1. info235@noreply0.com : corinnevick93 :
  2. : admin :
  3. info239@noreply0.com : jerome6977 :
  4. modlraju58@gmail.com : raju019 :
চারঘাটে পুকুর খননের জোয়ারে বদলে যাচ্ছে প্রকৃতি, বাড়ছে উদ্বেগ - ডিবিসি জার্নাল২৪
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দুপুরের মধ্যে ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা দুর্গাপুরে ‎স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ শীর্ষক সেমিনার বাঘার সার্বিক উন্নয়নে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জমি নিয়ে বিরোধে আদিবাসী পরিবারের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ দুর্গাপুরে সেই শিশু ধর্ষণ ঘটনায় মামলা নিলেও এজাহারে অসঙ্গতি, আলামত নষ্ট করতেই কালক্ষেপণ জাতীয় মঞ্চে লড়বে বাঘার শাহদৌলা সরকারি কলেজের স্বপ্নবাজ তিন শিক্ষার্থী দুর্গাপুর পৌর বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বাগমারায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘায় বিদ্যালয়ে নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি আবু সাঈদ চাঁদ চলে গেলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক জাহিদ মাস্টার

চারঘাটে পুকুর খননের জোয়ারে বদলে যাচ্ছে প্রকৃতি, বাড়ছে উদ্বেগ

  • আপডেট করা হয়েছে মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬
  • ১৫৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,চারঘাট: রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় গত এক যুগে ব্যাপক হারে পুকুর খননের ফলে এলাকার প্রাকৃতিক চিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। একসময় যেসব জমিতে সবুজ ফসলের সমারোহ ছিল, সেসব জমি এখন একের পর এক পুকুরে পরিণত হয়েছে। একই সঙ্গে উর্বর মাটির একটি বড় অংশ চলে যাচ্ছে ইটভাটায়। এতে কৃষিজমি সংকুচিত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছর ধরে প্রশাসন অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও বাস্তবে কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম দেখা যাচ্ছে। ফলে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাহাতুল করিম মিজান নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছেন। দিন-রাত অভিযান চালিয়েও কিছু এলাকায় অনুমোদন ছাড়াই পুকুর খনন অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব কার্যক্রমে স্থানীয় বিএনপি কর্মী রবিউল ইসলামের সংশ্লিষ্টতার কথাও উল্লেখ করছেন অনেকে।
চারঘাট-বাঘা আসনের সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদ নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনেই অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছিলেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছিলেন, তার এলাকায় কোনো অবৈধ পুকুর খনন সহ্য করা হবে না এবং দলের কেউ জড়িত থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, বাস্তবে রবিউল ইসলাম এমপির ঘনিষ্ঠ হওয়ায় বিশেষ সুবিধা পাচ্ছেন।
সম্প্রতি সরেজমিনে নিমপাড়া ইউনিয়নে গিয়ে অন্তত তিনটি স্থানে পুকুর খননের কাজ চলতে দেখা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, সংস্কারের নামে অনুমোদন ছাড়াই দিন-রাত মাটি কেটে তা ইটভাটায় বিক্রি করা হচ্ছে। প্রশাসনের নজরের সামনেই এমন কার্যক্রম চললেও কার্যকর পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নন্দনগাছী এলাকার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন,অন্য কোথাও মাটি কাটার খবর পেলেই প্রশাসন দ্রুত অভিযান চালিয়ে জরিমানা করে। কিন্তু রবিউলের ক্ষেত্রে অভিযান গিয়ে ফিরে আসে,এটা প্রশ্নের জন্ম দেয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক বাসিন্দা বলেন,পুকুর খননের জগতে রবিউল এখন প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে। এলাকায় এমন ধারণা রয়েছে যে, তার কাজ বন্ধ করার ক্ষমতা প্রশাসনের কারও নেই।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রবিউল ইসলাম দাবি করেন, তিনি সব কাজ অনুমোদন নিয়েই করছেন এবং কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত নন।
অন্যদিকে, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাহাতুল করিম মিজান জানান, অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে প্রশাসন নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে এবং কাউকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না।
এ অবস্থায় স্থানীয়দের দাবি, কৃষিজমি রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: ATOZ IT HOST