1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. dbcjournal24@gmail.com : ডিবিসি জার্নাল ২৪ : ডিবিসি জার্নাল ২৪
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ০২:০৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
সাবেক আইনমন্ত্রী আঃ মতিন খসরুর মৃত্যুতে ডাঃ মনসুর এমপির শোক রমজান মাস হবে দুইটি ২০৩০ সালে লকডাউন’ বাস্তবায়নের জন্য এসপিদের নির্দেশনা দিয়েছেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি পুঠিয়া পৌরসভার মেয়র মামুন খানের বিরুদ্ধে এক নার্সের ধর্ষণ মামলা দুর্গাপুরের জয়নগর ইউপি চেয়ারম্যান পদে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী শেখ ফিরোজ আহমদের মাক্স বিতরণ ডি-এইটের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ডাঃ মনসুর এমপি দুর্গাপুরে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকানপাট খোলা রাখাই ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে জরিমানা রাজশাহীতে মিনু, বুলবুল সহ চার নেতার নামে পরোয়ানা দুর্গাপুরে মাক্স ব্যবহারের জন্য কঠোর ভূমিকায় উপজেলা প্রশাসন, সাধারন জনগনের মাঝে ইউএনওর ফ্রী মাক্স বিতরণ ভারতে একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত ৮৯১২৯, মৃত্যু ৭১৪

Recent Posts

Recent Posts

Recent Comments

    যেভাবে বুদ্ধিজীবী হত্যা

    • আপডেট করা হয়েছে সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২০
    • ১২৯ বার পড়া হয়েছে

    ডিবিসি নিউজ ডেস্ক: লাশ শনাক্তকরণের সময় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পরিবারের সদস্যদের অনেকেই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েছিলেন। এরকম আরও বধ্যভূমি ছিল মিরপুর এবং রায়েরবাজার এলাকায়, তেজগাঁওয়ের কৃষি বর্ধিতকরণ বিভাগের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মহাখালীর টিবি হাসপাতালসহ সারা দেশের বিভিন্ন জায়গায়। অনেক লাশই পরবর্তীতে শনাক্তকরণের পর্যায়ে ছিল না…

    জাতির সূর্যসন্তানদের চিরবিদায়ের দিন আজ। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবীদের হত্যাযজ্ঞে মেতে ওঠে পাকবাহিনী এবং তাদের দোসর রাজাকার, আলবদর, আল-শামসরা। মুক্তিযুদ্ধের শেষ সময় বিজয়ের ঠিক আগ মুহূর্তে পাকিস্তানিরা তাদের পরাজয় সম্পর্কে আঁচ করতে পারে। মুক্তিবাহিনী যখন বীরবিক্রমে পাকিস্তানি সেনাদের আক্রমণ একের পর এক উড়িয়ে দিচ্ছিল, তখন দিশাহারা হয়ে পড়ে বর্বর পাকিস্তানিরা। পরাজয়ের চরম প্রতিহিংসায় উন্মত্ত হয়ে ওঠে ওরা। আঁকে নতুন ছক।

    এর আগে ডিসেম্বরের ৪ তারিখ থেকে ঢাকায় নতুন করে কারফিউ জারি করা হয়। ডিসেম্বরের ১০ তারিখ থেকেই বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। মূলত ১৪ ডিসেম্বর পরিকল্পনার মূল অংশ বাস্তবায়ন হয়। অধ্যাপক, সাংবাদিক, শিল্পী, প্রকৌশলী, লেখকসহ চিহ্নিত বুদ্ধিজীবীদের পাকিস্তান সেনাবাহিনী এবং তাদের দোসররা জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যায়। ওইদিন প্রায় দুই শ’র মতো বুদ্ধিজীবীকে তাঁদের বাসা থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের চোখে কাপড় বেঁধে মিরপুর, মোহাম্মদপুর, নাখালপাড়া, রাজারবাগসহ অন্য আরও অনেক স্থানে অবস্থিত নির্যাতন কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁদের ওপর বীভৎস নির্যাতন চালানো হয়। পরে তাঁদের নৃশংসভাবে রায়েরবাজার এবং মিরপুর বধ্যভূমিতে হত্যা করে ফেলে রাখা হয়। এ দুটি স্থান এখন বধ্যভূমি হিসেবে সংরক্ষিত।

    শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে রয়েছেন- অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী, ডা. আলিম চৌধুরী, অধ্যাপক মনিরুজ্জামান, ড. ফজলে রাব্বী, সিরাজউদ্দীন হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, অধ্যাপক জি সি দেব, জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, অধ্যাপক সন্তোষ ভট্টাচার্য, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, সাংবাদিক খন্দকার আবু তাহের, নিজামউদ্দীন আহমেদ, এস এ মান্নান (লাডু ভাই), এ এন এম গোলাম মোস্তফা, সৈয়দ নাজমুল হক, সেলিনা পারভীনসহ আরও অনেকে। কিন্তু কী অপরাধ ছিল জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের? শুধু মেধাশূন্য করে বাঙালি জাতির মেরুদণ্ড ভেঙে দিতেই এই গভীর এবং ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। বুদ্ধিজীবীদের হত্যার ঠিক দুই দিন পর ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

    বুদ্ধিজীবীদের হত্যাযজ্ঞের স্মরণে বাঙালি জাতি সশ্রদ্ধচিত্তে সেই ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর থেকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করে আসছে। বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী মরহুম তাজউদ্দীন আহমদ ১৪ ডিসেম্বরকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ঘোষণা করেছিলেন, কারণ অপহরণ ও পরে নির্বিচারে হত্যা এই ১৪ ডিসেম্বরেই অর্থাৎ পাকবাহিনীর আত্মসমর্পণ এবং বাঙালির বিজয় অর্জন তথা বিজয় দিবসের ঠিক দুই দিন আগে সংঘটিত হয়েছিল সবচেয়ে বেশি। জাতিকে পঙ্গু করার প্রয়াসে ২৫ মার্চ থেকে শুরু করে সারা দেশে টার্গেট করে প্রায় ২ হাজার শিক্ষক, শিল্পী, সাহিত্যিক, আইনজীবী, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারকে হত্যা করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। এর মধ্যে ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর ঢাকায়ই খুন হন প্রায় ১ হাজার ১০০। যুদ্ধের পরও কয়েকজন শহীদ হয়েছেন, যাদের মধ্যে জহির রায়হান অন্যতম।

    দৈনিক পত্রিকাগুলো নিখোঁজ বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় এবং চতুর্থ সপ্তাহে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। গোপন তথ্যসূত্রের ভিত্তিতে ১৮ ডিসেম্বর একদল সাংবাদিক ঢাকার পশ্চিমে রায়েরবাজার এলাকায় পচনশীল, ক্ষতবিক্ষত লাশের একটি গণকবরের সন্ধান লাভ করে। জাতির মেধাবী ব্যক্তিবর্গের দেহগুলো অত্যাচারের সুস্পষ্ট চিহ্ন নিয়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে, একে-অন্যের নিচে চাপা পড়ে ছিল। লালমাটিয়ায় শারীরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সাংবাদিকরা একটি বন্দীশালা আবিষ্কার করেন, যা ছিল রাজাকার, আলবদর, আল-শামসদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।

    ঢাকা ইউনিভার্সিটির শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ এবং কামালউদ্দিন, চিকিৎসক ফজলে রাব্বী, আবদুল আলিম চৌধুরী, আবুল খায়েরের পচনশীল লাশগুলো পরিবারের সদস্যরা শনাক্ত করেন সেদিনই। সাংবাদিক সেলিনা পারভীনের লাশ শনাক্ত করা হয় পরের দিন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সন্তোষচন্দ্র ভট্টাচার্য, সিরাজুল হক, ফাইজুল মাহী এবং চিকিৎসক গোলাম মুর্তোজা, আজহারুল হক, হুমায়ুন কবীর ও মনসুর আলীর লাশ পরবর্তীতে চিহ্নিত করা হয়। লাশ শনাক্তকরণের সময় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পরিবারের সদস্যদের অনেকেই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েছিলেন। এরকম আরও বধ্যভূমি ছিল মিরপুর এবং রায়েরবাজার এলাকায়, তেজগাঁওয়ের কৃষি বর্ধিতকরণ বিভাগের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মহাখালীর টিবি হাসপাতালসহ সারা দেশের বিভিন্ন জায়গায়। অনেক লাশই পরবর্তীতে  শনাক্তকরণের পর্যায়ে ছিল না।

    হত্যাকান্ডের পরিকল্পনা

    আজ ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এদিন বাংলার সূর্যসন্তানদের নির্মমভাবে হত্যা করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। যখন পরাজয় সুনিশ্চিত তখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী একে একে হত্যা করে এ দেশের বুদ্ধিজীবীদের। তাদের মধ্যে ছিলেন অধ্যাপক, লেখক, সাহিত্যিক, ইতিহাসবিদ, চিকিৎসক, সাংবাদিক, প্রকৌশলীসহ নানা পেশাজীবী। দেশকে মেধাশূন্য করার পৈশাচিক পরিকল্পনা নেয় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের পরিকল্পনাকারীদের মধ্যে মাস্টারমাইন্ডের ভূমিকায় ছিলেন মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী। পাকিস্তানি বাহিনীর পক্ষে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তিনি। ২৫ মার্চ রাতে অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনার সঙ্গেই বুদ্ধিজীবীদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। পাকিস্তানি সেনারা অপারেশন চলাকালীন খুঁজে খুঁজে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করতে থাকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষককে ২৫ মার্চের রাতেই হত্যা করা হয়। তবে, পরিকল্পিত হত্যার ব্যাপক অংশটি ঘটে যুদ্ধ শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক দিন আগে। যুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং তাদের প্রশিক্ষিত আধা-সামরিক বাহিনী আলবদর এবং আল-শামস বাহিনী একটি তালিকা তৈরি করে। যেখানে এসব স্বাধীনতাকামী বুদ্ধিজীবীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ধারণা করা হয় পাকিস্তানি বাহিনীর পক্ষে এ কাজের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী। স্বাধীনতার পর ধ্বংসপ্রাপ্ত বঙ্গভবন থেকে তার স্বহস্তে লিখিত ডায়েরি পাওয়া যায়, যাতে অনেক নিহত ও জীবিত বুদ্ধিজীবীর নাম পাওয়া যায়। আইয়ুব শাসনামলের তথ্য সচিব আলতাফ গওহরের এক সাক্ষাৎকার থেকে জানা যায়, ফরমান আলীর তালিকায় তার বন্ধু কবি সানাউল হকের নাম ছিল। আলতাফ গওহরের অনুরোধে রাও ফরমান আলী তার ডায়েরির লিস্ট থেকে সানাউল হকের নাম কেটে দেন। এ ছাড়া আলবদরদের জন্য গাড়ির ব্যবস্থা তিনিই করেছিলেন বলে তার ডায়েরিতে একটি নোট পাওয়া যায়। তার ডায়েরিতে হেইট ও ডুসপিক নামে দুজন আমেরিকান নাগরিকের কথা পাওয়া যায়। এদের নামের পাশে ইউএসএ এবং ডিজিআইএস লেখা ছিল। এর মধ্যে হেইট ১৯৫৩ সাল থেকে সামরিক গোয়েন্দা বাহিনীতে যুক্ত ছিলেন এবং ডুসপিক ছিলেন সিআইএ এজেন্ট।

    নৃশংসতার সাক্ষী

    বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার, আলবদর, আল-শামস সাধারণ নাগরিক, মুক্তিযোদ্ধা, বুদ্ধিজীবী, সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ধরে নিয়ে হত্যার জন্য কিছু নির্দিষ্ট স্থানকে ব্যবহার করত। পরে এগুলো বধ্যভূমি হিসেবে পরিচিতি পায়।

    বিভিন্ন সময় দেশের ৩৫টি স্থানকে বধ্যভূমি হিসেবে চিহ্নিত করে সেগুলো সংরক্ষণ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মোট কতগুলো স্থান বধ্যভূমি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে সে সংক্রান্ত কোনো তালিকা পাওয়া যায় না; তবে ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি এ দেশে প্রায় ৯৪২টি বধ্যভূমি শনাক্ত করেছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে ১১৬টি স্থানকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বধ্যভূমি হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় মহান স্বাধীনতা যুদ্ধকালে পাকিস্তান বাহিনী কর্তৃক ব্যবহৃত ‘বধ্যভূমিসমূহ সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ’ নামের একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরি করেছে, যাতে প্রথমে দেশের ১৭৬টি বধ্যভূমি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও পরে প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবে ১২৯টি বধ্যভূমি সংরক্ষণ এবং সেখানে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এগুলো হলো- ঢাকা জেলায় আটটি, রাজবাড়ীতে তিনটি, ফরিদপুরে চারটি, নরসিংদীতে চারটি, মুন্সীগঞ্জে পাঁচটি, টাঙ্গাইলে দুটি, শেরপুরে দুটি, কিশোরগঞ্জে ১১টি, ময়মনসিংহে নয়টি, মানিকগঞ্জে একটি, শরীয়তপুরে একটি, গাজীপুরে একটি, জয়পুরহাটে পাঁচটি, নওগাঁয় সাতটি, রাজশাহীতে তিনটি, নাটোরে ছয়টি, পাবনায় একটি, বগুড়ায় চারটি, রংপুরে দুটি, লালমনিরহাটে একটি, গাইবান্ধায় নয়টি, পঞ্চগড়ে চারটি, ঠাকুরগাঁওয়ে চারটি, নীলফামারীতে ছয়টি, দিনাজপুরে একটি, চট্টগ্রামে ১১টি, সুনামগঞ্জে দুটি, হবিগঞ্জে একটি, যশোরে তিনটি, ঝিনাইদহে দুটি, খুলনায় দুটি, পিরোজপুরে দুটি, বাগেরহাটে একটি ও  ভোলায় একটি করে বধ্যভূমি রয়েছে।

     

    শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

    ড. গোবিন্দচন্দ্র দেব (দর্শনশাস্ত্র)

    ড. মুনীর চৌধুরী (বাংলা সাহিত্য)

    ড. মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী (বাংলা সাহিত্য)

    ড. আনোয়ার পাশা (বাংলা সাহিত্য)

    ড. আবুল খায়ের (ইতিহাস)

    ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা (ইংরেজি সাহিত্য)

    ড. সিরাজুল হক খান (শিক্ষা)

    ড. এ এন এম ফাইজুল মাহী (শিক্ষা)

    হুমায়ুন কবীর (ইংরেজি সাহিত্য)

    রাশিদুল হাসান (ইংরেজি সাহিত্য)

    সাজিদুল হাসান (পদার্থবিদ্যা)

    ফজলুর রহমান খান (মৃত্তিকা বিজ্ঞান)

    এন এম মনিরুজ্জামান (পরিসংখ্যান)

    এ মুকতাদির (ভূবিদ্যা)

    শরাফত আলী (গণিত)

    এ আর কে খাদেম (পদার্থবিদ্যা)

    অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য (ফলিত পদার্থবিদ্যা)

    এম এ সাদেক (শিক্ষা)

    এম সাদত আলী (শিক্ষা)

    সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য (ইতিহাস)

    গিয়াসউদ্দিন আহমদ (ইতিহাস)

    রাশীদুল হাসান (ইংরেজি)

    এম মর্তুজা (চিকিৎসক)

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

    ড. হবিবুর রহমান (গণিত বিভাগ)

    ড. শ্রী সুখরঞ্জন সমাদ্দার (সংস্কৃত)

    মীর আবদুল কাইউম (মনোবিজ্ঞান)

    চিকিৎসক

    অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী (হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ)

    অধ্যাপক ডা. আলিম চৌধুরী (চক্ষু বিশেষজ্ঞ)

    অধ্যাপক ডা. শামসুদ্দীন আহমেদ

    অধ্যাপক ডা. আবদুল আলিম চৌধুরী

    ডা. হুমায়ুন কবীর

    ডা. আজহারুল হক

    ডা. সোলায়মান খান

    ডা. আয়েশা বদেরা চৌধুরী

    ডা. কসির উদ্দিন তালুকদার

    ডা. মনসুর আলী

    ডা. মোহাম্মদ মুর্তোজা

    ডা. মফিজউদ্দীন খান

    ডা. জাহাঙ্গীর

    ডা. নুরুল ইমাম

    ডা. এস কে লালা

    ডা. হেমচন্দ্র বসাক

    ডা. ওবায়দুল হক

    ডা.  আসাদুল হক

    ডা. মোসাব্বের আহমেদ

    ডা. আজহারুল হক (সহকারী সার্জন)

    ডা. মোহাম্মদ শফী (দন্ত চিকিৎসক)

    অন্যান্য

    শহীদুল্লাহ কায়সার (সাংবাদিক)

    নিজামউদ্দীন আহমেদ (সাংবাদিক)

    সেলিনা পারভীন (সাংবাদিক)

    সিরাজউদ্দীন হোসেন (সাংবাদিক)

    আ ন ম গোলাম মুস্তফা (সাংবাদিক)

    আলতাফ মাহমুদ (গীতিকার ও সুরকার)

    ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত (রাজনীতিবিদ)

    রণদা প্রসাদ সাহা (সমাজসেবক এবং দানবীর)

    যোগেশচন্দ্র ঘোষ (শিক্ষাবিদ, আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক)

    জহির রায়হান (লেখক, চলচ্চিত্রকার)

    মেহেরুন্নেসা (কবি)

    ড. আবুল কালাম আজাদ (শিক্ষাবিদ, গণিতজ্ঞ)

    নজমুল হক সরকার (আইনজীবী)

    নূতনচন্দ্র সিংহ (সমাজসেবক, আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক)

    শেয়ার করুন

    কমেন্ট করুন

    আরো সংবাদ পড়ুন