এমন করাটা উচিত হয়নি ইউএনওর। সেখানে তিন-চার জন জনপ্রতিনিধিও ছিল।

ইউএনও-র বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে তিনি আরও বলেন, দুই দিন আগে পার্কিং করা অবস্থায় দুটি মোটরসাইকেল আনসারদের ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। এটিও আমার ফেসবুকে দিয়েছি। ইউএনওর ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসককে জানানো হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST