1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. dbcjournal24@gmail.com : ডিবিসি জার্নাল ২৪ : ডিবিসি জার্নাল ২৪
শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন

Categories

দুর্গাপুরে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে ছিলেননা উপজেলা আ.লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক

  • আপডেট করা হয়েছে বুধবার, ১৭ মার্চ, ২০২১
  • ৩৯৭ বার পড়া হয়েছে
দুর্গাপুরে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে ছিলেননা উপজেলা আ.লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক

ডিবিসি জার্নাল২৪.কম নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সকাল ১১ টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রফেসর ডাঃ মোঃ মনসুর রহমান উপস্থিত থাকলেও জন্মশতবার্ষিকীর এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন। নজরুল ইসলাম আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন নিয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া তোফাজ্জল হোসেন আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন নিয়ে পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে এই দুই নেতার অনুপস্থিতিতে দলীয় নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি অনুষ্ঠানের আয়োজক উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মাঝে আলোচনা ও সমালোচনার সঞ্চার হয়েছে।

জানা গেছে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কেক কাটা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রফেসর ডাঃ মোঃ মনসুর রহমান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ সভাপতি নজরুল ইসলাম এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন উপস্থিত ছিলেননা। এ ধরনের অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগের এই শীর্ষ দুই নেতার অনুপস্থিতি সবাইকে হতবাক করেছে।

আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল লতিফ বলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম এবং পৌরসভার মেয়র তোফাজ্জল হোসেন দীর্ঘ দিন এই পদ দুটি আঁকড়ে ধরে আছেন। তাদের এই কমিটির কোনো বৈধতা না থাকলেও সম্পূর্ণ গায়ের জোরে তারা নিজেদের সভাপতি সম্পাদক বলে পরিচয় দেন। এমনকি তারা গত ৬ বছরে তাদের কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে পারেননি। আজকে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী অনুষ্ঠানেও এই দুই নেতা উপস্থিত না থেকে ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি দাবি জানাচ্ছি।

উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, যারা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেননা। তারা কি ধরনের আওয়ামী লীগ করেন তা আমার বোধগম্য নয়। তাদের দুজনকে দলীয় পদ থেকে অপসারণ করে সাংগঠনিক ব্যবসায়ী নিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি জোর অনুরোধ রাখছি।

তিনি আরো বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে বিতর্ক করা বা রাজনীতি করা ঠিক নয়। কিন্তু এই দুই নেতার আচরণ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের শামিল। তাদের দুজনকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া উচিৎ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহসীন মৃধা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী অনুষ্ঠান উদযাপনের জন্য কেক কাটা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। স্থানীয় সংসদ সদস্য সহ সকল রাজনৈতিক নেতাদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হলেও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন কি জন্য অনুপস্থিত ছিলেন তা আমার জানা নেই। তবে তারা আগেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে চলে গেছেন শুনেছি।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বলেন, আমি শারীরিক ভাবে অসুস্থ থাকায় আগেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে চলে এসেছি। যার কারণে আলোচনা সভা ও কেক কাটার অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারিনি। তবে দলীয় নেতাকর্মীরা ছিলো বলে তিনি দাবি করেন।

এদিকে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

শেয়ার করুন
আরো সংবাদ পড়ুন